মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার: জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার: জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬ |
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের প্যারাগন ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন এবং তা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে দেওয়া প্রচারণামূলক পোস্ট নতুন করে আলোচনায় এনেছে একটি পুরনো প্রশ্ন — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা ও সয়াবিনের বাজার সম্প্রসারণের এই কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের নিজস্ব পশুখাদ্য শিল্পের জন্য কী অর্থ বহন করে। ইতিমধ্যেই আমদানি-নির্ভর একটি শিল্প বাংলাদেশ ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (এফআইএবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ লাখ টন পশু ও পোল্ট্রি খাদ্যের চাহিদা মেটানো হয়, যার প্রধান উপকরণ ভুট্টা, সয়াবিন মিল ও ধানের কুঁড়া। শিল্প-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, এই কাঁচামালের প্রায় ৭০ শতাংশই আমদানি করতে হয় — অর্থাৎ দেশীয় ফিড শিল্প ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার সঙ্গে

ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। পোল্ট্রি ফিডে একাই ভুট্টার হিস্যা প্রায় ৫৫ শতাংশ, ফলে বৈশ্বিক ভুট্টা ও সয়াবিনের দামে সামান্য পরিবর্তনেও স্থানীয় ডিম, মুরগি ও দুধের দামে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি খাতের রপ্তানি সংস্থাগুলো — যেমন ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল — এর আগেও ঢাকার পোল্ট্রি ও সয় ক্রাশিং শিল্পের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছে বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে। ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক পরিদর্শন ও প্রচারণাকে সেই ধারাবাহিকতারই সম্প্রসারিত রূপ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। বাণিজ্য চুক্তির পটভূমি এই পশুখাদ্য প্রচারণাকে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা হিসেবে না দেখে সাম্প্রতিক একটি বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন বিশ্লেষকরা। গত ৯ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে, তৎকালীন প্রধান

উপদেষ্টা ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ (এআরটি) নামে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মার্কিন প্রতিশোধমূলক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশ হয়েছে এবং ১,৬৩৮টি বাংলাদেশি পণ্য শুল্ক ছাড় পাচ্ছে। তবে সমালোচকদের দৃষ্টি মূলত চুক্তির কৃষি-সংক্রান্ত শর্তগুলোর দিকে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বিনিময়ে প্রায় ৬,৭১০টি মার্কিন পণ্যে শুল্কমুক্ত বা হ্রাসকৃত সুবিধা দিতে হচ্ছে, এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরও প্রায় ২,২১০ ধরনের পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) হিসাব অনুযায়ী, শুধু চলতি অর্থবছরেই এই চুক্তির কারণে সরকার প্রায় ১,৩২৭ কোটি টাকার শুল্ক রাজস্ব হারাতে পারে। চুক্তির নির্দিষ্ট কিছু

অনুচ্ছেদ সরাসরি পশুখাদ্য ও পশুসম্পদ খাতকে স্পর্শ করে। চুক্তির ১.৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশকে মার্কিন মাংস ও পোলট্রি (অভ্যন্তরীণ অঙ্গসহ), প্রক্রিয়াজাত মাংস-পোলট্রি ও ডিমজাত পণ্যের ক্ষেত্রে মার্কিন খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিদর্শন পরিষেবার (এফএসআইএস) সনদকেই যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে মেনে নিতে হবে। গরু, ভেড়া ও ছাগলের দুগ্ধজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও শুধু মার্কিন কৃষি দপ্তরের সনদ থাকলেই আমদানি অনুমোদন দিতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ, এবং এ জন্য আলাদা স্থাপনা-নিবন্ধনের শর্তও রাখা যাবে না। সমালোচকদের মতে, বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে মার্কিন কৃষিপণ্যের স্যানিটারি পরিদর্শনেও বাধা দিতে পারবে না — এমনকি দেশে যথেষ্ট উৎপাদিত হয় এমন পণ্যও আমদানির অনুমতি দিতে হতে পারে। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে এমন প্রশ্নও উঠেছে যে

দেশে নিষিদ্ধ শূকরজাত পণ্য আমদানির পথও এই চুক্তির শর্তে খোলা রাখা হয়েছে কি না। অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমানের মতো শীর্ষ বিশ্লেষকরা বলছেন, সামান্য শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে বাংলাদেশের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেশি শর্ত চাপানো হয়েছে এই চুক্তিতে, এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এত সুদূরপ্রসারী একটি চুক্তিতে সই করাটাও প্রশ্নবিদ্ধ। রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনের সাম্প্রতিক প্যারাগন ডেইরি সফর ও তা নিয়ে দূতাবাসের প্রচারণাকে তাই অনেকে এই চুক্তির বাস্তবায়নেরই একটি দৃশ্যমান ধাপ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন — যেখানে কূটনৈতিক প্রচারণার মাধ্যমে বাজার তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে এমন এক চুক্তির পণ্যের জন্য, যা নিয়ে দেশের ভেতরেই বিতর্ক এখনো অমীমাংসিত। চুক্তির ফাঁদে দেশের অর্থনীতি এর আগে ঢাকায় দায়িত্বরত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস

তার দায়িত্বকালের পুরোটা সময় দেশের রাজনীতিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে গেছেন। রাষ্ট্রক্ষমতার পট-পরিবর্তন ঘটার পরেও তিনি বাংলাদেশের রয়ে গেছেন এবং একটি জ্বালানি বিষয়ক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বড় অংশ নিজের দখলে নিয়েছেন। বর্তমান রাষ্ট্রদূতও একই প্রক্রিয়ায় দেশের কৃষি ও খামার ব্যবস্থাপনায় মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন- এমন অভিমত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো বিদেশি রাষ্ট্রদূত এভাবে ‘হোস্ট’ রাষ্ট্রের ওপর এমন সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন না- কূটনীতিবিদরা বারংবার সে কথা মনে করিয়ে দিলেও ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের এ নিয়ে ভ্রূক্ষেপ দেখা যায়নি। স্থানীয় শিল্পের সম্ভাব্য উদ্বেগ বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের প্রচারণা কয়েকটি স্তরে দেশীয় শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। প্রথমত, দেশে ভুট্টা চাষে

দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা চললেও, সস্তা ও ভর্তুকিপ্রাপ্ত মার্কিন ভুট্টা-সয়াবিনের সহজলভ্যতা বাড়লে স্থানীয় ভুট্টা চাষিদের বাজার সংকুচিত হতে পারে বলে কৃষি খাত সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা দীর্ঘদিনের। দ্বিতীয়ত, মার্কিন কৃষিপণ্যের একটি বড় অংশ জিনগতভাবে পরিবর্তিত (জিএমও) ভুট্টা ও সয়াবিন থেকে আসে। বাংলাদেশে জিএমও পশুখাদ্যের ব্যবহার, লেবেলিং ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে সুসংহত নয়, ফলে বৃহৎ পরিসরে আমদানি বাড়লে খাদ্যনিরাপত্তা তদারকির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তৃতীয়ত, দেশীয় ফিড মিল মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, আমদানি করা কাঁচামালের ওপর নির্ভরতা যত বাড়ে, টাকার বিনিময় হার ও আন্তর্জাতিক জাহাজীকরণ খরচের ধাক্কা তত বেশি এসে পড়ে স্থানীয় উৎপাদন খরচের ওপর — যা শেষ পর্যন্ত ছোট ও মাঝারি খামারিদের ওপর চাপ তৈরি করে, বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায়। চতুর্থত, “আমেরিকান জেনেটিক্স” ও উন্নত জাতের গবাদি পশুর প্রচারণা একদিকে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় দুগ্ধজাত গরুর জাত সংরক্ষণ ও স্থানীয় প্রজনন কর্মসূচির ওপর তার প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে স্পষ্ট গবেষণা এখনো সীমিত। স্থানীয় উৎপাদন ধ্বংস করে আমদানিমুখী অর্থনীতি: ঝুঁকিটা কোথায় যে চুক্তির শর্তে স্যানিটারি পরিদর্শনে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হয়ে যায় এবং যেখানে দেশে যথেষ্ট উৎপাদিত হয় এমন পণ্যও আমদানি করতে বাধ্য থাকতে হতে পারে, সেখানে দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় উৎপাদনভিত্তিক শিল্পগুলোর সংকুচিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের অনেকেই তুলে ধরছেন। এর কয়েকটি সম্ভাব্য প্রভাব নিম্নরূপ: কর্মসংস্থান হ্রাস: দুগ্ধ, পোলট্রি ও ফিড মিল শিল্প বাংলাদেশে লাখো মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের উৎস। ভর্তুকিপ্রাপ্ত ও সস্তা আমদানি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় স্থানীয় ছোট ও মাঝারি খামার এবং মিল ব্যবসা টিকতে না পারলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে তার প্রভাব সরাসরি পড়বে। বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ: এমনিতেই ফিডের কাঁচামালের ৭০ শতাংশ আমদানিনির্ভর একটি খাতে বাধ্যতামূলক আমদানি আরও বাড়লে ডলারের চাহিদা বাড়বে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও টাকার বিনিময় হারের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। রাজস্ব আহরনে ক্ষতি: সিপিডির হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছরেই আনুমানিক ১,৩২৭ কোটি টাকার শুল্ক রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি, ডব্লিউটিওর সর্বাধিক অনুকূল দেশ (এমএফএন) নীতির কারণে অন্য সদস্য দেশগুলোকেও একই সুবিধা দিতে বাধ্য হলে রাজস্ব ক্ষতি আরও বিস্তৃত হতে পারে। কৃষি বহুমুখীকরণে বাধা: দেশে ভুট্টা চাষ সম্প্রসারণ ও দুগ্ধজাত গরুর স্থানীয় জাত উন্নয়নে যেসব দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ চলছিল, সস্তা আমদানির প্রতিযোগিতায় সেসবের অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগ-প্রণোদনা কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নীতিগত সার্বভৌমত্বের সংকোচন: চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদের মতো শর্ত — যেখানে বাংলাদেশ চীন বা রাশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি করলে যুক্তরাষ্ট্র শাস্তিমূলক শুল্ক পুনরায় আরোপের অধিকার রাখে — ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্পনীতি প্রণয়নের স্বাধীনতাকেও সংকুচিত করতে পারে বলে সমালোচকরা মনে করছেন। অর্থনীতিবিদদের একাংশের আশঙ্কা, স্বল্পমেয়াদে কিছু রপ্তানি পণ্যে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পেলেও, দেশীয় উৎপাদন ভিত্তি দুর্বল হয়ে দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা বাড়লে তা সামগ্রিক অর্থনীতির কাঠামোগত ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে — বিশেষত যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস সীমিত এবং রেমিট্যান্স ও পোশাক রপ্তানির ওপর ইতিমধ্যেই অর্থনীতি বহুলাংশে নির্ভরশীল। অন্য পক্ষের যুক্তি যদিও এসব উদ্বেগের বিপরীতে সরকার পক্ষ কিছু যুক্তিও দাঁড় করাচ্ছে। তাদের মতে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ১,৬৩৮টি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক ছাড় পাচ্ছে এবং সার্বিক প্রতিশোধমূলক শুল্ক ২০ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে, যা মূলত ৬১০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যেই করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ও বরাবর মার্কিন কৃষি প্রযুক্তি ও সহযোগিতাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এতে দেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ত্বরান্বিত হতে পারে। উন্নত জাত ও পুষ্টিমান সমৃদ্ধ খাদ্য গাভীর দুধ উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে পারে, যা স্বল্পমেয়াদে খামারিদের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক বাজারে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম মাঝেমধ্যে কমে আসায় সুলভ আমদানি স্থানীয় ফিডের দাম নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হতে পারে বলে কিছু ব্যবসায়ী মনে করেন। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি দাঁড়ায় নীতিনির্ধারণী ভারসাম্যের ওপর — মার্কিন কৃষিপণ্যের বাজার সহজলভ্য করার পাশাপাশি দেশীয় ফিড শিল্প, স্থানীয় ভুট্টা চাষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের স্বার্থ কীভাবে সুরক্ষিত রাখা হবে, তার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও তদারকি কাঠামো বাংলাদেশের কতটা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলে দিলেন মেসি সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার, সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা পে-স্কেল: পেনশনভোগীদের জন্যও রয়েছে বড় সুখবর রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল, ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস রাশেদ খাঁন নবম পে-স্কেল অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন উজবেকিস্তানের কাছে হেরে এএফসি বাছাই শুরু বাংলাদেশের নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে বেতন কত বাড়ল অ্যান্ড্রয়েড ১৭ যেভাবে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বাড়াবে যে কারণে এসএসসি পরীক্ষা পেছানো হলো সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অজুহাতে ইউনূসের বন্ধ করা তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতেই লোডশেডিংয়ের সমাধান খুঁজছে সরকার ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়ে অঘটনের শিকার জোকোভিচ ‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস দিল্লিতে এফসিসি সেমিনার বাতিল নিয়ে দেশের গণমাধ্যমে অপপ্রচার: আওয়ামী লীগের তীব্র প্রতিবাদ লোডশেডিংয়ের সুযোগে গায়েব হচ্ছে ট্রান্সফর্মার, উল্টো জরিমানা গুণতে হয় গ্রাহকদের! ২৪ ঘন্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু: হাম কেড়ে নিচ্ছে গরিবের সন্তান, সবার অলক্ষ্যে আর নীরবে দীর্ঘ হচ্ছে ছোট্ট কবরের সারি স্কুল প্রাঙ্গণে ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, শিক্ষিকার ৭ বছরের জেল অবৈধ বাস টার্মিনাল ঘিরে কোটি টাকার বাণিজ্য