ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
মিরপুরে শাহ আলী মাজারে জঙ্গি হামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
মিরপুরে হজরত শাহ আলী (র.)-এর মাজারে রাতের আঁধারে দলবদ্ধ হামলার ঘটনায় পুলিশ জামায়াতে ইসলামীর তিনজন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এই তিনজনকে হামলায় সরাসরি অংশ নিতে দেখা গেছে এবং মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন এজাহারভুক্ত আসামি রাসেল ও আজম এবং অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আরমান দেওয়ান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৪ই মে দিবাগত রাতে মাজারে জিয়ারত ও মানতের সময় আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে মাজারে প্রবেশ করে জিয়ারতকারী ও মানতকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মাজারের ভক্তরা গুরুতর আহত হন।
শুধু মারধরেই থামেনি হামলাকারীরা। তারা মাজারের
গাছের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া হামলাকারীরা মাজারের জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা চুরি করে নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়। মামলার বাদী রেশমি বেগম জানান, তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে নিয়মিত শাহ আলীর মাজারে আসা-যাওয়া করেন। হামলার সময় তিনি হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্লীলতাহানি ঘটায়। এক আসামি লাঠি দিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত করে। ঘটনার পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় রেশমি বেগম শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করেন। এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জন
নেতাকর্মীকেও আসামি করা হয়। নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন — মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), আজম (৪০), শেখ মো. রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) এবং কাজী পনির (৫০)। তারা সবাই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী বলে তারা জানতে পেরেছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, “মামলা নিয়ে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গাছের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া হামলাকারীরা মাজারের জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা চুরি করে নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়। মামলার বাদী রেশমি বেগম জানান, তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে নিয়মিত শাহ আলীর মাজারে আসা-যাওয়া করেন। হামলার সময় তিনি হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্লীলতাহানি ঘটায়। এক আসামি লাঠি দিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত করে। ঘটনার পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় রেশমি বেগম শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করেন। এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জন
নেতাকর্মীকেও আসামি করা হয়। নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন — মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), আজম (৪০), শেখ মো. রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) এবং কাজী পনির (৫০)। তারা সবাই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী বলে তারা জানতে পেরেছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, “মামলা নিয়ে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।



