‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ মে, ২০২৬

‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ মে, ২০২৬ |
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ৩১৭ জন শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যা দেশের জনস্বাস্থ্য খাতের এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন করেছে। এই গণমৃত্যুকে কেবল ‘পরিসংখ্যান’ মানতে নারাজ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি এই সংকটকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা’ ও ‘টিকা ব্যবস্থাপনায় হঠকারী সিদ্ধান্তের নির্মম দলিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে আনিস আলমগীর অভিযোগ করেন, ড. ইউনূসের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই আজ শত শত শিশুকে জীবন দিতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দেশে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে, যার চূড়ান্ত খেসারত দিচ্ছে নিষ্পাপ শিশুরা। আনিস আলমগীর

তাঁর পোস্টে লিখেছেন,এই সংকটের মূলে রয়েছে ড. ইউনূসের হঠকারী সিদ্ধান্ত এবং টিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা। তার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার চরম মূল্য আজ দেশের শিশুদের দিতে হচ্ছে নিজের জীবন দিয়ে। পোস্টে সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে ড. ইউনূসের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে। দেশে যখন শিশুদের লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে, তখন তিনি বিদেশের বন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ নিয়ে ব্যস্ত এমনটাই দাবি এই সংবাদিকের। তিনি লিখেছেন, শত শত শিশু প্রাণ হারালে তার কিছু যায় আসে না, অথচ বিদেশের বন্ধু টেড টার্নারের মৃত্যুতে তিনি শোকাতুর হন। এই নির্লজ্জ দ্বিচারিতা জাতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। আনিস আলমগীর সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে। তাঁর মতে, সরকার এই মৃত্যুর কোনো

দায় নিচ্ছে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তিনি প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর হিসাব দাবি করেছেন এবং ড. ইউনূসকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে হামে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগে থেকেই টিকার ঘাটতি নিয়ে সতর্ক করলেও সরকারের ধীরগতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। যদিও সম্প্রতি কিছু টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে, তবে ততক্ষণে ৩১৭টি পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়েছে। আনিস আলমগীরের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষও প্রশ্ন তুলছেন অব্যস্থাপনার এই

দায়ভার আসলে কার? শিশুদের এই ‘গণমৃত্যু’ কি কেবলই একটি মহামারি, নাকি নীতিনির্ধারকদের চরম অবহেলার ফল?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন ৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া