ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
বাংলাদেশে সাংবাদিক নিপিড়ন ও বিশ্ব প্রেক্ষাপট
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ৩১৭ জন শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যা দেশের জনস্বাস্থ্য খাতের এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন করেছে। এই গণমৃত্যুকে কেবল ‘পরিসংখ্যান’ মানতে নারাজ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি এই সংকটকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা’ ও ‘টিকা ব্যবস্থাপনায় হঠকারী সিদ্ধান্তের নির্মম দলিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে আনিস আলমগীর অভিযোগ করেন, ড. ইউনূসের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই আজ শত শত শিশুকে জীবন দিতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দেশে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে, যার চূড়ান্ত খেসারত দিচ্ছে নিষ্পাপ শিশুরা।
আনিস আলমগীর
তাঁর পোস্টে লিখেছেন,এই সংকটের মূলে রয়েছে ড. ইউনূসের হঠকারী সিদ্ধান্ত এবং টিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা। তার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার চরম মূল্য আজ দেশের শিশুদের দিতে হচ্ছে নিজের জীবন দিয়ে। পোস্টে সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে ড. ইউনূসের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে। দেশে যখন শিশুদের লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে, তখন তিনি বিদেশের বন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ নিয়ে ব্যস্ত এমনটাই দাবি এই সংবাদিকের। তিনি লিখেছেন, শত শত শিশু প্রাণ হারালে তার কিছু যায় আসে না, অথচ বিদেশের বন্ধু টেড টার্নারের মৃত্যুতে তিনি শোকাতুর হন। এই নির্লজ্জ দ্বিচারিতা জাতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। আনিস আলমগীর সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে। তাঁর মতে, সরকার এই মৃত্যুর কোনো
দায় নিচ্ছে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তিনি প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর হিসাব দাবি করেছেন এবং ড. ইউনূসকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে হামে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগে থেকেই টিকার ঘাটতি নিয়ে সতর্ক করলেও সরকারের ধীরগতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। যদিও সম্প্রতি কিছু টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে, তবে ততক্ষণে ৩১৭টি পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়েছে। আনিস আলমগীরের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষও প্রশ্ন তুলছেন অব্যস্থাপনার এই
দায়ভার আসলে কার? শিশুদের এই ‘গণমৃত্যু’ কি কেবলই একটি মহামারি, নাকি নীতিনির্ধারকদের চরম অবহেলার ফল?
তাঁর পোস্টে লিখেছেন,এই সংকটের মূলে রয়েছে ড. ইউনূসের হঠকারী সিদ্ধান্ত এবং টিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা। তার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার চরম মূল্য আজ দেশের শিশুদের দিতে হচ্ছে নিজের জীবন দিয়ে। পোস্টে সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে ড. ইউনূসের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে। দেশে যখন শিশুদের লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে, তখন তিনি বিদেশের বন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ নিয়ে ব্যস্ত এমনটাই দাবি এই সংবাদিকের। তিনি লিখেছেন, শত শত শিশু প্রাণ হারালে তার কিছু যায় আসে না, অথচ বিদেশের বন্ধু টেড টার্নারের মৃত্যুতে তিনি শোকাতুর হন। এই নির্লজ্জ দ্বিচারিতা জাতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। আনিস আলমগীর সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে। তাঁর মতে, সরকার এই মৃত্যুর কোনো
দায় নিচ্ছে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তিনি প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর হিসাব দাবি করেছেন এবং ড. ইউনূসকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে হামে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগে থেকেই টিকার ঘাটতি নিয়ে সতর্ক করলেও সরকারের ধীরগতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। যদিও সম্প্রতি কিছু টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে, তবে ততক্ষণে ৩১৭টি পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়েছে। আনিস আলমগীরের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষও প্রশ্ন তুলছেন অব্যস্থাপনার এই
দায়ভার আসলে কার? শিশুদের এই ‘গণমৃত্যু’ কি কেবলই একটি মহামারি, নাকি নীতিনির্ধারকদের চরম অবহেলার ফল?



