ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্রিকেট ইতিহাসের মহানায়ক স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই
ফিফার সবচেয়ে বড় স্পন্সর অ্যাডিডাসের দুই দলই ফাইনালে, কোণঠাসা নাইকি
মেসির ফাইনাল দেখতে ৫ লাখি টিকিটও নিমেষে সাবাড়!
বিশ্বকাপে মাঠের বাইরের তারকা ইয়ামালের ছোট ভাই
ফাইনালে কার পক্ষে আছেন গার্দিওলা
বিশ্বকাপ ফাইনালে ১১ রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি
কোচ টুখেলের বাজে কৌশলে ইংল্যান্ডের হার, তবু ‘অনুশোচনা’ নেই তার
সাইফুদ্দিন ও রিশাদের ঝলকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ
বুলাওয়েতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের শেষ ওভারের রুদ্ররূপ এবং রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণি জাদুতে তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী রোববারের শেষ ম্যাচটি তাই রূপ নিয়েছে অঘোষিত ফাইনালে।
টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে চমৎকার সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২০ রান। সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ এবং তানজিদ ৪৪ বলে ৫৮ রান করে বিদায় নেওয়ার পর হঠাৎ-ই পথ হারায় দলের ইনিংস। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও নুরুল হাসান সোহান দ্রুত ফিরলে ১৪১ রানে ৫ উইকেট
হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধার করেন ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ইয়াসির ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করে এক প্রান্ত আগলে রাখলেও শেষ ওভারে আসল ঝড় তোলেন সাইফুদ্দিন। ব্র্যাড ইভান্সের ওভারের প্রথম চার বলেই ওড়ান চারটি বিশাল ছক্কা। সাইফুদ্দিনের এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের লড়াকু পুঁজি পায় সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের পেসার ইভান্স ৪ ওভারে ৬৫ রান দিয়ে গড়েন টি-টোয়েন্টিতে তাদের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান দেওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড। রিচার্ড এনগারাভা নেন দুটি উইকেট। রান তাড়া করতে নেমে রিশাদ ও শেখ মেহেদী হাসানের স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে
ছিটকে যায় তারা। নবম ওভারে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৪৪। শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রায়ান বার্ল, অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন লেগ-স্পিনার রিশাদ। তার সঙ্গে দারুণ বোলিং করা মেহেদী পান ৩টি উইকেট।
হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধার করেন ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ইয়াসির ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করে এক প্রান্ত আগলে রাখলেও শেষ ওভারে আসল ঝড় তোলেন সাইফুদ্দিন। ব্র্যাড ইভান্সের ওভারের প্রথম চার বলেই ওড়ান চারটি বিশাল ছক্কা। সাইফুদ্দিনের এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের লড়াকু পুঁজি পায় সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের পেসার ইভান্স ৪ ওভারে ৬৫ রান দিয়ে গড়েন টি-টোয়েন্টিতে তাদের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান দেওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড। রিচার্ড এনগারাভা নেন দুটি উইকেট। রান তাড়া করতে নেমে রিশাদ ও শেখ মেহেদী হাসানের স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে
ছিটকে যায় তারা। নবম ওভারে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৪৪। শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রায়ান বার্ল, অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন লেগ-স্পিনার রিশাদ। তার সঙ্গে দারুণ বোলিং করা মেহেদী পান ৩টি উইকেট।



