ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঘড়ি কিনতে গিয়ে পরিচয়, অতঃপর প্রতারণা ও ধর্ষণ: এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
মানবাধিকার সংগঠন জেএমবিএফ-এর তীব্র নিন্দা: বিচারিক মানদণ্ড অনুসরণ না করেই আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায় ঘোষণা
৭ মাসে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ || নিখোঁজ শিশুর অঙ্গ পাচার, ৭ মাস পর মাহফিলে ভিক্ষা করতে এসে বাবার সঙ্গে দেখা
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল
‘মা মাটি মোহনা বিদেশিদের দেব না’ স্লোগানে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ
রায় বহাল, ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে
আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য রমরমা!
ছাত্রলীগের সাবেক ১৬ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের যৌথ বিবৃতি: অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান
আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।
এক যৌথ বিবৃতিতে ১৬ জন সাবেক শীর্ষ নেতা এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিবৃতিতে যাদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ
ইনান। বিবৃতিতে সংগঠনের ঐতিহ্য তুলে ধরে বলা হয়, ছাত্রলীগ কেবল একটি ছাত্রসংগঠন নয়; এটি বাঙালির অধিকার, গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে বলে উল্লেখ করেন নেতারা। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠনের ১৭ হাজার নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের আত্মত্যাগ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সাবেক নেতারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অবৈধ, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা দেশের ছাত্রসমাজ ও জনগণ মেনে নেবে না। তাদের ভাষ্য, ইতিহাসের সত্যকে কোনো প্রহসনের রায় দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। বিবৃতিতে রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, সত্য কখনো পরাজিত হয় না এবং ইতিহাস কখনো মিথ্যার কাছে মাথা নত করে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস কোনো ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচারে মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তারা। অন্যায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিদাতারা হলেন সাবেক সভাপতি মাঈনউদ্দিন হাসান চৌধুরী, একে এম এনামুল হক শামীম, লিয়াকত সিকদার, মাহমুদ হাসান
রিপন, বদিউজ্জামান সোহাগ, সাইফুর রহমান সোহাগ, রেজওয়ানুল হক শোভন ও আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, ইকবালুর রহিম, নজরুল ইসলাম বাবু, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, সিদ্দিকী নাজমুল আলম, এস এম জাকির হোসাইন, গোলাম রব্বানী ও লেখক ভট্টাচার্য।
ইনান। বিবৃতিতে সংগঠনের ঐতিহ্য তুলে ধরে বলা হয়, ছাত্রলীগ কেবল একটি ছাত্রসংগঠন নয়; এটি বাঙালির অধিকার, গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে বলে উল্লেখ করেন নেতারা। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠনের ১৭ হাজার নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের আত্মত্যাগ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সাবেক নেতারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অবৈধ, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা দেশের ছাত্রসমাজ ও জনগণ মেনে নেবে না। তাদের ভাষ্য, ইতিহাসের সত্যকে কোনো প্রহসনের রায় দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। বিবৃতিতে রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, সত্য কখনো পরাজিত হয় না এবং ইতিহাস কখনো মিথ্যার কাছে মাথা নত করে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস কোনো ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচারে মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তারা। অন্যায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিদাতারা হলেন সাবেক সভাপতি মাঈনউদ্দিন হাসান চৌধুরী, একে এম এনামুল হক শামীম, লিয়াকত সিকদার, মাহমুদ হাসান
রিপন, বদিউজ্জামান সোহাগ, সাইফুর রহমান সোহাগ, রেজওয়ানুল হক শোভন ও আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, ইকবালুর রহিম, নজরুল ইসলাম বাবু, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, সিদ্দিকী নাজমুল আলম, এস এম জাকির হোসাইন, গোলাম রব্বানী ও লেখক ভট্টাচার্য।



