ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
বাংলাদেশে সাংবাদিক নিপিড়ন ও বিশ্ব প্রেক্ষাপট
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডাস্টবিন শফিক’ নামে পরিচিত) আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টিকা ক্রয়ের মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচারের নতুন অভিযোগ তুলেছেন।
ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখমাত্র ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করেছেন, ইউনিসেফের সহয়তায় টিকা ক্রয়ে আওয়ামীলীগের এই বিলিয়ন ব্লিয়ন ডলার পাচার দুর্নীতির কারণে ইউনূস সরকার ইউনিসেফ থেকে টিকা না কিনে বিকল্প পথ বেছে নিয়েছিল।
শফিকুল আলম আগেও আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন। যদিও সেবার তিনি টিকা ক্রয়ের দুর্নীতির এতো বড় একটি প্রসঙ্গ সম্পর্কে একটি বর্ণও উচ্চারণ
করেননি। দায়িত্বে ছাড়ার তিন মাস পরে তিনি বলছেন, আওয়ামী লীগের টিকা ক্রয় দুর্নীতির সঙ্গে ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং গ্যাভি (Gavi)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও জড়িত ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে সাধারণ দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ব্যাপক অভিযোগ তুলেছিল বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের অর্থায়নে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিতর্কিত ও ভুল তথ্যে ভরা দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই শ্বেতপত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ২০০৯-২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি করা হয়। তবে শ্বেতপত্রের মতো, এবারও টিকা ক্রয়ে উল্লেখিত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচারের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি ইউনূসের সাবেক এই সরকারি মুখপাত্র। প্রায় দেড়
বছর ক্ষমতায় থেকেও শুধু মুখে মুখে অভিযোগ করা ছাড়া এত বড় দুর্নীতির কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ইউনিসেফ ও গ্যাভির মাধ্যমে পরিচালিত হতো, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বীকৃত ছিল। এর মাধ্যমে টিকাদানের কভারেজ হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। বাংলাদেশের ইপিআই কর্মসূচি সারা বিশ্বে টিকাপ্রদানের একটি সফল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত ছিল। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২০-২০২১ সালের করোনা মহামারিতে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের আগেই বাংলাদেশে সারা দেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা ক্রয় বন্ধ করে ওপেন টেন্ডার পদ্ধতিতে স্থানান্তর করে। ইউনিসেফ এই
সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সতর্ক করেছিল যে, এতে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং টিকাদান কর্মসূচি ধসে পড়বে। ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বলেছিলেন, “For God’s sake… don’t… এই পরিবর্তনের ফলে টিকার স্টক শেষ হয়ে যায়, ক্রয়ে বিলম্ব ঘটে এবং ২০২৬ সালে দেশব্যাপী হাম (measles) প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এতে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলার আবেদনও জমা পড়েছে। শফিকুল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে অনেকে রাজনৈতিক প্রতিরক্ষা হিসেবে দেখছেন, কারণ তিনি ইউনূস সরকারের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দুর্নীতির সহায়ক বলে অভিহিত করায় বিতর্ক আরও
বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “এমন প্রায়ই দেখা গেছে, যখনই ইউনূস সরকার বেকায়দায় পড়েছে, আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজেদের পিঠ বাঁচিয়েছে। ক্ষমতা ছাড়ার তিন মাস পরেও একই ধারা অব্যাহত রেখেছে ড. ইউনূসের কিচেন ক্যাবিনেট।” আওয়ামী লীগ এ ধরনের অভিযোগকে গুজব ও মিথ্যাচার বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছে, ইউনূস সরকারের টিকা নীতির কারণেই সংকট তৈরি হয়েছে। হু ও ইউনিসেফের তথ্যই বলে দিচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের আমলে শিশুদের টিকা কর্মসূচি কতটা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। এর জন্য আলাদা কোনো তথ্য-প্রমাণের প্রয়োজন নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিনের প্রমাণিত ইউনিসেফ-গ্যাভি চ্যানেল পরিবর্তন না করে স্বচ্ছতার সঙ্গে উন্নয়নের পরামর্শ দিয়েছেন। ইউনিসেফও তাদের সতর্কবার্তা ও সহায়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
করেননি। দায়িত্বে ছাড়ার তিন মাস পরে তিনি বলছেন, আওয়ামী লীগের টিকা ক্রয় দুর্নীতির সঙ্গে ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং গ্যাভি (Gavi)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও জড়িত ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে সাধারণ দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ব্যাপক অভিযোগ তুলেছিল বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের অর্থায়নে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিতর্কিত ও ভুল তথ্যে ভরা দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই শ্বেতপত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ২০০৯-২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি করা হয়। তবে শ্বেতপত্রের মতো, এবারও টিকা ক্রয়ে উল্লেখিত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচারের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি ইউনূসের সাবেক এই সরকারি মুখপাত্র। প্রায় দেড়
বছর ক্ষমতায় থেকেও শুধু মুখে মুখে অভিযোগ করা ছাড়া এত বড় দুর্নীতির কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ইউনিসেফ ও গ্যাভির মাধ্যমে পরিচালিত হতো, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বীকৃত ছিল। এর মাধ্যমে টিকাদানের কভারেজ হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। বাংলাদেশের ইপিআই কর্মসূচি সারা বিশ্বে টিকাপ্রদানের একটি সফল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত ছিল। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২০-২০২১ সালের করোনা মহামারিতে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের আগেই বাংলাদেশে সারা দেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা ক্রয় বন্ধ করে ওপেন টেন্ডার পদ্ধতিতে স্থানান্তর করে। ইউনিসেফ এই
সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সতর্ক করেছিল যে, এতে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং টিকাদান কর্মসূচি ধসে পড়বে। ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বলেছিলেন, “For God’s sake… don’t… এই পরিবর্তনের ফলে টিকার স্টক শেষ হয়ে যায়, ক্রয়ে বিলম্ব ঘটে এবং ২০২৬ সালে দেশব্যাপী হাম (measles) প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এতে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলার আবেদনও জমা পড়েছে। শফিকুল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে অনেকে রাজনৈতিক প্রতিরক্ষা হিসেবে দেখছেন, কারণ তিনি ইউনূস সরকারের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দুর্নীতির সহায়ক বলে অভিহিত করায় বিতর্ক আরও
বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “এমন প্রায়ই দেখা গেছে, যখনই ইউনূস সরকার বেকায়দায় পড়েছে, আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজেদের পিঠ বাঁচিয়েছে। ক্ষমতা ছাড়ার তিন মাস পরেও একই ধারা অব্যাহত রেখেছে ড. ইউনূসের কিচেন ক্যাবিনেট।” আওয়ামী লীগ এ ধরনের অভিযোগকে গুজব ও মিথ্যাচার বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছে, ইউনূস সরকারের টিকা নীতির কারণেই সংকট তৈরি হয়েছে। হু ও ইউনিসেফের তথ্যই বলে দিচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের আমলে শিশুদের টিকা কর্মসূচি কতটা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। এর জন্য আলাদা কোনো তথ্য-প্রমাণের প্রয়োজন নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিনের প্রমাণিত ইউনিসেফ-গ্যাভি চ্যানেল পরিবর্তন না করে স্বচ্ছতার সঙ্গে উন্নয়নের পরামর্শ দিয়েছেন। ইউনিসেফও তাদের সতর্কবার্তা ও সহায়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।



