ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টার: বাণিজ্যের সঙ্গে সাংস্কৃতিক বন্ধন
বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ইরান
মামদানির স্ত্রীর সঙ্গে বাদানুবাদ, মিস ইসরাইলকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়
সন্তান নিতে ওপেনএআইয়ের সাবেক উপদেষ্টাকে শুক্রাণু দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মাস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমানবহরে ৪ জুলাই যুক্ত হতে পারে কাতারের উপহারের উড়োজাহাজ
সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার মারা গেছেন
শুভেন্দুকে হাসিনার ‘বিশেষ অভিনন্দন’: পর্দার আড়ালে কি তবে ইন্দো-বাংলা নতুন সমীকরণ?
রাজনীতির দাবার চালে সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে এমন কিছু খেলা চলে, যার প্রভাব সীমান্ত ছাড়িয়ে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পর্কেও ঢেউ তোলে। পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যখন শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করল, তার ঠিক ৬ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ‘বিশেষ অভিনন্দন’ বার্তাটি এখন দুই বাংলার রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল। বাংলাদেশে ধরপাকড় শুরু হলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্ত পার হয়ে পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিত এমন গোয়েন্দা তথ্য বারবার সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে,
এই প্রক্রিয়ায় তৃণমূলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল। দুই বাংলার আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে স্বর্ণ ও গরু চোরাচালান ইস্যু। অভিযোগ আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে জামায়াতে ইসলামীর একটি গোপন ‘সেটিং’ গড়ে উঠেছিল। এই অবৈধ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক লেনদেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ২০১৯ সালে ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশ-ভারত গোলাপি বলের টেস্ট ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। দৃশ্যত খেলা দেখা হলেও, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তিস্তা চুক্তি এবং জামায়াত ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নমনীয় করা। কিন্তু সেই ব্যক্তিগত আলোচনাতেও মমতা নিজের অবস্থান থেকে সরেননি। যা ঢাকা ও কলকাতার দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারবিরোধী আন্দোলনের
সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য’ এবং মমতার অনুসারীদের রাজপথে নামার ঘটনাকে ভালো চোখে দেখেনি আওয়ামী লীগ সরকার। অন্যদিকে, দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কলকাতায় মমতার পতনের সময় তাঁদেরই জোটসঙ্গী কংগ্রেসের নীরবতা এবং রাহুল গান্ধীর কড়া বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও মমতা এখন একা। শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী করার পেছনে বিজেপির যেমন অভ্যন্তরীণ কৌশল রয়েছে, তেমনি সীমান্তের ওপার থেকেও একটি অদৃশ্য সমর্থন স্পষ্ট। শুভেন্দু অধিকারীকে শেখ হাসিনার ‘বিশেষভাবে অভিনন্দন’ জানানোর বিষয়টি নিছক সৌজন্য নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের ‘মমতা-জামায়াত’ আঁতাতের বিরুদ্ধে একটি কূটনৈতিক পাল্টা চাল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই প্রেস রিলিজে ‘শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ’ শব্দবন্ধটি সাধারণ কোনো বাক্যাংশ নয়। এটি ইন্দো-বাংলা ভূ-রাজনীতির সেই
পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ নির্মূল এবং সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। রাজনীতির এই জটিল খেলা যারা বোঝেন, তাঁদের জন্য এই একটি অভিনন্দন বার্তাই আগামীর অনেক সমীকরণ পরিষ্কার করে দেয়।
এই প্রক্রিয়ায় তৃণমূলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল। দুই বাংলার আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে স্বর্ণ ও গরু চোরাচালান ইস্যু। অভিযোগ আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে জামায়াতে ইসলামীর একটি গোপন ‘সেটিং’ গড়ে উঠেছিল। এই অবৈধ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক লেনদেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ২০১৯ সালে ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশ-ভারত গোলাপি বলের টেস্ট ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। দৃশ্যত খেলা দেখা হলেও, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তিস্তা চুক্তি এবং জামায়াত ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নমনীয় করা। কিন্তু সেই ব্যক্তিগত আলোচনাতেও মমতা নিজের অবস্থান থেকে সরেননি। যা ঢাকা ও কলকাতার দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারবিরোধী আন্দোলনের
সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য’ এবং মমতার অনুসারীদের রাজপথে নামার ঘটনাকে ভালো চোখে দেখেনি আওয়ামী লীগ সরকার। অন্যদিকে, দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কলকাতায় মমতার পতনের সময় তাঁদেরই জোটসঙ্গী কংগ্রেসের নীরবতা এবং রাহুল গান্ধীর কড়া বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও মমতা এখন একা। শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী করার পেছনে বিজেপির যেমন অভ্যন্তরীণ কৌশল রয়েছে, তেমনি সীমান্তের ওপার থেকেও একটি অদৃশ্য সমর্থন স্পষ্ট। শুভেন্দু অধিকারীকে শেখ হাসিনার ‘বিশেষভাবে অভিনন্দন’ জানানোর বিষয়টি নিছক সৌজন্য নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের ‘মমতা-জামায়াত’ আঁতাতের বিরুদ্ধে একটি কূটনৈতিক পাল্টা চাল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই প্রেস রিলিজে ‘শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ’ শব্দবন্ধটি সাধারণ কোনো বাক্যাংশ নয়। এটি ইন্দো-বাংলা ভূ-রাজনীতির সেই
পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ নির্মূল এবং সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। রাজনীতির এই জটিল খেলা যারা বোঝেন, তাঁদের জন্য এই একটি অভিনন্দন বার্তাই আগামীর অনেক সমীকরণ পরিষ্কার করে দেয়।



