ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়, বাংলাদেশ একাত্তরেই ফিরবে’: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড. জাফর ইকবাল
পুরস্কার গ্রহণ করলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রচণ্ড দাবদাহ: স্থগিত ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস
নিউইয়র্কে ১০২ তলা ভবনের চূড়ায় উঠে রুশ যুগলের কাণ্ড
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত।
লালপরী খ্যাত জেনিফার রাজকুমার হারলেন
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
পূর্ণিমার আলোয় রকওয়ে বিচে ফিরছে বহুল প্রতীক্ষিত জোছনা উৎসব: কয়েক বছর পর ৩১ জুলাই প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় নাচ, গান, কবিতা, ঘুড়ি উৎসব ও তারকাদের অংশগ্রহণ
দীর্ঘ কয়েক বছরের বিরতির অবসান ঘটিয়ে নিউইয়র্কের কুইন্সের রকওয়ে বিচে (Beach 95th St, Queens, NY 11693) আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত জোছনা উৎসব। পূর্ণিমার রূপালি আলো, সমুদ্রের গর্জন আর বাঙালির প্রাণের সংস্কৃতিকে একসূত্রে গেঁথে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যেই প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
উৎসবের আহ্বায়ক সাংবাদিক পিনাকী তালুকদার জানান, বিকেল ৫টায় সমুদ্রতীরে শিশুদের ঘুড়ি ওড়ানোর মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। আয়োজকদের ভাষায়, ঘুড়ি ওড়ানো শুধু একটি খেলা নয়, এটি স্বপ্ন, স্বাধীনতা ও সৃজনশীলতার প্রতীক। শিশুদের হাসি, রঙিন ঘুড়িতে ভরে উঠবে রকওয়ের আকাশ, আর সেই আবহেই শুরু হবে পূর্ণিমার সাংস্কৃতিক আয়োজন।
পূর্ণিমার
মনোমুগ্ধকর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন স্বনামধন্য শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী, শাহ মাহবুব, রেশমী মির্জা, বিন্দু কণা, বাউল মেলাল করীম, করিম হাওলাদার, নতুন প্রজন্মের শিল্পী আলভান চৌধুরী, সাগ্নিক মজুমদার, জেরিন মাইশাসহ আরও অনেক শিল্পী। নৃত্য পরিবেশন করবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা), নৃত্যাঞ্জলি ও মৃথান ড্যান্স একাডেমি। পাশাপাশি থাকবে আবৃত্তি, গীতিকাব্য, বাউল গানের আসর এবং নানা সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা নাট্যজন লুৎফুন নাহার লতা জানান, এবারের আয়োজনে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন, যা উৎসবের মর্যাদাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। উৎসব উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় বিশিষ্ট বিজ্ঞান লেখক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, প্রকৃতি ও সংস্কৃতিনির্ভর এ ধরনের আয়োজন মানুষের সৌন্দর্যবোধকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়। প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ ফজলুল রহমান তার শুভেচ্ছা বার্তায় আবেগঘন ভাষায় বলেন, “জোছনা উৎসবে উপস্থিত হয়ে জোছনাকে বলবো— হে জোছনা, তোমার আলোয় আমাদের সকল অন্ধকার দূর করে দাও।” উৎসবের স্বপ্নদ্রষ্টা গোপাল সান্যাল বলেন, “প্রকৃতি যেমন সবার, জোছনাও তেমনি সবার। তাই এই উৎসবও সবার জন্য উন্মুক্ত।” তিনি দলমত-নির্বিশেষে সকল প্রকৃতিপ্রেমী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের এই উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন নিউ জার্সি থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলম্যান, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী। ভিন্নধর্মী এই আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
ও সাংস্কৃতিক সংগঠক নুরুল আমিন বাবু। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আরও রয়েছেন ফোবানা চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী ও নিউটন দাস। আয়োজনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বীকৃতি বড়ুয়া, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ ও গোপাল সান্যাল। ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করছেন ব্যারিস্টার ড. এনামুল হক ও অ্যাকটিভিস্ট রামদাস ঘরামী। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন তাহরিনা পারভীন প্রীতি ও স্বাধীন মজুমদার। গণযোগাযোগ ও মিডিয়া সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন সাংবাদিক আসলাম আহমাদ খান। উৎসবে প্রবেশ সবার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। শিশুদের জন্য ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করেছে শিশু সংগঠন আমরা শিশুদের সঙ্গী (আশিস) এবং রাইটার্স ক্লাব যুক্তরাষ্ট্র। আয়োজকরা জানিয়েছেন, শিশুদের বিনামূল্যে ঘুড়ি ও নাটাই দেওয়া হবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি শিশুর সঙ্গে অভিভাবকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। আয়োজকদের বিশ্বাস, পূর্ণিমার রূপালি আলো,
