ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
সাদিক কায়েমের তীব্র সমালোচনা রাশেদ খাঁনের
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘টাল্টিবাল্টি’ করবেন না, প্যাকেট করে লন্ডনে পাঠিয়ে দেবে: বিএনপিকে পাটওয়ারী
জামিনের পরও ১১ বছর পুরোনো এক হত্যা মামলায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ আওয়ামী লীগের সাংসদ সেঁজুতি
“বন্যাদুর্গত মানুষের সাথে সরকার উপহাস করছে”— বিবৃতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
রাশেদ: বিএনপি পাহারা না দিলে এনসিপি নেতাদের গিলে ফেলত আওয়ামী লীগ
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খান জানান, মাহফুজ আলমের ভূমিকা সম্পর্কে আব্দুল কাদের তথ্য প্রকাশের পর মাহফুজ আলম শিবিরের ঘরে সব অবদান তুলে দিয়ে নিজেকে কায়দা করে সেইফ করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ইতোপূর্বে তিনি কখনোই শিবিরের ভূমিকা স্বীকার করেনি! ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন অসহযোগ আন্দোলনে কী কী থাকবে, তার একটা খসড়া সাদিক কায়েমকে রেডি করে দিতে বলি, যা আসিফ পরদিন পাঠ করেন।
কিন্তু এটাকে ঘুরিয়ে জামায়াতের সংগ্রাম পত্রিকা লিখেছে,
ওই রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করেন! কীভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভালো করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেন! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করেন। রাশেদ বলেন, শিবিরের যতটুকু অবদান, ততটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। সেসময় সাদিক কায়েম সালমান পরিচয়ে কাজ করতেন, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় সে সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতেন, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এই রকম। যার যতটুকু
অবদান ততটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই। রাশেদের ভাষ্য— মাহফুজ আলম লিখেছেন ২ তারিখ রাতেই অনলাইনে এক দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল। এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছেন, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলেন। দেখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছেন! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনী একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সব সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনাপ্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালাবে না?
এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায়নি? মূলত ১ আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা জনগণের পক্ষে অবস্থান করবে। যে কারণে বলা যায়, কার্যত ১ আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সব এমপি-মন্ত্রীরা পেয়ে যান। যে কারণে ওই সময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। জুলাইয়ে ক্যান্টনমেন্টের অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে, স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলেন! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে। সবশেষ গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,
ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সব ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু চব্বিশের ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলেন না। সরকারের মন্ত্রিদের সঙ্গে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকাররা বলুক।
ওই রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করেন! কীভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভালো করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেন! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করেন। রাশেদ বলেন, শিবিরের যতটুকু অবদান, ততটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। সেসময় সাদিক কায়েম সালমান পরিচয়ে কাজ করতেন, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় সে সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতেন, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এই রকম। যার যতটুকু
অবদান ততটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই। রাশেদের ভাষ্য— মাহফুজ আলম লিখেছেন ২ তারিখ রাতেই অনলাইনে এক দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল। এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছেন, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলেন। দেখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছেন! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনী একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সব সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনাপ্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালাবে না?
এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায়নি? মূলত ১ আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা জনগণের পক্ষে অবস্থান করবে। যে কারণে বলা যায়, কার্যত ১ আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সব এমপি-মন্ত্রীরা পেয়ে যান। যে কারণে ওই সময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। জুলাইয়ে ক্যান্টনমেন্টের অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে, স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলেন! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে। সবশেষ গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,
ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সব ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু চব্বিশের ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলেন না। সরকারের মন্ত্রিদের সঙ্গে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকাররা বলুক।



