ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেয়ারবাজারে বড় ধস, এক সপ্তাহে উধাও ৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকার বাজারমূলধন
অধিকাংশ সবজি ১০০ টাকার ওপরে: কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি, বেড়েছে মাছ-ডিম-মুরগির দামও
৩ মাসে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ২০৯ জন
২৫ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন
তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে কমল স্বর্ণের দাম
হঠাৎ এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে দেশ
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে মার খাচ্ছে বাংলাদেশ, বিকল্প খুঁজছেন ক্রেতারা
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে উদ্বেগজনক চিত্র সামনে এসেছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে বাজার হিস্যা হারাচ্ছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের পর সম্ভাব্য বাণিজ্য সুবিধা হারানোর আশঙ্কা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের সংকলিত ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়ে ইইউর মোট পোশাক আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমে ৩৩ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে।
আগের বছর একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ইউরো।
তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পতনের হার আরও
বেশি। আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানি ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৭ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে। এর ফলে ইইউর মোট পোশাক আমদানিতে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে ২১ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগীদের মধ্যে চীন থেকে আমদানি কমেছে ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, ভিয়েতনাম থেকে ১ দশমিক ৫১ শতাংশ, ভারত থেকে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং তুরস্ক থেকে ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বেশি সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং পাকিস্তানের কমেছে ১৭ দশমিক
০১ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিসংখ্যান এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। একদিকে ইউরোপে পোশাকের চাহিদা কমছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ভবিষ্যতের শুল্ক সুবিধা বিবেচনায় বিকল্প উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এলডিসি উত্তরণের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রেতারা তাদের সোর্সিং কৌশলে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। তার ভাষ্য, ভারত ভবিষ্যতেও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পেতে পারে—এমন ধারণা থেকে অনেক ক্রেতা সেখানে উৎপাদনভিত্তি শক্তিশালী করছেন। বিপরীতে এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশ শুল্ক সুবিধা হারাতে পারে—এই আশঙ্কা তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বারের মতে, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের উৎপাদন কাঠামোয়
দ্রুত পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়া এখনও তুলাভিত্তিক পোশাক উৎপাদনের ওপর বেশি নির্ভরশীল হলেও ভিয়েতনাম কৃত্রিম (ম্যান-মেইড) ফাইবারভিত্তিক পণ্যে নিজেদের অবস্থান অনেক আগেই শক্তিশালী করেছে। ফলে বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ার সুফল তারা পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্যের বহুমুখীকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং টেকসই শিল্পব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে কার্বন নিঃসরণ কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং নেট-জিরো লক্ষ্যে অগ্রগতিকে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ক্রমেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ এখনও সুস্পষ্ট দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এম এ জব্বার আরও বলেন,
উৎপাদন সক্ষমতা, দক্ষ জনবল ও নমনীয়তার মতো ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান থাকলেও জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা সেই সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং কার্যকর নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান শুধু বৈশ্বিক চাহিদা কমার ইঙ্গিত দেয় না, বরং স্পষ্টভাবে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা হারানোর চিত্রও তুলে ধরে। তার মতে, ইইউর মোট আমদানি যেখানে প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। এটি এলডিসি উত্তরণের আগে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ঝুঁকি কমানোর কৌশল এবং ইইউর কঠোর ডিউ-ডিলিজেন্স ও ট্রেসেবিলিটি নীতির প্রতিফলন। তিনি
বলেন, এলডিসি-পরবর্তী সময়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে বাংলাদেশকে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ইইউর নতুন ডিউ-ডিলিজেন্স ও ট্রেসেবিলিটি বাধ্যবাধকতা পূরণে শিল্পখাতকে প্রস্তুত করতে হবে। এছাড়া উচ্চ সুদহার, মূলধনের সীমিত প্রাপ্যতা, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস ও ডিজেলের অনিয়মিত সরবরাহ রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য আরও দেখায়, রপ্তানির পরিমাণ কমার পাশাপাশি কমেছে পণ্যের গড় মূল্যও। আলোচ্য সময়ে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে প্রতি কেজিতে ১৩ দশমিক ৯৬ ইউরোতে নেমে এসেছে। একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে ৫২১ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন কেজিতে দাঁড়িয়েছে।
ফলে রপ্তানিকারকরা এখন একদিকে আগের তুলনায় কম পোশাক বিক্রি করছেন, অন্যদিকে প্রতিটি পণ্যের জন্যও কম মূল্য পাচ্ছেন।
বেশি। আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানি ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৭ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে। এর ফলে ইইউর মোট পোশাক আমদানিতে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে ২১ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগীদের মধ্যে চীন থেকে আমদানি কমেছে ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, ভিয়েতনাম থেকে ১ দশমিক ৫১ শতাংশ, ভারত থেকে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং তুরস্ক থেকে ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বেশি সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং পাকিস্তানের কমেছে ১৭ দশমিক
০১ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিসংখ্যান এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। একদিকে ইউরোপে পোশাকের চাহিদা কমছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ভবিষ্যতের শুল্ক সুবিধা বিবেচনায় বিকল্প উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এলডিসি উত্তরণের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রেতারা তাদের সোর্সিং কৌশলে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। তার ভাষ্য, ভারত ভবিষ্যতেও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পেতে পারে—এমন ধারণা থেকে অনেক ক্রেতা সেখানে উৎপাদনভিত্তি শক্তিশালী করছেন। বিপরীতে এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশ শুল্ক সুবিধা হারাতে পারে—এই আশঙ্কা তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বারের মতে, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের উৎপাদন কাঠামোয়
দ্রুত পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়া এখনও তুলাভিত্তিক পোশাক উৎপাদনের ওপর বেশি নির্ভরশীল হলেও ভিয়েতনাম কৃত্রিম (ম্যান-মেইড) ফাইবারভিত্তিক পণ্যে নিজেদের অবস্থান অনেক আগেই শক্তিশালী করেছে। ফলে বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ার সুফল তারা পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্যের বহুমুখীকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং টেকসই শিল্পব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে কার্বন নিঃসরণ কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং নেট-জিরো লক্ষ্যে অগ্রগতিকে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ক্রমেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ এখনও সুস্পষ্ট দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এম এ জব্বার আরও বলেন,
উৎপাদন সক্ষমতা, দক্ষ জনবল ও নমনীয়তার মতো ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান থাকলেও জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা সেই সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং কার্যকর নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান শুধু বৈশ্বিক চাহিদা কমার ইঙ্গিত দেয় না, বরং স্পষ্টভাবে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা হারানোর চিত্রও তুলে ধরে। তার মতে, ইইউর মোট আমদানি যেখানে প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। এটি এলডিসি উত্তরণের আগে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ঝুঁকি কমানোর কৌশল এবং ইইউর কঠোর ডিউ-ডিলিজেন্স ও ট্রেসেবিলিটি নীতির প্রতিফলন। তিনি
বলেন, এলডিসি-পরবর্তী সময়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে বাংলাদেশকে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ইইউর নতুন ডিউ-ডিলিজেন্স ও ট্রেসেবিলিটি বাধ্যবাধকতা পূরণে শিল্পখাতকে প্রস্তুত করতে হবে। এছাড়া উচ্চ সুদহার, মূলধনের সীমিত প্রাপ্যতা, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস ও ডিজেলের অনিয়মিত সরবরাহ রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য আরও দেখায়, রপ্তানির পরিমাণ কমার পাশাপাশি কমেছে পণ্যের গড় মূল্যও। আলোচ্য সময়ে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে প্রতি কেজিতে ১৩ দশমিক ৯৬ ইউরোতে নেমে এসেছে। একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে ৫২১ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন কেজিতে দাঁড়িয়েছে।
ফলে রপ্তানিকারকরা এখন একদিকে আগের তুলনায় কম পোশাক বিক্রি করছেন, অন্যদিকে প্রতিটি পণ্যের জন্যও কম মূল্য পাচ্ছেন।



