ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে তিন দিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন ৪ সেপ্টেম্বর
নিউ ইয়র্কে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে জামাইকা মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রতিবাদে স্টেট ডিপার্টমেন্টে স্মারকলিপি প্রদান করলো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ
যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা কমিটির সভায় ইউনুসকে গ্রেফতার দাবি
৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা শুরু ২২ মে
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার
ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: জামিল লিমনের লাশ উদ্ধার, নাহিদা বৃষ্টির মৃত্যু নিশ্চিত
নিউইয়র্কে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে মানববন্ধন: বাংলাদেশে আটক সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে প্রবাসী গণমাধ্যমকর্মীরা মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। বাংলাদেশে আটক সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয় এই কর্মসূচি থেকে।
সমাবেশের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আসন্ন ঈদুল আযহার আগেই জেলে আটক সাংবাদিকদের মুক্তি ও অন্যান্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
রোববার (৩ মে) বিকেলে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ‘নিউইয়র্ক জার্নালিস্ট কমিউনিটি’র ব্যানারে অংশ নেন প্রবাসী সাংবাদিকরা। র্যালির সামনে প্রদর্শিত ব্যানারে প্রবীণ সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের এমডি সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু এবং সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা
রুপা ও শাকিল আহমেদ-এর ছবি স্থান পায়। সেখানে লেখা ছিল— “Free all imprisoned journalists of Bangladesh, withdraw false cases and stop harassment against journalists.” সাংবাদিক পিনাকি তালুকদার-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন। ফরিদা ইয়াসমিন তার বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভিন্নমতের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের, সিনিয়র সাংবাদিকদের আটক এবং অন্যান্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, পাসপোর্ট আটক করে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিককে বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া
হয়েছে। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। ফরিদা ইয়াসমিন অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং তারাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানান। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানার সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব ও দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার এবং দ্য ভয়েস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, বাপসনিউজের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ, সাপ্তাহিক জাগো প্রহরীর সম্পাদক লাভলু আনসার এবং আইবিএননিউজ২৪.কম-এর প্রধান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংবাদিক মুজাহিদুল ইসলাম আনসারি
বক্তব্য রাখেন। এসময় আরও বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হোসনে আরা, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক আকতার হোসেন, জিএম হীরক প্রমুখ। এই কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও দ্য ভয়েস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ। শাবান মাহমুদ বলেন, দেশে মিডিয়া হাউস দখল, শত শত সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা এবং দুই শতাধিক সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিলের মতো ঘটনা ঘটছে, যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি। তিনি আসন্ন ঈদুল আযহার আগেই জেলে আটক সাংবাদিকদের মুক্তি ও অন্যান্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাজ্জাদ হোসেন সবুজ বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাংলাদেশে সাংবাদিকদের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার
এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানান। প্রবীণ সাংবাদিক এম ফজলুর রহমান মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন মুক্ত গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ছাড়া কোন দেশেই গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী ও বিকশিত হতে পারেনা। তিনি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধে সাংবাদিক সমাজের সোচ্চার হওয়া এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। সিনিয়র সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারী বলেন, গত দুই বছরে প্যালেস্টাইনের গাজায় সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক নিহত হলেও এই সময়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি
সাংবাদিক গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। র্যালিতে অংশ নেন প্রজ্ঞা সম্পাদক উত্তম সাহা, সাংবাদিক শাহ ফারুক রহমান, শিব্বির আহমেদ, দ্বীপক আচার্য, শামিমা দোলা, ওয়াসিউর রহমান ইমন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নুসহ অনেকে।
রুপা ও শাকিল আহমেদ-এর ছবি স্থান পায়। সেখানে লেখা ছিল— “Free all imprisoned journalists of Bangladesh, withdraw false cases and stop harassment against journalists.” সাংবাদিক পিনাকি তালুকদার-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন। ফরিদা ইয়াসমিন তার বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভিন্নমতের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের, সিনিয়র সাংবাদিকদের আটক এবং অন্যান্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, পাসপোর্ট আটক করে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিককে বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া
হয়েছে। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। ফরিদা ইয়াসমিন অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং তারাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানান। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানার সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব ও দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার এবং দ্য ভয়েস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, বাপসনিউজের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ, সাপ্তাহিক জাগো প্রহরীর সম্পাদক লাভলু আনসার এবং আইবিএননিউজ২৪.কম-এর প্রধান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংবাদিক মুজাহিদুল ইসলাম আনসারি
বক্তব্য রাখেন। এসময় আরও বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হোসনে আরা, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক আকতার হোসেন, জিএম হীরক প্রমুখ। এই কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও দ্য ভয়েস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ। শাবান মাহমুদ বলেন, দেশে মিডিয়া হাউস দখল, শত শত সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা এবং দুই শতাধিক সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিলের মতো ঘটনা ঘটছে, যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি। তিনি আসন্ন ঈদুল আযহার আগেই জেলে আটক সাংবাদিকদের মুক্তি ও অন্যান্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাজ্জাদ হোসেন সবুজ বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাংলাদেশে সাংবাদিকদের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার
এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানান। প্রবীণ সাংবাদিক এম ফজলুর রহমান মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন মুক্ত গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ছাড়া কোন দেশেই গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী ও বিকশিত হতে পারেনা। তিনি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধে সাংবাদিক সমাজের সোচ্চার হওয়া এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। সিনিয়র সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারী বলেন, গত দুই বছরে প্যালেস্টাইনের গাজায় সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক নিহত হলেও এই সময়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি
সাংবাদিক গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। র্যালিতে অংশ নেন প্রজ্ঞা সম্পাদক উত্তম সাহা, সাংবাদিক শাহ ফারুক রহমান, শিব্বির আহমেদ, দ্বীপক আচার্য, শামিমা দোলা, ওয়াসিউর রহমান ইমন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নুসহ অনেকে।



