ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেসবুক-মেসেঞ্জারে হঠাৎ বিভ্রাট, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা
করছাড় পাচ্ছে আইটি ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও স্টার্টআপ
সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে
টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন!
যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল
দ্বন্দ্ব নয়, মানবতাই হোক লক্ষ্য
হোয়াটসঅ্যাপে এলো মেটার এআই বিজনেস এজেন্ট: ব্যবহারে লাগবে ফি
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ভারতে টেলিগ্রাম সাময়িক বন্ধ
ভারতে নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষায় জালিয়াতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো ঠেকাতে টেলিগ্রামে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত পরীক্ষার আগে সরকারে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)।
প্রতিষ্ঠানটি সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত কার্যকর বলে উল্লেখ করেছে।
এক বিবৃতিতে এনটিএ বলেছে, সংস্থাটির সুপারিশের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণায় আগামী ২২ জুন পর্যন্ত ভারতে টেলিগ্রামের ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
এ ছাড়া সরকার এই প্ল্যাটফর্মটিকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ভারতে মেসেজ এডিটিং ফিচারটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন সংগঠিত জালিয়াত চক্রকে প্রতিহত করা। ভারতে সুবিধাভোগী গোষ্ঠী টেলিগ্রাম ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁসের মিথ্যা দাবি ছড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের
বিভ্রান্ত করার এবং তাদের সঙ্গে প্রতারণা করার চেষ্টা করে থাকে। এনটিএ বলছে, পরীক্ষার পর বিভ্রান্তিকর ‘প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ’ তৈরিতে টেলিগ্রামের মেসেজ এডিটিং ফিচার ব্যবহার করে সুবিধাভোগীরা। এ ফিচার ব্যবহারের মাধ্যমে চ্যানেলের পরিচালনায় থাকা ব্যক্তিরা পরীক্ষার পর পুরনো পোস্টে গিয়ে আগের ফাইলগুলো সরিয়ে সেখানে প্রশ্নপত্র আপলোড করে দিতে পারেন। এতে করে পোস্টের সময় অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু সেখানে নতুন ফাইল দেখা যায়। এর মাধ্যমে এডিট করা এই পোস্টগুলোকে এমনভাবে প্রচার করা হয় যেন প্রশ্নপত্রটি পরীক্ষার আগেই ফাঁস হয়েছে। টেলিগ্রামভিত্তিক জালিয়াতি এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের অধীনে ‘ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার’ সমন্বয় করছে। ইতোমধ্যে ভুয়া প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কিছু টেলিগ্রাম
চ্যানেল, গ্রুপ এবং বট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনটিএ।
বিভ্রান্ত করার এবং তাদের সঙ্গে প্রতারণা করার চেষ্টা করে থাকে। এনটিএ বলছে, পরীক্ষার পর বিভ্রান্তিকর ‘প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ’ তৈরিতে টেলিগ্রামের মেসেজ এডিটিং ফিচার ব্যবহার করে সুবিধাভোগীরা। এ ফিচার ব্যবহারের মাধ্যমে চ্যানেলের পরিচালনায় থাকা ব্যক্তিরা পরীক্ষার পর পুরনো পোস্টে গিয়ে আগের ফাইলগুলো সরিয়ে সেখানে প্রশ্নপত্র আপলোড করে দিতে পারেন। এতে করে পোস্টের সময় অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু সেখানে নতুন ফাইল দেখা যায়। এর মাধ্যমে এডিট করা এই পোস্টগুলোকে এমনভাবে প্রচার করা হয় যেন প্রশ্নপত্রটি পরীক্ষার আগেই ফাঁস হয়েছে। টেলিগ্রামভিত্তিক জালিয়াতি এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের অধীনে ‘ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার’ সমন্বয় করছে। ইতোমধ্যে ভুয়া প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কিছু টেলিগ্রাম
চ্যানেল, গ্রুপ এবং বট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনটিএ।



