ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিশু রামিসা হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল রানার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন
প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক ও গোপনে ভিডিও ধারণ, মাওলানা মিরাজ গ্রেপ্তার
তনুর পোশাকে মিলল আরেকজনের রক্ত
মিরপুরে শাহ আলী মাজারে জঙ্গি হামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারসহ ১০ দফা দাবি
ট্রাকসহ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ মালামাল লুট করা এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা: চারজনের মৃত্যুদণ্ড, নয়জনকে যাবজ্জীবন
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। পৃথক দুটি মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড, নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জালাল উদ্দিন বাবুল, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ ও আনোয়ার হাকিম। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জিয়াবুল করিম, ইসমাইল হোসেন, নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, আব্দুল করিম, মোহাম্মদ সাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, মোরশেদ আলম ও শাহ আলম। পাশাপাশি আবু হানিফ, এনামুল
হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন নামের পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পরপরই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয় আদালত প্রাঙ্গণে। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের একে একে আদালত ভবন থেকে বের করে প্রিজনভ্যানে তোলা হয় এবং কড়া নিরাপত্তায় কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার সময় ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায়
এক মৎস্য ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত দলের হানা দেওয়ার খবর পায় যৌথ বাহিনী। খবর পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। অভিযান চলাকালীন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডাকাত দলের এক সদস্যকে তাড়া করে ধরে ফেলেন সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন। ডাকাত দলের ওই সদস্য এবং তার সহযোগীরা সেনা কর্মকর্তা নির্জনকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রামু সিএমএইচে (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। ঘটনার পরদিন চকরিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ডাকাতির প্রস্তুতি ও সেনা কর্মকর্তা
হত্যার অভিযোগে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল হারুণুর রশীদ বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। একই ঘটনায় উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির পরিপ্রেক্ষিতে চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে অপর মামলাটি দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর চকরিয়া থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রধান অর্থদাতা মো. বাবুল প্রকাশসহ সরাসরি জড়িত বেশ কয়েকজন আসামিকে দেশীয় অস্ত্র, গুলি ও ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি
প্রক্রিয়া শেষে আজ ঘটনার প্রায় ২০ মাসের মাথায় এই রায় ঘোষিত হলো। নিহত সেনা কর্মকর্তা তানজিম সারোয়ার নির্জন পাবনা ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ২০২২ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে আর্মি সার্ভিস কোরে কমিশন লাভ করেছিলেন। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করেরবেটকা গ্রামে।
হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন নামের পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পরপরই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয় আদালত প্রাঙ্গণে। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের একে একে আদালত ভবন থেকে বের করে প্রিজনভ্যানে তোলা হয় এবং কড়া নিরাপত্তায় কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার সময় ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায়
এক মৎস্য ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত দলের হানা দেওয়ার খবর পায় যৌথ বাহিনী। খবর পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। অভিযান চলাকালীন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডাকাত দলের এক সদস্যকে তাড়া করে ধরে ফেলেন সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন। ডাকাত দলের ওই সদস্য এবং তার সহযোগীরা সেনা কর্মকর্তা নির্জনকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রামু সিএমএইচে (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। ঘটনার পরদিন চকরিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ডাকাতির প্রস্তুতি ও সেনা কর্মকর্তা
হত্যার অভিযোগে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল হারুণুর রশীদ বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। একই ঘটনায় উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির পরিপ্রেক্ষিতে চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে অপর মামলাটি দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর চকরিয়া থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রধান অর্থদাতা মো. বাবুল প্রকাশসহ সরাসরি জড়িত বেশ কয়েকজন আসামিকে দেশীয় অস্ত্র, গুলি ও ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি
প্রক্রিয়া শেষে আজ ঘটনার প্রায় ২০ মাসের মাথায় এই রায় ঘোষিত হলো। নিহত সেনা কর্মকর্তা তানজিম সারোয়ার নির্জন পাবনা ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ২০২২ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে আর্মি সার্ভিস কোরে কমিশন লাভ করেছিলেন। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করেরবেটকা গ্রামে।



