ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফিফার সবচেয়ে বড় স্পন্সর অ্যাডিডাসের দুই দলই ফাইনালে, কোণঠাসা নাইকি
বিশ্বকাপে মাঠের বাইরের তারকা ইয়ামালের ছোট ভাই
ফাইনালে কার পক্ষে আছেন গার্দিওলা
বিশ্বকাপ ফাইনালে ১১ রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি
কোচ টুখেলের বাজে কৌশলে ইংল্যান্ডের হার, তবু ‘অনুশোচনা’ নেই তার
বিশ্বকাপ জিতবে কারা, জানালো সুপারকম্পিউটার অপ্টা
মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর না খেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি
মেসির ফাইনাল দেখতে ৫ লাখি টিকিটও নিমেষে সাবাড়!
মাঠে তখনও উল্লাস থামেনি। আটলান্টায় বুধবার রাতে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে যখনই রেফারি শেষ বাঁশি বাজালেন, তখনই যেন আর্জেন্টিনার মানুষের মনে আর ঘরে আগুন লেগে গেল। লক্ষ্য একটাই—যেকোনো মূল্যে পৌঁছাতে হবে ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেগা ফাইনালে, যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সামনে এবার ইউরোপের পাওয়ারহাউস স্পেন।
বিশ্বকাপ ধরে রাখার এই লড়াই মাঠে বসে দেখার জন্য আক্ষরিক অর্থেই যেকোনো মূল্য চুকাতে রাজি আর্জেন্টাইনরা। আর তার প্রমাণ মিলল দেশটির রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ‘অ্যারোলিনাস আর্জেন্টিনা’র টিকিট বিক্রির হিড়িক দেখে। বুধবার রাতে ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিউইয়র্কগামী দুটি বিশেষ ফ্লাইটের সব টিকিট শেষ! বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যেই ৫৪০টি আসনের একটিও আর খালি ছিল না।
সবচেয়ে
চমকপ্রদ বিষয় হলো টিকিটের আকাশচুম্বী দাম। ইকোনমি ক্লাসের একেকটি টিকিটের দাম ধরা হয়েছিল প্রায় ৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ লাখ টাকা) আর বিজনেস ক্লাসের টিকিট ছুঁয়েছিল ১০ হাজার ডলারের ঘর! সাধারণ সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি ভাড়ার এই টিকিটগুলো চোখের পলকে বিক্রি হয়ে গেছে। ৬,০০০ শতাংশ সার্চের ঝড়, স্তব্ধ ট্রাভেল সাইট আর্জেন্টাইনদের এই ফুটবল-পাগলামির আঁচ পেয়েছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোও। দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রাভেল কোম্পানি ‘দেসপেগার’ জানিয়েছে, বুধবার সেমিফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর পরই নিউইয়র্কের ফ্লাইটের জন্য সার্চের পরিমাণ এক ধাক্কায় ৬,০০০ শতাংশ বেড়ে যায়! আপাতত ২১ জুলাই পর্যন্ত অ্যারোলিনাস আর্জেন্টিনার নিউইয়র্ক বা মায়ামি রুটের কোনো ফ্লাইটের টিকিটই আর অবশিষ্ট নেই। আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা এখন
মায়ামি হয়েও নিউ জার্সির নিউ ইয়র্ক স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পথ খুঁজছেন। কারণ, মেসির চেনা শহর মায়ামিই এখন তাদের ট্রানজিট পয়েন্ট। অবশ্য যারা বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের টিকিট পাননি, তারা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের কানেক্টিং ফ্লাইটের ওপর ভরসা করছেন। আমেরিকান এয়ারলাইন্স, কোপা কিংবা লাটাম-এর মতো বিমানসংস্থাগুলোর সাইটে এখনও চড়া দামে কিছু টিকিট মিলছে, আর সমর্থকেরাও পকেটের কথা না ভেবে অবলীলায় সেগুলো লুফে নিচ্ছেন। মেসির শেষ নাচ? খরচ কোনো ব্যাপারই নয়! আর্জেন্টিনার ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিংবা ডলারের চড়া দাম—কোনো কিছুই যেন ফুটবল আবেগের সামনে টিকতে পারছে না। লিওনেল মেসির দল আরও একবার বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায়, আর প্রতিপক্ষ যখন স্পেনের মতো শৈল্পিক দল, তখন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো তো আর্জেন্টাইনদের
মজ্জাগত অভ্যাস। এর আগেও কাতার বা ব্রাজিলে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যেভাবে গ্যালারি নীল-সাদা করে তুলেছিলেন সমর্থকেরা, এবারও মার্কিন মুলুকে তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়া গায়ে না মেখে তারা ছুটছেন একটাই স্বপ্ন নিয়ে—আরেকবার ফুটবল রাজপুত্রের হাতে সোনালী ট্রফিটা দেখার জন্য।
চমকপ্রদ বিষয় হলো টিকিটের আকাশচুম্বী দাম। ইকোনমি ক্লাসের একেকটি টিকিটের দাম ধরা হয়েছিল প্রায় ৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ লাখ টাকা) আর বিজনেস ক্লাসের টিকিট ছুঁয়েছিল ১০ হাজার ডলারের ঘর! সাধারণ সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি ভাড়ার এই টিকিটগুলো চোখের পলকে বিক্রি হয়ে গেছে। ৬,০০০ শতাংশ সার্চের ঝড়, স্তব্ধ ট্রাভেল সাইট আর্জেন্টাইনদের এই ফুটবল-পাগলামির আঁচ পেয়েছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোও। দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রাভেল কোম্পানি ‘দেসপেগার’ জানিয়েছে, বুধবার সেমিফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর পরই নিউইয়র্কের ফ্লাইটের জন্য সার্চের পরিমাণ এক ধাক্কায় ৬,০০০ শতাংশ বেড়ে যায়! আপাতত ২১ জুলাই পর্যন্ত অ্যারোলিনাস আর্জেন্টিনার নিউইয়র্ক বা মায়ামি রুটের কোনো ফ্লাইটের টিকিটই আর অবশিষ্ট নেই। আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা এখন
মায়ামি হয়েও নিউ জার্সির নিউ ইয়র্ক স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পথ খুঁজছেন। কারণ, মেসির চেনা শহর মায়ামিই এখন তাদের ট্রানজিট পয়েন্ট। অবশ্য যারা বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের টিকিট পাননি, তারা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের কানেক্টিং ফ্লাইটের ওপর ভরসা করছেন। আমেরিকান এয়ারলাইন্স, কোপা কিংবা লাটাম-এর মতো বিমানসংস্থাগুলোর সাইটে এখনও চড়া দামে কিছু টিকিট মিলছে, আর সমর্থকেরাও পকেটের কথা না ভেবে অবলীলায় সেগুলো লুফে নিচ্ছেন। মেসির শেষ নাচ? খরচ কোনো ব্যাপারই নয়! আর্জেন্টিনার ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিংবা ডলারের চড়া দাম—কোনো কিছুই যেন ফুটবল আবেগের সামনে টিকতে পারছে না। লিওনেল মেসির দল আরও একবার বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায়, আর প্রতিপক্ষ যখন স্পেনের মতো শৈল্পিক দল, তখন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো তো আর্জেন্টাইনদের
মজ্জাগত অভ্যাস। এর আগেও কাতার বা ব্রাজিলে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যেভাবে গ্যালারি নীল-সাদা করে তুলেছিলেন সমর্থকেরা, এবারও মার্কিন মুলুকে তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়া গায়ে না মেখে তারা ছুটছেন একটাই স্বপ্ন নিয়ে—আরেকবার ফুটবল রাজপুত্রের হাতে সোনালী ট্রফিটা দেখার জন্য।



