ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
দেশের রাজস্ব আদায় বাড়াতে বিদ্যমান কৌশল ব্যবহারের পরামর্শ আইএমএফের
বাংলাদেশের রাজস্ব আদায় উদ্বেগজনক বলে মনে করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সংস্থাটি পরামর্শ দিয়েছে, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায় বাড়াতে বিদ্যমান সব অর্থনৈতিক কৌশল কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
এদিকে, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির দিকে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন শুরু করেছে সরকার। এতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্ভাব্য ৫ শতাংশ থেকে বেশি।
সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত কাঠামোয় পরবর্তী বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৭.১ শতাংশ, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৭.৫ শতাংশ এবং ২০২৯-৩০
অর্থবছরে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিনিয়োগ জিডিপির ৩৬.৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং একই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থবছরে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিনিয়োগ জিডিপির ৩৬.৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং একই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।



