৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙার ধারাবাহিকতা: এবার ভাঙল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য, জানে না প্রশাসন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ জুলাই, ২০২৬

আরও খবর

‘আমেরিকান ডায়মন্ড’ নামের আড়ালে কী আছে?

মাঠপর্যায়ে গাছের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন: ছয় মাসে ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ করে ৪৩% লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দাবি সরকারের

দেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে প্রশ্ন: জাতিসংঘের উদ্বেগ, ভারতের তদন্তে একিউআইএস-এর শীর্ষ নেতা ইকরামুলের নাম

ই-রিটার্নে পরিবর্তন: জেনে নিন দুই চাকরির আয় দেখানোর সহজ উপায়

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ৬০ শতাংশের উৎপাদন বন্ধ, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে একসময়ের রপ্তানিমুখী ওষুধ শিল্প

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা

পুলিশের গল্পের চিত্রনাট্য ভালো, তবে পাগলেও বিশ্বাস করবে না: শিক্ষক-মহিলা পরিষদ

৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙার ধারাবাহিকতা: এবার ভাঙল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য, জানে না প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ জুলাই, ২০২৬ |
৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর রাজধানীসহ সারা দেশে পরবর্তী এক বছরে ২ হাজারেরও বেশি ভাস্কর্য, রিলিফ ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও উপড়ে ফেলা হয়েছে। এসব ভাস্কর্য ও ম্যুরালের বেশির ভাগই ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঝিনাইদহ জেলা শহরের প্রবেশদ্বারে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্যটি গত কয়েক দিন ধরে ভাঙা হচ্ছে। তবে কে বা কারা এটি ভাঙছে, সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ এমনকি প্রশাসনও। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রমিকরা চত্বরটি ভেঙে ফেলছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ

করতে বলেন। ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিনাইদহ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ আলী খান বলেন, ‘কেন ভাঙা হচ্ছে তা জানি না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলতে পারবেন।’ ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, ‘জেলা প্রশাসন এই স্থাপনা ভাঙার কাজ করছে না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে থেকেই ভাস্কর্যটি ওই জায়গা থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সড়ক বিভাগ ও পৌরসভা ওই সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন করছে সম্ভবত। তবে জেলা পুলিশ লাইনসের সামনে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি করার পরিকল্পনা আছে জেলা প্রশাসনের।’ ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি। জানতে চাইলে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান

বলেন, ‘কারা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ভাস্কর্য ও চত্বরটি অপসারণ করছে, তা আমার জানা নেই।’ জেলা পরিষদের প্রশাসক এম মাজিদ দাবি করেন, ‘সেখানে একটি ভাস্কর্য ছিল, কিন্তু সেটি দিয়ে আসলে কী বোঝাতে চেয়েছিল, তা নির্ধারণ করা কঠিন ছিল। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা দুই দফায় এটি ভাঙচুর করে। এলাকাটিতে এটি দুর্ঘটনার কারণও হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কয়েকটি সভায় এটি সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল, কিন্তু ভাঙার দায়িত্ব নিতে কেউ রাজি ছিল না। এখন কে এটি ভাঙার কাজ করছে, তা আমি জানি না।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ বলেন, ‘ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের কাছের গোলচত্বরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য নির্মাণের

পরিকল্পনা রয়েছে।’ ২০১৯ সালে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় পৌরসভা। ৩০ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট প্রস্থের এই স্থাপনাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিনের অবহেলায় ভাস্কর্যটি নির্ধারিত রূপ পায়নি। পরে চত্বরটি আগাছায় ঢেকে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জেলা শহরের প্রবেশমুখে কোনো না কোনো ভাস্কর্য বা স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে, যেখানে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি বা ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এই চত্বরটি ছিল ঝিনাইদহের গর্ব বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে। এখন দেখছি এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে, কিন্তু কেন, তা আমরা জানি না।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান শুধু ঝিনাইদহ নয়, পুরো দেশের গর্ব। জীবন উৎসর্গ করে তিনি আমাদের

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের এক অনন্য অধ্যায় রচনা করেছেন। তার নামে একটি চত্বর থাকলে নতুন প্রজন্ম তার অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে। এটি জেলার প্রবেশমুখে হলে আগত দর্শনার্থীরাও তার সম্পর্কে জানতে পারবেন।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহী ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর মৌলভীবাজারের ধলাই সীমান্তঘাঁটি দখলের লড়াইয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে তিনি শহিদ হন। ১৯৫৩ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হামিদুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ লাভ করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঘর থেকে পিঁপড়া তাড়ানোর সহজ পাঁচ উপায় ভোলার বাজারে কমেছে ইলিশের দাম, বেড়েছে সরবরাহ নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ ৪০৩ নেপালে আকস্মিক বন্যা, যা বললেন বিশ্বনেতারা ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ড্রোন পাঠাল চীন রিয়াদ থেকে আত্রাইয়ের ৭ জনের মরদেহ দেশে আসছে বিকেলে ‘আমেরিকান ডায়মন্ড’ নামের আড়ালে কী আছে? বিরল চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে যেসব অঞ্চল থেকে ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপে উঠলে পুরো দেশ আনন্দে ভাসবে’ আবারও ঢাকা মাতাতে আসছেন ‘বিলিয়নেরা’ খ্যাত ওটিলিয়া শয়তানকে দুর্বল ও অসহায় করে দেয় যে ধ্বনি ১০ দিন ধরে লাপাত্তা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ পরিবারের সদস্যরা নজরুলকে ‘জাতীয় কবি’ স্বীকৃতি দেন জিয়া: বিএনপির অসত্য দাবি বঙ্গবন্ধু সরকারের অবদান মুছে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা মাঠপর্যায়ে গাছের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন: ছয় মাসে ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ করে ৪৩% লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দাবি সরকারের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদ: ১ বছরে বাংলাদেশ হারাল ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বাজার নারায়ণগঞ্জের বন্ধ একটি কারখানার ভেতর থেকে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ সহসভাপতির মরদেহ উদ্ধার ব্যাংক ঋণে রেকর্ড গড়ল ইউনূস-তারেক সরকার: পরিমাণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা দেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে প্রশ্ন: জাতিসংঘের উদ্বেগ, ভারতের তদন্তে একিউআইএস-এর শীর্ষ নেতা ইকরামুলের নাম বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত