ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমপি পদের দরদাম ১২ কোটি! চট্টগ্রামের বিএনপি নেত্রীর বিস্ফোরক দাবি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ভেনিসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত
নিজেদের “জুলাই প্রোডাক্ট” আখ্যা দিলেন জামায়াতের আমির শফিকুর
শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ
যুবলীগ নেতার সাজা কমাতে অনুরোধ চিফ প্রসিকিউটরের
‘এখন খুঁজলেও আর ভিক্ষুক পাওয়া যায় না’, জানালেন বিএনপির এমপি বাবুল
ঠাকুরগাঁও বার নির্বাচনে আ’লীগ পন্থী প্রার্থীদের বড় চমক
ট্রলের তোড়ে শিবিরের ‘বৈশাখ-ই আকবর’ হয়ে গেল ‘নববর্ষ উৎসব’
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রচলিত বর্ষবরণ আয়োজনের বাইরে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখ-ই আকবর’ নামে একটি অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছিল যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতে ইসলামীর গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির। এ উপলক্ষে তারা ব্যাপক প্রস্তুতিও নেয় এবং ১২ই এপ্রিল-রোববার সংগঠনটির ফেসবুক পেজে বিস্তারিত পোস্ট প্রকাশ করা হয়। সেখান থেকে জানানো হয়েছিল, বাংলা নববর্ষের ইতিহাস, গ্রামীণ জীবনধারা ও ‘মুসলিম ঐতিহ্য’ তুলে ধরতে ১৪ই এপ্রিল ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শহীদ মিনার এলাকায় এ আয়োজন চলবে।
তবে ঘোষণার পরপরই সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ট্রল এবং তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন পেজ বা আইডি থেকে এ নিয়ে মিম এবং ট্রল প্রকাশ হয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসভাপতি শেখ নূর
উদ্দিন আবীরসহ অনেকেই সম্রাট আকবর ও ‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ প্রসঙ্গ টেনে এ আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাদের অভিযোগ, আকবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিতর্কিত ঐতিহাসিক ধারণাকে ‘ইসলামী ঐতিহ্য’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। গুপ্ত সংগঠন শিবিরের এমন অদ্ভুত আয়োজন নিয়ে হাস্যরসে মেতে ওঠেন নেটিজেনরা। এক পর্যায়ে গুপ্ত সংগঠনটি তাদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হয়। পরে অনুষ্ঠানের আগের নাম ও সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্ট সরিয়ে ফেলে আয়োজকরা। আজ বিকেলে নতুন পোস্টে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসব ১৪৩৩’। নতুন ঘোষণায় বলা হয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজনই ছিল মূল লক্ষ্য, তবে শিরোনাম নিয়ে আপত্তি থাকায় সেটি পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়,
সম্রাট আকবর বা তার প্রবর্তিত ‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ প্রচারের কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না; বরং ইতিহাসভিত্তিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই নামটি রাখা হয়েছিল। নতুন ঘোষণাতেও ‘পহেলা বৈশাখ’ উল্লেখ না করে ‘১৪ এপ্রিল ২০২৬’ তারিখ ব্যবহার করা হয়। এ বিষয়ে সংগঠনটির প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জানান, আকবরের আমলে ফসলি সন চালুর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই প্রথমে ‘বৈশাখ-ই আকবর’ নামটি নির্বাচন করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন মহল থেকে আসা বিতর্ক ও আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের নির্বাহী কমিটি কেবল শিরোনাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, এবং নতুন নাম হিসেবে নির্ধারণ করা হয় ‘নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসব ১৪৩৩’। এদিকে গুপ্ত সংগঠনের এমন ডিগবাজি নিয়েও চলছে তুমুল হাস্যরস এবং ট্রল। নেটিজেনরা লিখছেন- অন্য দলের লুঙ্গির নিচে
থেকে রাজনীতি করা গুপ্ত সংগঠন শিবিরের উৎসবও তাদের মত গুপ্ত। বেশভূষা বদলালেও অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য একই রয়েছে।
উদ্দিন আবীরসহ অনেকেই সম্রাট আকবর ও ‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ প্রসঙ্গ টেনে এ আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাদের অভিযোগ, আকবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিতর্কিত ঐতিহাসিক ধারণাকে ‘ইসলামী ঐতিহ্য’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। গুপ্ত সংগঠন শিবিরের এমন অদ্ভুত আয়োজন নিয়ে হাস্যরসে মেতে ওঠেন নেটিজেনরা। এক পর্যায়ে গুপ্ত সংগঠনটি তাদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হয়। পরে অনুষ্ঠানের আগের নাম ও সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্ট সরিয়ে ফেলে আয়োজকরা। আজ বিকেলে নতুন পোস্টে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসব ১৪৩৩’। নতুন ঘোষণায় বলা হয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজনই ছিল মূল লক্ষ্য, তবে শিরোনাম নিয়ে আপত্তি থাকায় সেটি পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়,
সম্রাট আকবর বা তার প্রবর্তিত ‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ প্রচারের কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না; বরং ইতিহাসভিত্তিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই নামটি রাখা হয়েছিল। নতুন ঘোষণাতেও ‘পহেলা বৈশাখ’ উল্লেখ না করে ‘১৪ এপ্রিল ২০২৬’ তারিখ ব্যবহার করা হয়। এ বিষয়ে সংগঠনটির প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জানান, আকবরের আমলে ফসলি সন চালুর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই প্রথমে ‘বৈশাখ-ই আকবর’ নামটি নির্বাচন করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন মহল থেকে আসা বিতর্ক ও আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের নির্বাহী কমিটি কেবল শিরোনাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, এবং নতুন নাম হিসেবে নির্ধারণ করা হয় ‘নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসব ১৪৩৩’। এদিকে গুপ্ত সংগঠনের এমন ডিগবাজি নিয়েও চলছে তুমুল হাস্যরস এবং ট্রল। নেটিজেনরা লিখছেন- অন্য দলের লুঙ্গির নিচে
থেকে রাজনীতি করা গুপ্ত সংগঠন শিবিরের উৎসবও তাদের মত গুপ্ত। বেশভূষা বদলালেও অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য একই রয়েছে।



