ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম প্রভাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফিরে এলো ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা। সন্মিলিত বর্ষবরণ পরিষদ আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষ অংশ নিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির আদি ও চিরায়ত উৎসবমুখর রূপ প্রকাশ করেছেন।
সকাল ৯টায় ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের মিনাবাজারের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। বর্ণিল পোশাক, মুখোশ, ঢোল-করতালের তালে তালে শোভাযাত্রা ধানমন্ডি ২৭-এর রাস্তা প্রদক্ষিণ করে আবার মিনাবাজার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীরা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ঢাকের আওয়াজ, গান, করতাল ও নৃত্যে মেতে ওঠেন।
শোভাযাত্রা শুরুর আগে অংশগ্রহণকারীরা সমবেতভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। অনেকের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে। এই আবেগঘন মুহূর্ত পুরো অনুষ্ঠানে এক অনন্য আবহ তৈরি করে।
শোভাযাত্রা শেষে একই স্থানে
দিনব্যাপী বৈশাখী অনুষ্ঠানমালা চলতে থাকে সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা গান, কবিতা আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশন করেন। হাজারো বাঙালি জড়ো হয়ে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির উৎসবে মেতে ওঠেন। পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় জানিয়ে আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল পহেলা বৈশাখের আদি ও চিরায়ত রূপ ফিরিয়ে আনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন কারণে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম বদলে যায়। ২০২৫ সালে ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ইসলামিস্টদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে চলে আসা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামটি পরিবর্তিত হয়ে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ হয়। এবার বিএনপি সরকারের অধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা আয়োজিত মঙ্গল শোভাযত্রা পরিণত হয় ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে। সকল বাঁধা ও প্রতিবন্ধকতা
আর মৌলবাদীদের রক্তচৌক্ষু উপেক্ষা করে বর্ষবরণ পরিষদের ব্যানারে দশ-বারোটি সংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ধানমন্ডিতে “মঙ্গল শোভাযাত্রা” নামেই বর্ষবরন পালিত হয়। বৈশাখী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিল্পী ও দর্শকরা বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই দিনে সব ধরনের বিভেদ ভুলে আমরা একসঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করে নিই। গান, কবিতা ও লোকসংগীতের মাধ্যমে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি আরও গভীর হয়।” পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। বর্ণিল সাজে সজ্জিত রাস্তা, ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা পোশাক পরা মানুষ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মিলিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয়েছিল একটি বড় উৎসব প্রাঙ্গণে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও
প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।
দিনব্যাপী বৈশাখী অনুষ্ঠানমালা চলতে থাকে সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা গান, কবিতা আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশন করেন। হাজারো বাঙালি জড়ো হয়ে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির উৎসবে মেতে ওঠেন। পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় জানিয়ে আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল পহেলা বৈশাখের আদি ও চিরায়ত রূপ ফিরিয়ে আনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন কারণে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম বদলে যায়। ২০২৫ সালে ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ইসলামিস্টদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে চলে আসা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামটি পরিবর্তিত হয়ে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ হয়। এবার বিএনপি সরকারের অধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা আয়োজিত মঙ্গল শোভাযত্রা পরিণত হয় ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে। সকল বাঁধা ও প্রতিবন্ধকতা
আর মৌলবাদীদের রক্তচৌক্ষু উপেক্ষা করে বর্ষবরণ পরিষদের ব্যানারে দশ-বারোটি সংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ধানমন্ডিতে “মঙ্গল শোভাযাত্রা” নামেই বর্ষবরন পালিত হয়। বৈশাখী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিল্পী ও দর্শকরা বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই দিনে সব ধরনের বিভেদ ভুলে আমরা একসঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করে নিই। গান, কবিতা ও লোকসংগীতের মাধ্যমে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি আরও গভীর হয়।” পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। বর্ণিল সাজে সজ্জিত রাস্তা, ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা পোশাক পরা মানুষ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মিলিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয়েছিল একটি বড় উৎসব প্রাঙ্গণে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও
প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।



