নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ June, ২০২৬

নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ June, ২০২৬ |
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রি যাত্রা শুরু করেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রায় ১ লাখ কবরের এ প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয় গত ২০ জুন। অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীসহ বাংলাদেশি কম্যুনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বহির্বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ মুসলিম গোরস্থান এর জন্য ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রায় ১২৬ একর জমি ক্রয় করা হয়। এ সেমিট্রির কাজ শুরু করা হয় ২০২৫ সালে ৩১ জুলাই। প্রায় এক বছর পর ২০২৬ সালের ২০ জুন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির উপদেষ্টা এসএম আমানতের লাশ দাফনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়। এসএম আমানত দীর্ঘ এক বছর ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি গত ১৮ জুন

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রুকলিনের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। গত ১৯ জুন ব্রুকলিনের বেলাল মসজিদে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পর দিন ২০ জুন স্কচটাউনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাংলাদেশ সেমিট্রিতে দাফন কর হয়। এটিই বাংলাদেশ সেমিট্রিতে প্রথম কবর। বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দীন পিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-এ প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ও বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি জাহিদ মিন্টু, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাজি মফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, সাবেক সভাপতি সালামত উল্যাহ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খোকন মোশাররফ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোমিনুল হক, রেজাউল করিম চৌধুরী, সোহেল হেলাল,

মাইনুল উদ্দীন মাহবুব, সহ-সভাপতি তাজু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউছুপ জসীম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ চৌধুরী রুহেল, বিএনএস বেলালের নাতি, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মুন্না প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আবুল কালাম, রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শাহ নেওয়াজ স্বপন, শাহ আলম, মোস্তাক হোসেন মোশাররফ, মানিক লাল দাস, সুভাষ চন্দ্র মজুমদার, অ্যাসালের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম আজিজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ, বংলাদেশ

সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেন, সবেক কর্মকর্তা জামান তপন, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাঈম টুটুল, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সহ কোষাধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন, সাংগঠনকি সম্পাদক নূরুল ইসলাম বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুর রহিম, ধর্ম সম্পাদক মাও. মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সদস্য ইকবাল হোসেন, হাসানুজ্জামান বাদল, মাহমুদুল হক প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষèীপুর জেলা সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি সদস্য আবুল কাশেম চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সবুজ, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, আহমেদ জুনায়েদ, মিজানুর রহমান, খোরশেদ

আলম, মাকসুদুর রহমান, রুবেল আলী, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ, চার্চম্যাকডোনাল্ড বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারি, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ। জাহিদ মিন্টু তার বক্তব্যে সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আল্লাহর প্রতি শোকরিয়া আদায় করে বলেন, এ জমি ১ হাজার ৪০০ দিন মার্কেটে ছিল কেউ ক্রয় করেনি, পরে আমরা ক্রয় করেছি। নোয়াখালী সোসইটির জন্ম হয়েছিল মানুষের কল্যাণের জন্য, আমরা বলি নোয়াখালী সোসাইটি শুধু মানব কল্যাণে কাজ করে না, নোয়াখালী সোসাইটি দ্বীন প্রচারেও কাজ করে। অনেকেই বলেন, এ প্রজেক্টের স্বপ্নদ্রষ্টা আমি। কিন্তু এ প্রজেক্টকে কাজ করে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন যারা, তারা হলেন-জামাল উদ্দিন,

মনসুর আহমেদ, পিয়াস ও মাইনুল উদ্দীন মাহবুব। এছাড়াও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে বিএনএস বেলাল, মহিউদ্দিন ও এসএম আমানত হোসেনকে। তিনি যারা এ প্রকল্পে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি, কাজ চলবে। তবে কবর দেওয়া শুরু হয়েছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তা শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। যারা আমাদের কাছ থেকে কবর ক্রয় করেছেন, তারা আসবেন এবং আপনাদের কবর বুঝে নিবেন। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ২০ হাজার কবর বিক্রি করেছি। আগামী আগস্ট থেকে দ্বিতীয় কিস্তির কাজ শুরু হবে। কাজ শুরুর পর এগুলো বিক্রি শুরু হবে। প্রকল্প উদ্বোধনের ঘোষণায় তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। এখানে

