ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নগ্ন ভিডিও করে চাঁদা দাবি, পুলিশের ফাঁদে যুবক
প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে তনু হত্যা মামলার জট খুলছে
অভিনব কায়দায় চোরের চাঁদা দাবি!
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জলাশয়ে মিলল রোহিঙ্গা গৃহবধূর নিথর দেহ
ছিনতাইয়ের তদন্তে গিয়ে পুলিশের শর্টগান ছিনতাই
মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো
১২ দিন পার হলেও মেলেনি হদিস: বাঁশখালীতে একই মাদ্রাসার দুই ছাত্রের অন্তর্ধান নিয়ে জনমনে আতঙ্ক
চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ কর্মী গ্রেপ্তার, ‘পুলিশের বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট’ বদলের দাবি
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানার নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটি রেস্তোরাঁয় আহাররত অবস্থায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
৩রা মে, রোববার রাত ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নেতাকর্মীরা অধিকাংশই সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলার বাসিন্দা।
চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, অভিযুক্তরা ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষ্যে ‘গোপন বৈঠকে’ মিলিত হয়েছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য,
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত মাত্র কয়েকজন। তারা সবাই পরস্পরের পরিচিত এবং আত্মীয়-স্বজন, ভাই-বন্ধু। মূলত রেস্তোরাঁয় মেজবান খাওয়ার জন্যই তারা একত্রিত হয়েছিলেন। পুলিশ আসলে মামলা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই এসব গ্রেপ্তার অভিযানের নাটক সাজাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবলীগের একজন নেতা বলেন, কোনো প্ল্যাটফর্ম গঠনের জন্য ‘গোপন বৈঠক’ করতে হলে কেউ রেস্তোরাঁয় প্রকাশ্যে গিয়ে বসে? পুলিশের উচিৎ তাদের এসব বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করা। পুলিশের দাবি, সম্প্রতি নগরের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল ও সাংগঠনিক তৎপরতা বেড়ে যায়। গত ২৫শে এপ্রিল পলোগ্রাউন্ড, ও আর নিজাম রোড ও কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় পৃথক মিছিলের ঘটনা ঘটে। এর আগেও অনন্যা আবাসিক এলাকা ও আউটার
রিং রোডে মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি জোরদার করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত মাত্র কয়েকজন। তারা সবাই পরস্পরের পরিচিত এবং আত্মীয়-স্বজন, ভাই-বন্ধু। মূলত রেস্তোরাঁয় মেজবান খাওয়ার জন্যই তারা একত্রিত হয়েছিলেন। পুলিশ আসলে মামলা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই এসব গ্রেপ্তার অভিযানের নাটক সাজাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবলীগের একজন নেতা বলেন, কোনো প্ল্যাটফর্ম গঠনের জন্য ‘গোপন বৈঠক’ করতে হলে কেউ রেস্তোরাঁয় প্রকাশ্যে গিয়ে বসে? পুলিশের উচিৎ তাদের এসব বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করা। পুলিশের দাবি, সম্প্রতি নগরের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল ও সাংগঠনিক তৎপরতা বেড়ে যায়। গত ২৫শে এপ্রিল পলোগ্রাউন্ড, ও আর নিজাম রোড ও কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় পৃথক মিছিলের ঘটনা ঘটে। এর আগেও অনন্যা আবাসিক এলাকা ও আউটার
রিং রোডে মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি জোরদার করে।



