ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কাপড় বদলানোর সময় শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
ধীপ্রার মৃত্যুর জন্য দায়ী ও হত্যা ধামাচাপা দেওয়া কুশীলবদের দেশ ছাড়ার চেষ্টা
খুলনায় মসজিদে ঢুকে অস্ত্রধারীদের গুলি: আইএসআই-এর ফর্মুলায় পাকিস্তানের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ?
কাজ না করেই ১২ কোটি টাকা তুলে নিল ঠিকাদার, জড়িত এলজিইডির দুই প্রকৌশলী
দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক
নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার
বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা
বেড়িবাঁধ কাটা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বেড়িবাঁধ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মৌকরন বাজারসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় দুমকি উপজেলার কার্তিকপাশা ও সদর উপজেলার মৌকরন গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০৮ সালে মৌকরন ইউনিয়নের বাজারসংলগ্ন পায়রা নদীর একটি শাখা খালের মুখে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের পর থেকে মৌকরন খাল ও এর শাখা খালগুলোর স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এর ফলে প্রায় ১০টি গ্রামের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং প্রতি বছর ফসলের ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতি হয়। অন্যদিকে দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ওই বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর থেকে তারা পায়রা নদীর তীব্র স্রোত, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই সুরক্ষা পাচ্ছেন। তাই তারা বাঁধটি বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। মৌকরন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের (হক শিকদার) ছেলে মনিরুজ্জামান কুট্টি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতায় কৃষকরা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভিন্ন সময় মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসনের পরামর্শে গ্রামবাসীর অর্থায়নে বাঁধ অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার ভেকু মেশিন দিয়ে বাঁধ কাটার কাজ শুরু করলে অপরপক্ষ বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি দাবি করেন,
এ ঘটনায় রাকিব (১৮), শাহাদাত হোসেন (২৫) ও ইছা আকনসহ (৩৫) ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে কার্তিকপাশা গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন মাহামুদ বলেন, বেড়িবাঁধটি নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাচ্ছি; কিন্তু কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে বাঁধ কাটার উদ্যোগ নিয়েছেন। শনিবার বিকালে তারা ভেকু মেশিন দিয়ে বাঁধ কাটতে শুরু করলে আমরা কারণ জানতে চাই। এ সময় আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তার দাবি, সংঘর্ষে স্কুলশিক্ষক সোহরাফ হোসেন (৫২), নেছার (৩০), মাসুদ প্যাদা (৪৫) ও জাকির সরদারসহ (৪৫) ৭-১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আপাতত বাঁধ কাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। দুমকি থানার
ওসি মো. সেলিম উদ্দীন বলেন, বেড়িবাঁধ কাটাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বাঁধ কাটা বা না কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে। আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ক্ষয়ক্ষতি হয়। অন্যদিকে দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ওই বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর থেকে তারা পায়রা নদীর তীব্র স্রোত, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই সুরক্ষা পাচ্ছেন। তাই তারা বাঁধটি বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। মৌকরন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের (হক শিকদার) ছেলে মনিরুজ্জামান কুট্টি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতায় কৃষকরা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভিন্ন সময় মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসনের পরামর্শে গ্রামবাসীর অর্থায়নে বাঁধ অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার ভেকু মেশিন দিয়ে বাঁধ কাটার কাজ শুরু করলে অপরপক্ষ বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি দাবি করেন,
এ ঘটনায় রাকিব (১৮), শাহাদাত হোসেন (২৫) ও ইছা আকনসহ (৩৫) ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে কার্তিকপাশা গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন মাহামুদ বলেন, বেড়িবাঁধটি নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাচ্ছি; কিন্তু কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে বাঁধ কাটার উদ্যোগ নিয়েছেন। শনিবার বিকালে তারা ভেকু মেশিন দিয়ে বাঁধ কাটতে শুরু করলে আমরা কারণ জানতে চাই। এ সময় আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তার দাবি, সংঘর্ষে স্কুলশিক্ষক সোহরাফ হোসেন (৫২), নেছার (৩০), মাসুদ প্যাদা (৪৫) ও জাকির সরদারসহ (৪৫) ৭-১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আপাতত বাঁধ কাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। দুমকি থানার
ওসি মো. সেলিম উদ্দীন বলেন, বেড়িবাঁধ কাটাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বাঁধ কাটা বা না কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে। আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



