ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
বাংলাদেশে আবার ফিরে আসছে সাম্প্রদায়িক হামলার – টার্গেট আবার পুরোহিত ও হিন্দুদের পূজা আর্চনা
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
একটি হাসপাতাল, যেখানে মানুষ আসে চোখের আলো ফিরে পেতে, জীবন বাঁচাতে—সেখানেও আজ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষবাষ্প! ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগের ভাই, স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. মহসিন বেগের 'আনোয়ারা হামিদা চক্ষু হাসপাতালে' যেভাবে বিএনপি'র ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিত হানা দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিল, তা কেবল কাপুরুষতা নয়, বরং পুরো সভ্য সমাজের গালে একটি চপেটাঘাত।
দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ডা. মহসিন বেগ সারা দেশে মানুষের চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। অথচ আজ তার অপরাধ—তার ভাই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন? একজন মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতে কি এখন হাসপাতাল আর রোগীদের জিম্মি করতে হবে? ৩০-৩৫ জন সরকারি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী মিলে এসে হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীদের ভয়
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!



