ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকার উত্তরায় ১০ মিনিটের ব্যাবধানে দুটি বোমা বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
সড়কে ঝুলছিল নাহিদ-হাসনাতদের কুশপুতুল, স্থানীয়দের ভাষ্য- ‘লীগের ঘাড়ে দোষ চাপাতে নিজেরাই ঝুলিয়েছে’
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার
অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: বিপুল ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ভেঙে পড়ল ৭ দিনেই, দায় চাপল মিস্ত্রিদের ঘাড়ে
বরুড়ায় একের পর এক পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, ছাত্রদল সভাপতিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা
কুমিল্লার বরুড়ায় পল্লী বিদ্যুতের মূল্যবান ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টাকালে চক্রের এক সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরুড়া উত্তর খোশবাস ইউনিয়ন ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতিসহ ৬ জন নামীয় এবং আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বরুড়া জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে প্রকৌশলী মো. বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে বরুড়া থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ (চুরি) ও ৪১১ (চোরাই মালামাল ধারণ) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন (মামলা নম্বর: ১৫)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রের খবর, গত ১৯শে জুলাই রাতে উপজেলার খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের
রহিমপুর এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টা চালায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। চোরচক্রের উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয় সাহসী বাসিন্দারা দ্রুত ধাওয়া দিয়ে সায়মন (২১) নামে এক যুবককে ধরে ফেলে এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে সায়মনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই চুরির সিন্ডিকেটে রাজনৈতিক পদধারী নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় একাধিক যুবকের নাম উঠে আসে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন: ১. সায়মন (২১), পিতা: মোতালেব (রহিমপুর), ২. রোমান হোসেন (২৮), পিতা: তাজুল ইসলাম (ইলাশপুর) — উত্তর খোশবাস ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, ৩. রাতুল (২০), পিতা: কামাল (রহিমপুর), ৪. রাব্বি (২৫), পিতা: ওসমান গনি (খোশবাস), ৫. মাসুদ (২১), পিতা: বাবুল
(খোশবাস), ৬. রাকিব (২৩), পিতা: জামাল (ইলাশপুর)। এছাড়া আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সরজমিনে অনুসন্ধানে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই রহিমপুর, ইলাশপুর ও খোশবাস এলাকায় একের পর এক চুরি, সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। রাজনৈতিক পদের দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে তারা এতদিন পার পেয়ে গেলেও এবার হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মামলা ও অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বরুড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে আটক মূল আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ
করা হয়েছে। থানা কর্তৃপক্ষ আরও নিশ্চিত করেছে যে, ওয়ারেন্টভুক্ত ও পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তদন্ত শেষে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রহিমপুর এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টা চালায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। চোরচক্রের উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয় সাহসী বাসিন্দারা দ্রুত ধাওয়া দিয়ে সায়মন (২১) নামে এক যুবককে ধরে ফেলে এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে সায়মনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই চুরির সিন্ডিকেটে রাজনৈতিক পদধারী নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় একাধিক যুবকের নাম উঠে আসে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন: ১. সায়মন (২১), পিতা: মোতালেব (রহিমপুর), ২. রোমান হোসেন (২৮), পিতা: তাজুল ইসলাম (ইলাশপুর) — উত্তর খোশবাস ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, ৩. রাতুল (২০), পিতা: কামাল (রহিমপুর), ৪. রাব্বি (২৫), পিতা: ওসমান গনি (খোশবাস), ৫. মাসুদ (২১), পিতা: বাবুল
(খোশবাস), ৬. রাকিব (২৩), পিতা: জামাল (ইলাশপুর)। এছাড়া আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সরজমিনে অনুসন্ধানে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই রহিমপুর, ইলাশপুর ও খোশবাস এলাকায় একের পর এক চুরি, সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। রাজনৈতিক পদের দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে তারা এতদিন পার পেয়ে গেলেও এবার হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মামলা ও অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বরুড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে আটক মূল আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ
করা হয়েছে। থানা কর্তৃপক্ষ আরও নিশ্চিত করেছে যে, ওয়ারেন্টভুক্ত ও পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তদন্ত শেষে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



