ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পে-স্কেল: পেনশনভোগীদের জন্যও রয়েছে বড় সুখবর
নবম পে-স্কেল অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন
নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে বেতন কত বাড়ল
উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অজুহাতে ইউনূসের বন্ধ করা তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতেই লোডশেডিংয়ের সমাধান খুঁজছে সরকার
রাজধানীতে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩
ভূমি অফিসে ঘুস ছাড়া ফাইল নড়ে না, সংসদে এমপির দাবি
একটির খরচে ৫টি মেট্রোরেল- স্বপ্নই রয়ে গেল: দুই রুটের ব্যয় আওয়ামী আমলের দ্বিগুণেরও বেশি
রোহিঙ্গাদের দেওয়া জাতিসংঘের ত্রাণে নয়ছয়: ক্যাম্পের চাল মিলে বিক্রি, জড়িত ডব্লিউএফপির কর্মীরাও
কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাল, ডালসহ খাদ্যপণ্য বিতরণ করে জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা- ডব্লিউএফপি। তবে সেই চাল বিতরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।
সদর, উখিয়া ও চকরিয়ার অবৈধ মিলে ডব্লিউএফপির চাল পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ক্যাম্প থেকে কীভাবে চাল বাইরে যায় ও কারা তা কেনে।
ক্যাম্পের চাল মিলে মজুদের ঘটনা ধরা পড়ায় প্রতিবেদককে ম্যানেজের চেষ্টা করেন মিলমালিক ফজল করিম। ডব্লিউএফপির কেন্দ্রে গেলে, সেখানকার কর্মীরাও বাধা দেন।
একজন আউটলেট কর্মী বলেন, ‘আমি তো একটা অর্গানাইজেশনে কাজ করছি। আমার কথা বলতে অনুমতি লাগবে।’
চকরিয়ার সোনালী অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফজল করিম বলেন, ‘বন্যার সময় টুকিটাকি কিছু কাজ করছিলাম। ব্যবসার জন্য চুরি না করে সাইনবোর্ডটা রেখে কাজ করছি।’
রোহিঙ্গারা বলছেন, বিতরণ করা
চাল পছন্দ না হওয়ায় বিক্রি করে দেন অনেকে। একজন রোহিঙ্গা বলেন, ‘আমাদের মাসে ১৩ কেজি চাল দেওয়া হয়। কিন্তু এই চালগুলো আমাদের বিক্রি করে দিতে হয়। এই চাল আমরা খেতে পারি না।’ আরেকজন বলেন, ‘আমরা শুধু চাল পাই, কিন্তু তেলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাই না। তাই এক বস্তা চাল আবার ডব্লিউএফপির অফিসে দিয়ে দেই। এসব চাল অফিসেই আবার কিনে নেয়।’ লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েও অভিযোগের বিষয়ে ডব্লিউএফপির বক্তব্য জানা যায়নি। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে খাদ্য বিভাগেরও কোনো নজরদারি নেই। মিজানুর রহমান বলেন, ‘ডব্লিউএফপির ডোনার কমিটমেন্টও রয়েছে। ডোনাররা তো তাদের দেশের ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা দিচ্ছে, এটা মিসইউজ
করার জন্য নয়। আমাদের কাছে এরকম কোনো তথ্য নেই। থাকলে অবশ্যই আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি।’ কক্সবাজারের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু কাউছার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যে কর্মসূচিটা, এতে আমাদের টোটালি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তারা তাদের মতো করে টেন্ডার করে, মিলের সঙ্গে চুক্তি করে এবং সেখান থেকেই সাপ্লাই নেয়।’ কক্সবাজার ও ভাসানচরের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা দেয় ডব্লিউএফপি। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন
চাল পছন্দ না হওয়ায় বিক্রি করে দেন অনেকে। একজন রোহিঙ্গা বলেন, ‘আমাদের মাসে ১৩ কেজি চাল দেওয়া হয়। কিন্তু এই চালগুলো আমাদের বিক্রি করে দিতে হয়। এই চাল আমরা খেতে পারি না।’ আরেকজন বলেন, ‘আমরা শুধু চাল পাই, কিন্তু তেলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাই না। তাই এক বস্তা চাল আবার ডব্লিউএফপির অফিসে দিয়ে দেই। এসব চাল অফিসেই আবার কিনে নেয়।’ লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েও অভিযোগের বিষয়ে ডব্লিউএফপির বক্তব্য জানা যায়নি। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে খাদ্য বিভাগেরও কোনো নজরদারি নেই। মিজানুর রহমান বলেন, ‘ডব্লিউএফপির ডোনার কমিটমেন্টও রয়েছে। ডোনাররা তো তাদের দেশের ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা দিচ্ছে, এটা মিসইউজ
করার জন্য নয়। আমাদের কাছে এরকম কোনো তথ্য নেই। থাকলে অবশ্যই আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি।’ কক্সবাজারের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু কাউছার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যে কর্মসূচিটা, এতে আমাদের টোটালি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তারা তাদের মতো করে টেন্ডার করে, মিলের সঙ্গে চুক্তি করে এবং সেখান থেকেই সাপ্লাই নেয়।’ কক্সবাজার ও ভাসানচরের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা দেয় ডব্লিউএফপি। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন



