ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) জন্য ১৬৩টি গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে গতকাল এই গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ১৬৩টি গাড়ির মধ্যে তিনটি জিপ, ১০০টি টহল (প্যাট্রল) পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস রয়েছে। এসব গাড়ি দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কাছ থেকে কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২২ কোটি ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র (বৈছা) আন্দোলনের সময় পরিকল্পিতভাবে পুলিশ-র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা হয়েছে। থানা জ্বালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া হয় বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ, বাহিনীর গাড়ি, জিপসহ নিরাপত্তার
কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে বাহিনীগুলোর সক্ষমতা কমে যায়। নিয়মিত টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। যার প্রভাব পড়ে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়। এসব ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত বছরের মার্চে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশের জন্য নতুন ৩৬৪টি পিকআপ এবং ১৪০টি প্রিজনার ভ্যান ক্রয়ের কার্যাদেশ দেয়। এ সংক্রান্ত অর্থছাড়ও করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার র্যাবের জন্য যানবাহন ক্রয়ের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব যানবাহন কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে মন্ত্রিসভা কমিটি তা অনুমোদন দেয়। এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গত ২৭শে জানুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে
নীতিগত অনুমোদন পেয়েছিল। জানা গেছে, গত ৫ই এপ্রিল অর্থ বিভাগের এক পরিপত্র অনুযায়ী সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ থাকলেও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ বিবেচনায় এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। সূত্র জানায়, র্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধির এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৭ই নভেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ১লা ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত। এর অধীনে যানবাহন সংগ্রহের কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছিল। কিন্তু ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের সংঘাতে র্যাবের অনেক যানবাহন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। জানা গেছে, চলতি সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) প্রকল্পটির অনুকূলে ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। মূলত বৈছা আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে বাহিনীগুলোর সক্ষমতা কমে যায়। নিয়মিত টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। যার প্রভাব পড়ে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়। এসব ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত বছরের মার্চে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশের জন্য নতুন ৩৬৪টি পিকআপ এবং ১৪০টি প্রিজনার ভ্যান ক্রয়ের কার্যাদেশ দেয়। এ সংক্রান্ত অর্থছাড়ও করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার র্যাবের জন্য যানবাহন ক্রয়ের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব যানবাহন কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে মন্ত্রিসভা কমিটি তা অনুমোদন দেয়। এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গত ২৭শে জানুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে
নীতিগত অনুমোদন পেয়েছিল। জানা গেছে, গত ৫ই এপ্রিল অর্থ বিভাগের এক পরিপত্র অনুযায়ী সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ থাকলেও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ বিবেচনায় এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। সূত্র জানায়, র্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধির এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৭ই নভেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ১লা ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত। এর অধীনে যানবাহন সংগ্রহের কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছিল। কিন্তু ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের সংঘাতে র্যাবের অনেক যানবাহন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। জানা গেছে, চলতি সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) প্রকল্পটির অনুকূলে ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। মূলত বৈছা আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।