৮ হাজার স্কোয়ার ফিটের বিল্ডি হবে, নামাজ পড়া যাবে, ১৫০ জন লোক এক সঙ্গে নামাজ আদায় কর যাবে, লাশ রাখার ব্যবস্থা এবং লাশ দোয়ার ব্যবস্থা রাখা হবে। তিনি বলেন, এ কাজগুলো আমরা করবো। তবে আমি বলতে চাই, এ প্রজেক্ট আপনাদের প্রজেক্ট, আমরা শুধু ব্যবস্থাপনায় থাকবো। তিনি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন আপনারা যারা আপ্রচার করছেন, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা লিখছেন, তাদের প্রতিহত করতে নোয়াখালীবাসী প্রস্তুত, আইনীভাবে হোক, আর যেকোনভাবেই হোক। আপনাদের মধ্যে কেউ কম্যুনিটি বোর্ড মেম্বার থাকতে পারেন, কেউ আইনজীবী নেতা থাকতে পারেন, কেউ ডাক্তার থাকতে পারেন, বি কেয়ারফুল। ভাল কাজ দেখলে আপনাদের যাদের গ্রাহদাহ হয়, তাদের দূরে থাকা উচিত। আশা করি আগামীতে কাজগুলো আর করবেন না, এনাফ ইজ এনাফ। প্রজেক্ট ইজ ডান। নোয়াখালীবাসীর ভদ্রতা দেখেছেন, নম্রতা দেখেছেন কিন্তু হুঙ্কার দেখেননি। বিশ্বাস করেন, এটা আমাদের অন্তরের প্রজেক্ট। এখানে আঘাত করার চেষ্টা করবেন না। এ প্রজেক্ট আগামী ২০০ বছরের প্রজেক্ট। মনে রাখবেন, আজ আমানত সাহেবকে তার আত্মীয়স্বজন রেখে যাবেন, আমি মারা গেলে আমাকেও রেখে যাবেন, সবাইকে মরতে হবে। নিজের পয়সা দিয়ে সমাজসেবা করেন, অন্য অর্থে সমাজসেবার ভালো করবেন না- আপনাদের ধিক্কার জানাই। তিনি প্রজেক্টের কাগজপত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করেন। নাজমুল হাসান মানিক বলেন, নোয়াখালীবাসীর সহযোগিতায় আমরা এ প্রজেক্ট করতে সফল হয়েছি। যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। হাজি মফিজুর রহমান বলেন, জাহিদ মিন্টু বয়সে আমাদের চেয়ে অনেক ছোট কিন্তু জ্ঞানে এবং কর্মে সে আমাদের চেয়ে অনেক বড় যেকারণে এ প্রজেক্ট আজকে আলোর মুখ দেখেছে। অনুষ্ঠানে যারা এ প্রজেক্টে কবর ক্রয় করেছেন তারাও অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। তারা এ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করার জন্য জাহিদ মিন্টু এবং উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন, এতোদিন কবর নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম, এখন আমাদের নিজেদের করব হয়েছে। বিদেশি অনেক প্রজেক্টে তাদের কথামতো এবং সময় অনুযায়ী আমাদের কবর দিতে হয়েছে, সেদিক থেকে এবার আমরা একটু সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছি। এক সঙ্গে এক লাখ মুসলিম মানুষের কবর, এটা যেন চিন্তার অতীত ছিল, সেই অসাধ্য সাধন করেছে জাহিদ মিন্টু। আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে জাহিদ মিন্টুসহ বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি। কেউ কেউ বলেছেন, আজকে স্কচটাউনে যে ইতিহাস তৈরি হলো অমরা ইতিহাসের সাক্ষী হলাম। হয়তো আমরা থাকবো না, কিন্তু মুসলমানদের এ প্রজেক্ট থেকে যাবে। জাহিদ মিন্টুসহ যারা এটা করেছেন এ প্রজেক্ট যতদিন থাকবে, তাদের নামও ততদিন থাকবে। কেউ কেউ বলেছেন, ক্ষণিকের পৃথিবী নয়, আসল ঠিকানা হচ্ছে এটা। বাংলাদেশ সেমিট্রিতে জোহর এবং আসরের নামাজ আদায় করা হয়। জোহরের নামাজে ইমামতি করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ। আসরের নামাজে ইমামতি করেন মসজিদ বেলালের ইমাম ড. সাইয়্যদ মুফতি মুহাম্মদ আনসারুল করিম আল আজহারী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও সুনামগঞ্জে যুদ্ধাপরাধের মামলার সাক্ষীর বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, নারীদের শ্লীলতাহানী-তাণ্ডব চালাল রাজাকারের দোসররা জুয়ার টাকা জোগাড়ে মসজিদে ইমামতি: ১৫ লাখ টাকা লোপাটের পর গ্রেপ্তার মুফতি মিজান গরুর মাংস ভুনা রেসিপি: নরম ও মসলাদার ভুনা রান্নার সহজ নিয়ম মাদারীপুরে বন্ধুসভা ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে চারা গাছ বিতরণ করেছে ছোবল খেয়ে মুঠোফোনের আলোতে সাপ ধরা, হাসপাতালে নেওয়া হল বাংলাদেশ জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় ১৫ মিনিটের হ্যাটট্রিকে ১,০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো পুলিশ হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সের ওপর অকথ্য নির্যাতন, সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে প্রেরণ চট্টগ্রামে বাসা থেকে আওয়ামী লীগ নেত্রী নুর নাহারের মরদেহ উদ্ধার দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যে লাইনচ্যুত, সরকারের ঋণ বেড়ে চলেছে, শঙ্কিত অর্থনীতিবিদরা