ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ খেলা’ কমিয়ে দিলো দুই দেশের বৈরি সম্পর্ক
নারী বিশ্বকাপে থাকছে রেকর্ড প্রাইজমানি
ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়: অপু বিশ্বাস
বিশ্বকাপের আগে তিন দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা
১০ হাজার কিলোমিটার দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড!
‘মুখে ঘুষির’ ধাক্কা সামলে আর্সেনালকে ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ আর্তেতার
২০ মাসে ফাহিমের বিদেশ সফরের পেছনেই বিসিবির খরচ প্রায় ৪১ লাখ টাকা
দেশের ক্রিকেটে এক সময় তিনি ছিলেন নীতি-আদর্শের বাতিঘর। বিসিবির নানা হঠকারী সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম। ২০২৪ সালের অগাস্টের পালাবদলে বিসিবির পরিচালক বনে যান তিনি, অনেকে তাকে পেয়ে বিপুল আশাও দেখেছিলেন। কিন্তু বিশ মাসের দায়িত্ব পালন শেষে এখন পরিবর্তনের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে তার আকাশচুম্বী সফর খরচের খতিয়ান। অভিযোগ উঠেছে, সংস্কারের চেয়ে বিসিবির অর্থকড়িতে বিদেশ বিভুঁই ভ্রমণেই বেশি মগ্ন ছিলেন তিনি। এমনকি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের এশিয়া কাপ সফরেও চলে গিয়ে খরচ বাড়িয়েছেন।
সফরের পরিসংখ্যান ও বিশাল খরচ
বিসিবি সূত্রে পাওয়া একটি নথিতে দেখা যায়, পরিচালক থাকাকালীন ১০টি বিদেশ সফরে নাজমুল আবেদীনের পেছনে বিসিবির খরচ হয়েছে মোট ৪০
লাখ ৬১ হাজার ৭৫০ টাকা। এর মধ্যে কেবল বিমান ভাড়াই ছিল ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বাকি ২৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৫০ টাকা তিনি পকেটে পুরেছেন দৈনিক ভাতা বা ‘ডিএ’ হিসেবে। শুরুতে তার দৈনিক ভাতা ৩০০ ডলার থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৪০০ ডলার। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিপুল অর্থ খরচ করে তার এসব সফর থেকে দেশের ক্রিকেটের প্রাপ্তি আদতে কী? বিপিএলের সংকটে মালয়েশিয়ায়! সবচেয়ে বড় বিতর্কটি উঠেছিল গত বছরের জানুয়ারিতে। বিপিএলের একাদশ আসর তখন মাঠ ও মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে টালমাটাল। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব হিসেবে যখন তার ঢাকায় থাকা সবচেয়ে জরুরি, তখন তিনি অবস্থান করছিলেন মালয়েশিয়ায়। উপলক্ষ—মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ এই টুর্নামেন্টে তার এমন সফর বিসিবির ভেতরেই তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। সমালোচনার মুখে পাঁচ দিন পর তিনি ফিরলেও সফর-প্রীতির সেই ধারা থামেনি। নৈতিকতা বনাম বিলাসিতা বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের আমলেই সবচেয়ে বেশি সফর করেছেন নাজমুল আবেদীন। অথচ এই ব্যাপারে ফারুক আহমেদ বেশি কথা বাড়াতে রাজী না, ‘এখন বোর্ডে নাই তাই বলতে চাই না। এগুলা যার যার নিজের ব্যাপার। আমি নিজে এত সফর করিনি।‘ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে আহমেদ সাজ্জাদুল আলমকে অনেকটা জোরপূর্বক সরিয়ে নাজমুল আবেদীনকে পরিচালক করা হয়েছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেই নিয়োগ নিয়ে আইনি প্রশ্ন থাকলেও ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাকে
মেনে নিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু প্রথম ১০ মাসেই ৯টি সফর করে তিনি সেই আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা। বিদেশ সফরের এই খরচের কথা অস্বীকার করেননি ফাহিম, তবে এই ব্যাপারে এখন আর বিস্তারিত বলতে রাজী না তিনি, ‘নতুন করে আর কিছু বলার নেই।’ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে সেই বোর্ড ভেঙে দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে নাজমুল আবেদীনের এই ৪০ লাখ টাকার সফরনামা বিসিবির ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাচ্ছে। দেশের ক্রিকেট এই বিনিয়োগ থেকে শেষ পর্যন্ত কী পেল—সেই উত্তর মেলেনি।
লাখ ৬১ হাজার ৭৫০ টাকা। এর মধ্যে কেবল বিমান ভাড়াই ছিল ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বাকি ২৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৫০ টাকা তিনি পকেটে পুরেছেন দৈনিক ভাতা বা ‘ডিএ’ হিসেবে। শুরুতে তার দৈনিক ভাতা ৩০০ ডলার থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৪০০ ডলার। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিপুল অর্থ খরচ করে তার এসব সফর থেকে দেশের ক্রিকেটের প্রাপ্তি আদতে কী? বিপিএলের সংকটে মালয়েশিয়ায়! সবচেয়ে বড় বিতর্কটি উঠেছিল গত বছরের জানুয়ারিতে। বিপিএলের একাদশ আসর তখন মাঠ ও মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে টালমাটাল। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব হিসেবে যখন তার ঢাকায় থাকা সবচেয়ে জরুরি, তখন তিনি অবস্থান করছিলেন মালয়েশিয়ায়। উপলক্ষ—মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ এই টুর্নামেন্টে তার এমন সফর বিসিবির ভেতরেই তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। সমালোচনার মুখে পাঁচ দিন পর তিনি ফিরলেও সফর-প্রীতির সেই ধারা থামেনি। নৈতিকতা বনাম বিলাসিতা বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের আমলেই সবচেয়ে বেশি সফর করেছেন নাজমুল আবেদীন। অথচ এই ব্যাপারে ফারুক আহমেদ বেশি কথা বাড়াতে রাজী না, ‘এখন বোর্ডে নাই তাই বলতে চাই না। এগুলা যার যার নিজের ব্যাপার। আমি নিজে এত সফর করিনি।‘ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে আহমেদ সাজ্জাদুল আলমকে অনেকটা জোরপূর্বক সরিয়ে নাজমুল আবেদীনকে পরিচালক করা হয়েছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেই নিয়োগ নিয়ে আইনি প্রশ্ন থাকলেও ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাকে
মেনে নিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু প্রথম ১০ মাসেই ৯টি সফর করে তিনি সেই আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা। বিদেশ সফরের এই খরচের কথা অস্বীকার করেননি ফাহিম, তবে এই ব্যাপারে এখন আর বিস্তারিত বলতে রাজী না তিনি, ‘নতুন করে আর কিছু বলার নেই।’ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে সেই বোর্ড ভেঙে দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে নাজমুল আবেদীনের এই ৪০ লাখ টাকার সফরনামা বিসিবির ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাচ্ছে। দেশের ক্রিকেট এই বিনিয়োগ থেকে শেষ পর্যন্ত কী পেল—সেই উত্তর মেলেনি।



