ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সৌদিতে বাংলাদেশি দুই ভাই নিহত
ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অভিবাসী আটক
২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া
২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২০০
প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত আয়োজন
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, ১৪৬ বিদেশি আটক
সিঙ্গাপুরে উগ্র মতাদর্শী দুই নির্মাণ শ্রমিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে বাংলাদশে ফেরত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উগ্রবাদী ও প্রতিহিংসামূলক পোস্ট করার অভিযোগে সিঙ্গাপুরে কর্মরত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (আইএসডি)।
গতকাল ১৬ই জুলাই, বৃহস্পতিবার আইএসডি ‘দ্য স্ট্রেইটস টাইমস’কে জানায়, ২৫ বছর বয়সী তায়ানি মো. রিসাদ এবং ৩৭ বছর বয়সী ইসলাম সাহেদুলকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
আইএসডির এক মুখপাত্র বলেন, জুলাই মাসে পৃথক তদন্তে তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিভিন্ন উগ্রবাদী পোস্টের বিষয়টি উঠে আসে।
তদন্তে দেখা যায়, রিসাদ তার পোস্টে বাংলাদেশি উগ্র ইসলামপন্থি খ্যাত শফিউর রহমান ফারাবির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন। ফারাবির বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ ও নাস্তিক-ব্লগারদের বিরুদ্ধে হত্যায় উস্কানি দেওয়ার
অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। একুশের বইমেলা প্রাঙ্গনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অধ্যাপক ড. অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ফারাবির সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। ফলশ্রুতিতে তিনি গ্রেপ্তারের পর কারাবরণ করেন। অন্যদিকে সাহেদুল ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি এমন ধর্মীয় মতামত প্রকাশ করেন, যেখানে ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত হতে না চাওয়া মুসলমানদের ‘কাফের’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আইএসডি জানিয়েছে, তাদের তদন্তে সিঙ্গাপুরে কোনো সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া না গেলেও তাদের উগ্রবাদী ও প্রতিহিংসামূলক মতাদর্শ সিঙ্গাপুরের বহুজাতিক ও বহু-ধর্মীয় সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দুই বাংলাদেশিই সিঙ্গাপুরের নির্মাণ
খাতে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ৮ই জুলাই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পরদিন ৯ই জুলাই তাদের আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আবেদনে বলা হয়, তারা সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং তাদের যোগাযোগ, নেটওয়ার্ক ও অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ প্রয়োজন। আদালত শুনানিতে রিসাদ দাবি করেন, ২০২৩ সালে ফেসবুকে দেওয়া কিছু পোস্টের কারণে তাকে সিঙ্গাপুরে আটক করা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পোস্টগুলো ছিল হেফাজতে ইসলাম এবং
সংগঠনটির এক নেতাকে কেন্দ্র করে। রিমান্ড মঞ্জুর করার সময় বিচারক তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা তো রেমিট্যান্স যোদ্ধা, এসব বিষয়ে জড়ানোর প্রয়োজন কী ছিল?’ উল্লেখ্য, এর আগেও সিঙ্গাপুরে কর্মরত কয়েকজন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে সিঙ্গাপুরে কর্মরত এক বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি অনলাইনে আইএস-সমর্থিত প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে সহিংস হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ২০১৬ সালে নির্মাণ ও সামুদ্রিক খাতে কর্মরত ৮ বাংলাদেশিকে আটক করেছিল আইএসডি। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনা, অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং নতুন সদস্য নিয়োগের অভিযোগ ছিল। এরও আগে ২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরে কর্মরত ২৭ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে
একটি জিহাদি সেল গঠন এবং বিদেশে সশস্ত্র জিহাদে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে তাদের সবাইকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। একুশের বইমেলা প্রাঙ্গনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অধ্যাপক ড. অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ফারাবির সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। ফলশ্রুতিতে তিনি গ্রেপ্তারের পর কারাবরণ করেন। অন্যদিকে সাহেদুল ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি এমন ধর্মীয় মতামত প্রকাশ করেন, যেখানে ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত হতে না চাওয়া মুসলমানদের ‘কাফের’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আইএসডি জানিয়েছে, তাদের তদন্তে সিঙ্গাপুরে কোনো সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া না গেলেও তাদের উগ্রবাদী ও প্রতিহিংসামূলক মতাদর্শ সিঙ্গাপুরের বহুজাতিক ও বহু-ধর্মীয় সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দুই বাংলাদেশিই সিঙ্গাপুরের নির্মাণ
খাতে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ৮ই জুলাই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পরদিন ৯ই জুলাই তাদের আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আবেদনে বলা হয়, তারা সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং তাদের যোগাযোগ, নেটওয়ার্ক ও অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ প্রয়োজন। আদালত শুনানিতে রিসাদ দাবি করেন, ২০২৩ সালে ফেসবুকে দেওয়া কিছু পোস্টের কারণে তাকে সিঙ্গাপুরে আটক করা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পোস্টগুলো ছিল হেফাজতে ইসলাম এবং
সংগঠনটির এক নেতাকে কেন্দ্র করে। রিমান্ড মঞ্জুর করার সময় বিচারক তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা তো রেমিট্যান্স যোদ্ধা, এসব বিষয়ে জড়ানোর প্রয়োজন কী ছিল?’ উল্লেখ্য, এর আগেও সিঙ্গাপুরে কর্মরত কয়েকজন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে সিঙ্গাপুরে কর্মরত এক বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি অনলাইনে আইএস-সমর্থিত প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে সহিংস হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ২০১৬ সালে নির্মাণ ও সামুদ্রিক খাতে কর্মরত ৮ বাংলাদেশিকে আটক করেছিল আইএসডি। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনা, অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং নতুন সদস্য নিয়োগের অভিযোগ ছিল। এরও আগে ২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরে কর্মরত ২৭ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে
একটি জিহাদি সেল গঠন এবং বিদেশে সশস্ত্র জিহাদে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে তাদের সবাইকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।



