ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপনার জীবন বদলে ফেলুন, প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটুন
শুধু রঙ দেখে নয়, গন্ধ শুকে বুঝুন আম টক না মিষ্টি
টবের মাটি অতিরিক্ত শক্ত হয়ে গেছে? কীভাবে নরম করবেন
লাইফস্টাইল টিপস: এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
নতুন জামা থেকে রং ওঠলে কী করবেন
না ধুয়েও যেভাবে ভালো রাখবেন জিন্স
কতটুকু মাংস খাওয়া নিরাপদ?
চুলে কাঁচা ডিম লাগলে দুশ্চিন্তা নয়: বরং মেখে নিন, উপকার অনেক
রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ হাত থেকে পড়ে গেল ডিম, অথবা অন্য কোনোভাবে মাথায় পড়ে ডিম ভাঙলো? প্রথম প্রতিক্রিয়াই হবে — দৌড়ে বাথরুমে গিয়ে ধুয়ে ফেলা। আঁশটে গন্ধ থেকে কীভাবে রেহাই পাওয়া যায়!
কিন্তু একটু থামুন। ওই “দুর্ঘটনা”টাই হয়তো আপনার চুলের জন্য আজকের সেরা ট্রিটমেন্ট হয়ে উঠতে পারে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি — কাঁচা ডিম চুলের যত্নে এক অসাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান।
কেন কাঁচা ডিম চুলের জন্য উপকারী?
একটি কাঁচা ডিমের ভেতরে লুকিয়ে আছে প্রোটিন, বায়োটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, আয়রন, ফোলেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানগুলো একসাথে চুলের গোড়া মজবুত করা থেকে শুরু করে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখা পর্যন্ত নানা কাজ
করে। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। চুলে কাঁচা ডিমের উপকারিতা ১. চুল পড়া কমায় ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন চুলের গঠনকারী মূল উপাদান কেরাটিনকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত ডিম ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসে। ২. চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে ডিমের কুসুমে থাকা বায়োটিন (ভিটামিন বি-৭) চুলের বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। বায়োটিনের অভাবেই অনেক সময় চুল পাতলা হয়ে যায় ও বৃদ্ধি থমকে যায়। ডিমের কুসুম সেই ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। ৩. চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে ডিমের কুসুমে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের প্রতিটি তন্তুকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, যার ফলে চুল হয়ে ওঠে মসৃণ ও উজ্জ্বল। রাসায়নিক শ্যাম্পুর পর
চুল যে নিষ্প্রাণ দেখায়, ডিমের নিয়মিত ব্যবহারে সেটা দূর হয়। ৪. শুষ্ক ও রুক্ষ চুলে আর্দ্রতা ফেরায় ডিমের কুসুম প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। যাদের চুল অতিরিক্ত শুষ্ক বা রোদে পুড়ে রুক্ষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য ডিমের কুসুমের হেয়ার মাস্ক দারুণ কার্যকর। ৫. মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে ডিমে থাকা ভিটামিন ডি ও ই মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং স্ক্যাল্পকে সুস্থ রাখে। সুস্থ স্ক্যাল্পই সুন্দর চুলের মূল ভিত্তি। ৬. খুশকি দূর করতে সাহায্য করে ডিমের সাদা অংশে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে, যা খুশকির একটি প্রধান কারণ। দুর্ঘটনাবশত চুলে ডিম পড়লে যা করবেন সরাসরি ধুয়ে না ফেলে বরং
এই সুযোগটাকে কাজে লাগান। আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে পুরো মাথার ত্বকে এবং চুলের দৈর্ঘ্য বরাবর ডিমটি ভালো করে মেখে নিন। এরপর একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা বা হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা — কখনো গরম পানি দিয়ে ডিম ধুবেন না। গরম পানিতে ডিম চুলেই রান্না হয়ে জমাট বেঁধে যায়, যা ছাড়ানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। চুলের ধরন অনুযায়ী ডিম ব্যবহারের কৌশল শুষ্ক চুলের জন্য শুধু কুসুম ব্যবহার করুন, কারণ কুসুমে ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে। তৈলাক্ত চুলের জন্য শুধু সাদা অংশ ব্যবহার করুন, কারণ এটি অতিরিক্ত তেল শোষণ করে স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার রাখে। স্বাভাবিক
চুলের জন্য পুরো ডিম একসাথে ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে সামান্য অলিভ অয়েল বা মধু মিশিয়ে নিলে উপকার আরও বাড়বে। কতদিন পরপর ব্যবহার করবেন? সপ্তাহে একবার ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল প্রোটিন ওভারলোডে শক্ত ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। পরের বার রান্নাঘরে ডিম হাত থেকে পড়ে মাথায় লাগলে বিরক্ত হবেন না — হাসুন। প্রকৃতি নিজেই হয়তো আপনাকে বলছে, আজকে চুলের যত্ন নেওয়ার দিন!
