ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফের ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল!
চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও ইরানে হামলা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে স্পষ্ট বার্তা যুক্তরাজ্যের
ইরানকে সাহায্যকারী জাহাজেও হামলা করার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
‘যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা নিয়ে’ ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ: সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চাইছে
হরমুজে পা রাখলেই সব যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো ইতোমধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খবর প্রেস টিভির।
রেজায়ি বলেন, শত্রুদের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের লঞ্চারগুলো এখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে স্থাপন করা হয়েছে এবং যদি হরমুজ প্রণালিতে পার রাখে তাহলে প্রয়োজনে আমরা সেগুলো ডুবিয়ে দেব।
যুক্তরাষ্ট্র-এর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে। তার ভাষায়, অতীতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ‘ঐতিহাসিক পরাজয়ের’ মুখে পড়েছিল, এবারও একই পরিণতি হবে।
তিনি আরও
বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কখনোই এই অবরোধ কার্যকর হতে দেবে না এবং এর বিরুদ্ধে তাদের কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ অপ্রয়োগকৃত সক্ষমতা রয়েছে। রেজায়ি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল-এর সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে এবং তা শেষ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তিনি দাবি করেন, ইসফাহানে প্যারাট্রুপার নামিয়ে ইউরেনিয়াম দখলের একটি পরিকল্পনাও যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছিল, তবে তা ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ইরানের স্বার্থে নয়। কেবল তখনই তা অর্থবহ হবে, যখন সব চুক্তি বাস্তবায়িত হবে এবং ইরানের অধিকার নিশ্চিত করে একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এ উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরও জানান, মানবিক ও নৈতিক বিবেচনায় ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ভবিষ্যতে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও সে ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেজায়ির মতে, এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামনে দুটি পথ—ইরানের শর্ত মেনে নেওয়া অথবা যুদ্ধে জয়ের চেষ্টা অব্যাহত রাখা। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা হলেও কোনো চুক্তি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির কারণেই আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। আলোচনায় বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করলেও মার্কিন পক্ষ অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করেছে বলে অভিযোগ করে তারা। সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কখনোই এই অবরোধ কার্যকর হতে দেবে না এবং এর বিরুদ্ধে তাদের কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ অপ্রয়োগকৃত সক্ষমতা রয়েছে। রেজায়ি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল-এর সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে এবং তা শেষ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তিনি দাবি করেন, ইসফাহানে প্যারাট্রুপার নামিয়ে ইউরেনিয়াম দখলের একটি পরিকল্পনাও যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছিল, তবে তা ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ইরানের স্বার্থে নয়। কেবল তখনই তা অর্থবহ হবে, যখন সব চুক্তি বাস্তবায়িত হবে এবং ইরানের অধিকার নিশ্চিত করে একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এ উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরও জানান, মানবিক ও নৈতিক বিবেচনায় ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ভবিষ্যতে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও সে ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেজায়ির মতে, এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামনে দুটি পথ—ইরানের শর্ত মেনে নেওয়া অথবা যুদ্ধে জয়ের চেষ্টা অব্যাহত রাখা। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা হলেও কোনো চুক্তি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির কারণেই আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। আলোচনায় বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করলেও মার্কিন পক্ষ অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করেছে বলে অভিযোগ করে তারা। সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস



