ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি
ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে যে বার্তা দিলেন অপু
সমালোচনার মুখে পানির বোতল প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অলরাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
৩৬ বছর বয়সেই দুই বিলিয়ন সম্পদের মালিক টেইলর সুইফট
কিছু স্বার্থান্বেষী মহল চায় না বাংলা সিনেমার উন্নতি হোক: শাকিব খান
স্পাইডারম্যান নিয়ে নিজের পুরোনো মন্তব্য থেকে সরে এলেন হল্যান্ড
জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে শোকাবহ পোস্ট না দেওয়ায় ২৫ সেলিব্রিটিকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ তকমা
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকপ্রকাশ না করায় দেশের বিশিষ্ট শিল্পী, অভিনেতা, শিক্ষক ও আইনজীবীসহ ২৫ জন সেলিব্রিটিকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে ফটোকার্ড প্রচার করেছে বিএনপিপন্থী একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। ভাইরাল হওয়া এই ফটোকার্ডগুলোতে অশ্লীল ভাষার ব্যবহার এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হেয় করার প্রবণতায় সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
যেভাবে ছড়াল ফটোকার্ড
৩১ মে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন এবং এরপর থেকে ফটোকার্ডগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। কার্ডগুলোতে চিহ্নিত সেলিব্রিটিদের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শোকপ্রকাশের পোস্টের স্ক্রিনশট যুক্ত করা হয় এবং জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে একই ধরনের পোস্ট না দেওয়াকে ‘দ্বিচারিতা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
ফটোকার্ডে যা লেখা
হয়েছে ওই ফটোকার্ডে লেখা হয়, “আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী। এইসব মাদারবোর্ডদের কি কোনো খবর আছে? যারা ১৫ আগস্ট আসলে ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’ লিখে পোস্ট দেয়।” পোস্টে আরও বলা হয়, “মূলত এরাই হচ্ছে কালচারাল ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের দোসর। এইসব কালচারাল ফ্যাসিস্টদের কারণে হাসিনা সতেরো বছর ক্ষমতায় ছিল।” পুরো পোস্টটি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল ভাষায় লেখা, যা এখানে হুবহু উদ্ধৃত করা সম্ভব নয়। যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ তকমা দেওয়া তালিকায় রয়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা শাকিব খান, অভিনেত্রী জয়া আহসান, মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেতা সাজু খাদেম, জাহের আলভি, খায়রুল বাসার, স্বাধীন খসরু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন, আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল, চিকিৎসক
আবদুন নুর তুষার, সাংবাদিক জ. ই. মামুনসহ আরও অনেকে। যে যুক্তিতে আপত্তি এই প্রচারণার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে যারা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা বলছেন, কোনো ব্যক্তি তার নিজের পছন্দ ও বিবেচনায় যেকোনো বিষয়ে পোস্ট দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার রাখেন। কার মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক জানাতে হবে আর কার বেলায় জানাতে হবে না — এটি কোনো সংগঠন নির্ধারণ করে দেওয়ার এখতিয়ার রাখে না। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরনের ‘তালিকা তৈরির রাজনীতি’ নিজেই ফ্যাসিবাদী আচরণের নামান্তর কিনা। পর্যবেক্ষকরা যা বলছেন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এই ধরনের প্রচারণা তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একটি দলীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন যদি মত ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে
বিশিষ্ট নাগরিকদের গালিগালাজ করে তালিকাভুক্ত করে, তাহলে সেটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এক ধরনের আক্রমণ। তারা আরও বলছেন, অতীতে যে ‘তালিকা সংস্কৃতি’ ভয় ও নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, নতুন মোড়কে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে কিনা — সেই প্রশ্নটি এখন সামনে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এ প্রচারণার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি।
হয়েছে ওই ফটোকার্ডে লেখা হয়, “আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী। এইসব মাদারবোর্ডদের কি কোনো খবর আছে? যারা ১৫ আগস্ট আসলে ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’ লিখে পোস্ট দেয়।” পোস্টে আরও বলা হয়, “মূলত এরাই হচ্ছে কালচারাল ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের দোসর। এইসব কালচারাল ফ্যাসিস্টদের কারণে হাসিনা সতেরো বছর ক্ষমতায় ছিল।” পুরো পোস্টটি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল ভাষায় লেখা, যা এখানে হুবহু উদ্ধৃত করা সম্ভব নয়। যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ তকমা দেওয়া তালিকায় রয়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা শাকিব খান, অভিনেত্রী জয়া আহসান, মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেতা সাজু খাদেম, জাহের আলভি, খায়রুল বাসার, স্বাধীন খসরু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন, আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল, চিকিৎসক
আবদুন নুর তুষার, সাংবাদিক জ. ই. মামুনসহ আরও অনেকে। যে যুক্তিতে আপত্তি এই প্রচারণার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে যারা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা বলছেন, কোনো ব্যক্তি তার নিজের পছন্দ ও বিবেচনায় যেকোনো বিষয়ে পোস্ট দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার রাখেন। কার মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক জানাতে হবে আর কার বেলায় জানাতে হবে না — এটি কোনো সংগঠন নির্ধারণ করে দেওয়ার এখতিয়ার রাখে না। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরনের ‘তালিকা তৈরির রাজনীতি’ নিজেই ফ্যাসিবাদী আচরণের নামান্তর কিনা। পর্যবেক্ষকরা যা বলছেন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এই ধরনের প্রচারণা তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একটি দলীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন যদি মত ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে
বিশিষ্ট নাগরিকদের গালিগালাজ করে তালিকাভুক্ত করে, তাহলে সেটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এক ধরনের আক্রমণ। তারা আরও বলছেন, অতীতে যে ‘তালিকা সংস্কৃতি’ ভয় ও নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, নতুন মোড়কে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে কিনা — সেই প্রশ্নটি এখন সামনে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এ প্রচারণার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি।



