ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রলের তোড়ে শিবিরের ‘বৈশাখ-ই আকবর’ হয়ে গেল ‘নববর্ষ উৎসব’
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ভেনিসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত
নিজেদের “জুলাই প্রোডাক্ট” আখ্যা দিলেন জামায়াতের আমির শফিকুর
শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ
যুবলীগ নেতার সাজা কমাতে অনুরোধ চিফ প্রসিকিউটরের
‘এখন খুঁজলেও আর ভিক্ষুক পাওয়া যায় না’, জানালেন বিএনপির এমপি বাবুল
ঠাকুরগাঁও বার নির্বাচনে আ’লীগ পন্থী প্রার্থীদের বড় চমক
এমপি পদের দরদাম ১২ কোটি! চট্টগ্রামের বিএনপি নেত্রীর বিস্ফোরক দাবি
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে উত্তপ্ত হাওয়া। সংসদ সদস্য পদের জন্য কোটি কোটি টাকার লেনদেনের প্রস্তাব নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা।
তার দাবি, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে একটি চক্র তার কাছে ১২ কোটি টাকা দাবি করেছে।
চট্টগ্রামের প্রবীণ এই নেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, ঢাকা থেকে একটি বিশেষ দল মাইক্রোবাসে করে চট্টগ্রামে গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে তাকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। যার মধ্যে ছিল, সরাসরি ১২ কোটি টাকা দিয়ে সংসদ সদস্য হওয়া; আর নগদ টাকা দিতে না পারলে উন্নয়ন প্রকল্পের নথিতে আগেভাগে স্বাক্ষর করে দেওয়া, যাতে বরাদ্দের টাকা ওই চক্রটি নিয়ন্ত্রণ
করতে পারে। ফাতেমা বাদশা ক্ষোভের সাথে বলেন, “আমি পুতুল হয়ে থাকতে চাইনি। রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্য ব্যক্তিস্বার্থ নয়। তাই দুই প্রস্তাবই আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।” প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে চট্টগ্রাম-৯ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেত্রী অভিযোগ করেন, দলের ভেতর একটি ‘অদৃশ্য শক্তি’ সক্রিয় রয়েছে। তার মতে, যোগ্যতা ও ত্যাগের চেয়ে এখন টাকাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের রাজনীতিতে বহিরাগত নেতাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এই বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে চট্টগ্রাম বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বর্তমানে ওমরাহ পালনে বিদেশে থাকায় এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান অভিযোগের আর্থিক যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন এবং বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলার সাথে সাংঘর্ষিক বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। আগামী ১২ই মে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির সম্ভাব্য ৩৬টি আসনের বিপরীতে চট্টগ্রাম থেকে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীরসহ ডজনখানেক হেভিওয়েট নারী নেত্রী দৌড়ে রয়েছেন। এরই মাঝে ফাতেমা বাদশার এই অভিযোগ পুরো মনোনয়ন প্রক্রিয়াকেই বিতর্কের মুখে ঠেলে দিল। মনোনয়ন বাণিজ্যের এই অভিযোগ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। অভিযোগকারী নেত্রীর কাছে তথ্য-প্রমাণ থাকলেও তা প্রকাশ না করায় ধোঁয়াশা যেমন কাটছে না, তেমনি অস্বস্তি বাড়ছে দলের অন্দরমহলে।
করতে পারে। ফাতেমা বাদশা ক্ষোভের সাথে বলেন, “আমি পুতুল হয়ে থাকতে চাইনি। রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্য ব্যক্তিস্বার্থ নয়। তাই দুই প্রস্তাবই আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।” প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে চট্টগ্রাম-৯ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেত্রী অভিযোগ করেন, দলের ভেতর একটি ‘অদৃশ্য শক্তি’ সক্রিয় রয়েছে। তার মতে, যোগ্যতা ও ত্যাগের চেয়ে এখন টাকাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের রাজনীতিতে বহিরাগত নেতাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এই বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে চট্টগ্রাম বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বর্তমানে ওমরাহ পালনে বিদেশে থাকায় এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান অভিযোগের আর্থিক যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন এবং বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলার সাথে সাংঘর্ষিক বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। আগামী ১২ই মে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির সম্ভাব্য ৩৬টি আসনের বিপরীতে চট্টগ্রাম থেকে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীরসহ ডজনখানেক হেভিওয়েট নারী নেত্রী দৌড়ে রয়েছেন। এরই মাঝে ফাতেমা বাদশার এই অভিযোগ পুরো মনোনয়ন প্রক্রিয়াকেই বিতর্কের মুখে ঠেলে দিল। মনোনয়ন বাণিজ্যের এই অভিযোগ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। অভিযোগকারী নেত্রীর কাছে তথ্য-প্রমাণ থাকলেও তা প্রকাশ না করায় ধোঁয়াশা যেমন কাটছে না, তেমনি অস্বস্তি বাড়ছে দলের অন্দরমহলে।



