ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
গতকাল রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’। মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘মুক্ত ও জবাবদিহিমূলক সংবাদমাধ্যম’। দেশ-বিদেশের শতাধিক সাংবাদিক, সম্পাদক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু প্রথম দিনের আলোচনায় এই বড় আয়োজনে দেশের সাংবাদিক সমাজের বাস্তব চিত্র উঠে আসেনি।
গত ২১ মাসে বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর যে নজিরবিহীন নির্যাতন চলেছে, তার কোনো উল্লেখযোগ্য আলোচনা বা প্রতিবাদ দেখা যায়নি বৃহৎ এই সাংবাদিকতা বিষয়ক কনফারেন্সে।
বিভিন্ন সূত্র অনুসারে, বিগত ২১ মাসে অন্তত ১৩ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, ৪৪৯ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে, প্রায় ১২০০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন। বিটিভি,
একাত্তর টিভি, সময় টিভি, ডিবিসি, এটিএন নিউজ, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ একাধিক গণমাধ্যম অফিসে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১৬৮ জন সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন প্রেসক্লাবের প্রায় ৭০০ জন সদস্যের পদ স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ৪৭ জনের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে সাংবাদিক কারাবন্দিতে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের জন্য সরকারের কাছে বারবার বিবৃতি দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট মানববন্ধন করে কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি ও
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। বক্তারা বলেন, “ইউনূস সরকার সাংবাদিকদের ওপর চরম নির্যাতন চালিয়েছে। দেশের ইতিহাসে এত বড় সংখ্যক সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের নজিরবিহীন খারাপ উদাহরণ স্থাপন করা হয়েছে।” অথচ বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্সে গ্রেফতারকৃত, মবের হাতে নিহত, হত্যা মামলার আসামি, চাকরিচ্যুত হাজারো সাংবাদিকের প্রসঙ্গ একবারও উচ্চারিত হয়নি। আলোচনা সীমাবদ্ধ রয়েছে তাত্ত্বিক বিষয়, তদন্তমূলক সাংবাদিকতা, স্ব-নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদিতে। সম্মেলনের অংশগ্রহণকারী ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে— এই ধরনের বড় আয়োজন কি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ‘ভালো ছবি’ দেখানোর জন্য? নাকি দেশের বাস্তবতায় সত্যিকারের মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদমাধ্যম গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি? যখন কারাবন্দী সাংবাদিকরা জেলে, মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হাজারো সহকর্মী
মানসিক ও অর্থনৈতিক চাপে, তখন শুধু ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের’ কথা বলে কতটুকু জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়? কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে এসব ইস্যুতে কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনা বা প্রস্তাব আসে কি না, সেদিকে সাংবাদিক মহলের নজর রয়েছে। সত্যিকারের মুক্ত গণমাধ্যম চাইলে প্রথমেই নিপীড়িত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মুক্তির দাবি তোলা জরুরি বলে মনে করছেন অনেকে।
একাত্তর টিভি, সময় টিভি, ডিবিসি, এটিএন নিউজ, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ একাধিক গণমাধ্যম অফিসে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১৬৮ জন সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন প্রেসক্লাবের প্রায় ৭০০ জন সদস্যের পদ স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ৪৭ জনের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে সাংবাদিক কারাবন্দিতে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের জন্য সরকারের কাছে বারবার বিবৃতি দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট মানববন্ধন করে কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি ও
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। বক্তারা বলেন, “ইউনূস সরকার সাংবাদিকদের ওপর চরম নির্যাতন চালিয়েছে। দেশের ইতিহাসে এত বড় সংখ্যক সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের নজিরবিহীন খারাপ উদাহরণ স্থাপন করা হয়েছে।” অথচ বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্সে গ্রেফতারকৃত, মবের হাতে নিহত, হত্যা মামলার আসামি, চাকরিচ্যুত হাজারো সাংবাদিকের প্রসঙ্গ একবারও উচ্চারিত হয়নি। আলোচনা সীমাবদ্ধ রয়েছে তাত্ত্বিক বিষয়, তদন্তমূলক সাংবাদিকতা, স্ব-নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদিতে। সম্মেলনের অংশগ্রহণকারী ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে— এই ধরনের বড় আয়োজন কি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ‘ভালো ছবি’ দেখানোর জন্য? নাকি দেশের বাস্তবতায় সত্যিকারের মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদমাধ্যম গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি? যখন কারাবন্দী সাংবাদিকরা জেলে, মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হাজারো সহকর্মী
মানসিক ও অর্থনৈতিক চাপে, তখন শুধু ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের’ কথা বলে কতটুকু জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়? কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে এসব ইস্যুতে কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনা বা প্রস্তাব আসে কি না, সেদিকে সাংবাদিক মহলের নজর রয়েছে। সত্যিকারের মুক্ত গণমাধ্যম চাইলে প্রথমেই নিপীড়িত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মুক্তির দাবি তোলা জরুরি বলে মনে করছেন অনেকে।



