ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) ক্রুড অয়েলের তীব্র সংকটের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে শেষবারের মতো পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংকট মোকাবিলায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সব ধরনের বিকল্প উৎস ব্যবহার করা হয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন অপরিশোধিত তেল এবং চারটি সংরক্ষণ ট্যাংকের ডেড স্টক (তলানিতে জমে থাকা তেল) উত্তোলন করেও পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রুডের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
জ্বালানি বিভাগ অবশ্য আশ্বস্ত করে বলেছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি
তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এই ঘটনা বিএনপি সরকারের জ্বালানি নিরাপত্তায় চরম ব্যর্থতার প্রমাণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের জ্বালানি খাতে স্টোরেজ সুবিধা, সরবরাহ পাইপলাইন এবং অন্যান্য অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নয়ন করা হয়েছিল। মহেশখালীর এসপিএম পাইপলাইনসহ বিভিন্ন ট্যাংক ও লজিস্টিক্স সুবিধা সেই সময়ের অবদান। কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রুড অয়েল আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে না পারায় দেশের একমাত্র শোধনাগারটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যাহত হলেও, পূর্ব প্রস্তুতি ও বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যর্থতাই এই সংকটকে তীব্র করেছে
বলে অভিযোগ উঠেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র বিদ্যমান মজুত ও ডেড স্টকের উপর নির্ভর করে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে। আওয়ামী লীগ সরকার যে শক্তিশালী অবকাঠামো রেখে গিয়েছিল, তার সঠিক ব্যবহার ও সময়মতো আমদানি নিশ্চিত করতে না পারায় এখন কারখানা বন্ধের মিছিলে নতুন করে যোগ হয়েছে ইআরএল। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এই ঘটনা বিএনপি সরকারের জ্বালানি নিরাপত্তায় চরম ব্যর্থতার প্রমাণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের জ্বালানি খাতে স্টোরেজ সুবিধা, সরবরাহ পাইপলাইন এবং অন্যান্য অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নয়ন করা হয়েছিল। মহেশখালীর এসপিএম পাইপলাইনসহ বিভিন্ন ট্যাংক ও লজিস্টিক্স সুবিধা সেই সময়ের অবদান। কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রুড অয়েল আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে না পারায় দেশের একমাত্র শোধনাগারটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যাহত হলেও, পূর্ব প্রস্তুতি ও বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যর্থতাই এই সংকটকে তীব্র করেছে
বলে অভিযোগ উঠেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র বিদ্যমান মজুত ও ডেড স্টকের উপর নির্ভর করে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে। আওয়ামী লীগ সরকার যে শক্তিশালী অবকাঠামো রেখে গিয়েছিল, তার সঠিক ব্যবহার ও সময়মতো আমদানি নিশ্চিত করতে না পারায় এখন কারখানা বন্ধের মিছিলে নতুন করে যোগ হয়েছে ইআরএল। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে।



