ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল
১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইমাম আটক
অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, নিয়ে গেছে মোবাইল-টাকা
ইয়াবা সেবনের আসরে যুবককে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোনায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী
মুক্তিপণের জন্য অপহরণের পর একে একে শিশুহত্যা, ফিরিয়ে এনেছে নব্বই দশকের আতঙ্ক
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গতকাল ১৩ই জুন, শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি ও পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে
জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী হিমেল বলেন, এ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী হিমেল বলেন, এ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



