ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩
ভূমি অফিসে ঘুস ছাড়া ফাইল নড়ে না, সংসদে এমপির দাবি
একটির খরচে ৫টি মেট্রোরেল- স্বপ্নই রয়ে গেল: দুই রুটের ব্যয় আওয়ামী আমলের দ্বিগুণেরও বেশি
উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অযুহাতে ইউনূসের বন্ধ রাখা তেল বিদ্যুতকেন্দ্র গুলোতেই লোডশেডিং এর সমাধান খুঁজছে সরকার
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার: জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত
কিশোরগঞ্জে পুলিশের ‘ভুল’ অভিযানে ভাইসহ আওয়ামী লীগ নেতা আটক, জনতার তোপের মুখে মুক্তি
কৃষি খাতেও মার্কিন আগ্রাসন: চাপের মুখে দেশজ উৎপাদন
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি: বাংলাদেশ বাড়াচ্ছে বোয়িং উড়োজাহাজের অর্ডার, নতুন চুক্তির ঘোষণা ভারতে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
যুক্তরাষ্ট্রের ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে সম্প্রতি নতুন একটি চুক্তি হয়েছে, যার আওতায় বাংলাদেশ আরও বেশি সংখ্যক বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে—যা তাদের পূর্বের অর্ডারকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে গোর লেখেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় “জবস প্রেসিডেন্ট”, যিনি বিনিয়োগ ও চাকরি সৃষ্টিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রসঙ্গেই তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন এই চুক্তির কথা উল্লেখ করেন।
পূর্বেও চুক্তি করা হয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের বোয়িং ক্রয়ের
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার
বিষয়টি মূলত শুরু হয় শুল্ক আলোচনার অংশ হিসেবে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিলে, তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, তুলা, তেল আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দেয়। প্রথমে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার কথা থাকলেও ২০২৫ সালের জুলাইয়ে চূড়ান্ত শুল্ক আলোচনার আগমুহূর্তে তা বাড়িয়ে ২৫টি ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজে উন্নীত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যাতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯-২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। তবে ২৫টি উড়োজাহাজের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি শেষ পর্যন্ত কমিয়ে ১৪টিতে নামিয়ে আনা হয়,
এবং সেই অনুযায়ী গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বোয়িংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা (৩.৭ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের এই চুক্তির আওতায় বিমান পাবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট। এটি ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক ক্রয়াদেশ। এর আগের মাসগুলোতে বেসরকারি খাতের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সও পৃথকভাবে লিজের মাধ্যমে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ যুক্ত করার জন্য প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে। এবার নতুন করে অর্ডার বাড়ানোর দাবি সার্জিও গোরের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, এই ১৪টি উড়োজাহাজের চুক্তিকেই আরও সম্প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে
নতুন এই ঘোষণায় ঠিক কতটি অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনা হবে বা এর সুনির্দিষ্ট আর্থিক পরিমাণ কত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বাংলাদেশের সরকার বা বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, বারবার বোয়িং অর্ডার বাড়ানোর এই প্রবণতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে শুল্ক সুবিধা ধরে রাখার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে, যা মূলত বিমান পরিবহন খাতের প্রকৃত চাহিদার চেয়ে ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থেকেই বেশি চালিত হচ্ছে বলে আগেও মন্তব্য করেছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
বিষয়টি মূলত শুরু হয় শুল্ক আলোচনার অংশ হিসেবে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিলে, তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, তুলা, তেল আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দেয়। প্রথমে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার কথা থাকলেও ২০২৫ সালের জুলাইয়ে চূড়ান্ত শুল্ক আলোচনার আগমুহূর্তে তা বাড়িয়ে ২৫টি ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজে উন্নীত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যাতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯-২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। তবে ২৫টি উড়োজাহাজের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি শেষ পর্যন্ত কমিয়ে ১৪টিতে নামিয়ে আনা হয়,
এবং সেই অনুযায়ী গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বোয়িংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা (৩.৭ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের এই চুক্তির আওতায় বিমান পাবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট। এটি ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক ক্রয়াদেশ। এর আগের মাসগুলোতে বেসরকারি খাতের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সও পৃথকভাবে লিজের মাধ্যমে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ যুক্ত করার জন্য প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে। এবার নতুন করে অর্ডার বাড়ানোর দাবি সার্জিও গোরের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, এই ১৪টি উড়োজাহাজের চুক্তিকেই আরও সম্প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে
নতুন এই ঘোষণায় ঠিক কতটি অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনা হবে বা এর সুনির্দিষ্ট আর্থিক পরিমাণ কত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বাংলাদেশের সরকার বা বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, বারবার বোয়িং অর্ডার বাড়ানোর এই প্রবণতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে শুল্ক সুবিধা ধরে রাখার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে, যা মূলত বিমান পরিবহন খাতের প্রকৃত চাহিদার চেয়ে ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থেকেই বেশি চালিত হচ্ছে বলে আগেও মন্তব্য করেছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।



