ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙার ধারাবাহিকতা: এবার ভাঙল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য, জানে না প্রশাসন
পৌরসভার ২ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি গাড়ি উধাও
শাহজালাল (রহ.) মাজার ঘিরে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য, দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার
বন্যার ৯ম দিনেও জলবন্দি বাঁশখালী: অপরিকল্পিত চিংড়ি ঘের ও অবৈধ বাঁধের বলি হাজারো পরিবার
বাংলাদেশকে ৫ বছরে শোধ করতে হবে ২৬ বিলিয়ন ডলার, বৈদেশিক ঋণ নিয়ে আইএমএফের বাড়তি নজর
তিন সংসদ সদস্যসহ মঞ্চ ভেঙে নিচে পড়লেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে যান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ত্রাণ বিতরণকালে হঠাৎ অর্থমন্ত্রীসহ সবাইকে নিয়েই ভেঙে পড়ে মঞ্চটি।
এ সময় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন এবং স্থানীয় কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে ত্রাণ বিতরণের মঞ্চে ওঠেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার সঙ্গে মঞ্চে সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীও উঠে পড়েন। অতিরিক্ত মানুষের ওজনের চাপে হঠাৎ মঞ্চটি ভেঙে পড়ে এবং মন্ত্রীসহ অন্যান্যরা পড়ে যান।
পরে ভাঙা মঞ্চে দাঁড়িয়েই অর্থমন্ত্রী কয়েকজন দুর্গত
মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং এরপর তিনি সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমদ, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এবং চট্টগ্রাম-০৮ (বোয়ালখালী-চাঁদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ প্রমুখ। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘অতিরিক্ত নেতাকর্মীর চাপে মঞ্চটি ভেঙে যায়। ছোট মঞ্চ ছিল। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। ছোট ঘটনা। মন্ত্রী মহোদয় ত্রাণ বিতরণ করেছেন সেখানেই।’ চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘মঞ্চ ভেঙে পড়লেও কেউ সেখান থেকে নিচে পড়ে যাননি। এখানে ত্রাণ বিতরণ শেষে অর্থমন্ত্রী সাতকানিয়ার পথে রওনা হন।’ এর আগে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়
মাইঝ পাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে ও হাদী পাড়ায় ত্রাণ বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, ডাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৪০,০০০ মানুষকে রান্না করা খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণের এই ধারা এখনো অব্যাহত আছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা চলমান থাকবে।’ পুনর্বাসন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রাণ বিতরণের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে, বন্যার পরে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও
রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেন যে কোনো সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে দ্রুততার সঙ্গে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং এরপর তিনি সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমদ, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এবং চট্টগ্রাম-০৮ (বোয়ালখালী-চাঁদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ প্রমুখ। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘অতিরিক্ত নেতাকর্মীর চাপে মঞ্চটি ভেঙে যায়। ছোট মঞ্চ ছিল। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। ছোট ঘটনা। মন্ত্রী মহোদয় ত্রাণ বিতরণ করেছেন সেখানেই।’ চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘মঞ্চ ভেঙে পড়লেও কেউ সেখান থেকে নিচে পড়ে যাননি। এখানে ত্রাণ বিতরণ শেষে অর্থমন্ত্রী সাতকানিয়ার পথে রওনা হন।’ এর আগে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়
মাইঝ পাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে ও হাদী পাড়ায় ত্রাণ বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, ডাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৪০,০০০ মানুষকে রান্না করা খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণের এই ধারা এখনো অব্যাহত আছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা চলমান থাকবে।’ পুনর্বাসন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রাণ বিতরণের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে, বন্যার পরে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও
রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেন যে কোনো সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে দ্রুততার সঙ্গে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।