আটলান্টিকের ঢেউ, সুর-ছন্দে ভরা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রবাসী বাঙালিদের আন্তরিক মিলনমেলায় এবারের জোছনা উৎসব শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, প্রকৃতিপ্রেম ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত হবে।
মনোমুগ্ধকর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন স্বনামধন্য শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী, শাহ মাহবুব, রেশমী মির্জা, বিন্দু কণা, বাউল মেলাল করীম, করিম হাওলাদার, নতুন প্রজন্মের শিল্পী আলভান চৌধুরী, সাগ্নিক মজুমদার, জেরিন মাইশাসহ আরও অনেক শিল্পী। নৃত্য পরিবেশন করবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা), নৃত্যাঞ্জলি ও মৃথান ড্যান্স একাডেমি। পাশাপাশি থাকবে আবৃত্তি, গীতিকাব্য, বাউল গানের আসর এবং নানা সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা নাট্যজন লুৎফুন নাহার লতা জানান, এবারের আয়োজনে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন, যা উৎসবের মর্যাদাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। উৎসব উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় বিশিষ্ট বিজ্ঞান লেখক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, প্রকৃতি ও সংস্কৃতিনির্ভর এ ধরনের আয়োজন মানুষের সৌন্দর্যবোধকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়। প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ ফজলুল রহমান তার শুভেচ্ছা বার্তায় আবেগঘন ভাষায় বলেন, “জোছনা উৎসবে উপস্থিত হয়ে জোছনাকে বলবো— হে জোছনা, তোমার আলোয় আমাদের সকল অন্ধকার দূর করে দাও।” উৎসবের স্বপ্নদ্রষ্টা গোপাল সান্যাল বলেন, “প্রকৃতি যেমন সবার, জোছনাও তেমনি সবার। তাই এই উৎসবও সবার জন্য উন্মুক্ত।” তিনি দলমত-নির্বিশেষে সকল প্রকৃতিপ্রেমী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের এই উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন নিউ জার্সি থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলম্যান, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী। ভিন্নধর্মী এই আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
ও সাংস্কৃতিক সংগঠক নুরুল আমিন বাবু। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আরও রয়েছেন ফোবানা চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী ও নিউটন দাস। আয়োজনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বীকৃতি বড়ুয়া, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ ও গোপাল সান্যাল। ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করছেন ব্যারিস্টার ড. এনামুল হক ও অ্যাকটিভিস্ট রামদাস ঘরামী। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন তাহরিনা পারভীন প্রীতি ও স্বাধীন মজুমদার। গণযোগাযোগ ও মিডিয়া সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন সাংবাদিক আসলাম আহমাদ খান। উৎসবে প্রবেশ সবার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। শিশুদের জন্য ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করেছে শিশু সংগঠন আমরা শিশুদের সঙ্গী (আশিস) এবং রাইটার্স ক্লাব যুক্তরাষ্ট্র। আয়োজকরা জানিয়েছেন, শিশুদের বিনামূল্যে ঘুড়ি ও নাটাই দেওয়া হবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি শিশুর সঙ্গে অভিভাবকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। আয়োজকদের বিশ্বাস, পূর্ণিমার রূপালি আলো,
আটলান্টিকের ঢেউ, সুর-ছন্দে ভরা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রবাসী বাঙালিদের আন্তরিক মিলনমেলায় এবারের জোছনা উৎসব শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, প্রকৃতিপ্রেম ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত হবে।