করে। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। চুলে কাঁচা ডিমের উপকারিতা ১. চুল পড়া কমায় ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন চুলের গঠনকারী মূল উপাদান কেরাটিনকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত ডিম ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসে। ২. চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে ডিমের কুসুমে থাকা বায়োটিন (ভিটামিন বি-৭) চুলের বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। বায়োটিনের অভাবেই অনেক সময় চুল পাতলা হয়ে যায় ও বৃদ্ধি থমকে যায়। ডিমের কুসুম সেই ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। ৩. চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে ডিমের কুসুমে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের প্রতিটি তন্তুকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, যার ফলে চুল হয়ে ওঠে মসৃণ ও উজ্জ্বল। রাসায়নিক শ্যাম্পুর পর
চুল যে নিষ্প্রাণ দেখায়, ডিমের নিয়মিত ব্যবহারে সেটা দূর হয়। ৪. শুষ্ক ও রুক্ষ চুলে আর্দ্রতা ফেরায় ডিমের কুসুম প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। যাদের চুল অতিরিক্ত শুষ্ক বা রোদে পুড়ে রুক্ষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য ডিমের কুসুমের হেয়ার মাস্ক দারুণ কার্যকর। ৫. মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে ডিমে থাকা ভিটামিন ডি ও ই মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং স্ক্যাল্পকে সুস্থ রাখে। সুস্থ স্ক্যাল্পই সুন্দর চুলের মূল ভিত্তি। ৬. খুশকি দূর করতে সাহায্য করে ডিমের সাদা অংশে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে, যা খুশকির একটি প্রধান কারণ। দুর্ঘটনাবশত চুলে ডিম পড়লে যা করবেন সরাসরি ধুয়ে না ফেলে বরং
এই সুযোগটাকে কাজে লাগান। আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে পুরো মাথার ত্বকে এবং চুলের দৈর্ঘ্য বরাবর ডিমটি ভালো করে মেখে নিন। এরপর একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা বা হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা — কখনো গরম পানি দিয়ে ডিম ধুবেন না। গরম পানিতে ডিম চুলেই রান্না হয়ে জমাট বেঁধে যায়, যা ছাড়ানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। চুলের ধরন অনুযায়ী ডিম ব্যবহারের কৌশল শুষ্ক চুলের জন্য শুধু কুসুম ব্যবহার করুন, কারণ কুসুমে ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে। তৈলাক্ত চুলের জন্য শুধু সাদা অংশ ব্যবহার করুন, কারণ এটি অতিরিক্ত তেল শোষণ করে স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার রাখে। স্বাভাবিক
চুলের জন্য পুরো ডিম একসাথে ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে সামান্য অলিভ অয়েল বা মধু মিশিয়ে নিলে উপকার আরও বাড়বে। কতদিন পরপর ব্যবহার করবেন? সপ্তাহে একবার ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল প্রোটিন ওভারলোডে শক্ত ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। পরের বার রান্নাঘরে ডিম হাত থেকে পড়ে মাথায় লাগলে বিরক্ত হবেন না — হাসুন। প্রকৃতি নিজেই হয়তো আপনাকে বলছে, আজকে চুলের যত্ন নেওয়ার দিন!



