ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে শিল্পী-জনতার সমাবেশ: ধর্ষণ ও শিশু হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
রাস্তা থেকে ধরে ইটভাটায় নিয়ে পথশিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবককে গণপিটুনি
ঢাকার রাস্তায় এআই ক্যামেরা, কতটা কাজে দিচ্ছে
কক্সবাজার আদালত চত্বরে গুলিবিদ্ধ ২
সোমবার ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
মিরপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, বিএনপির নেতাকর্মীসহ আসামি শতাধিক
চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভবন ঘেরাও জনতার
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জলাশয়ে মিলল রোহিঙ্গা গৃহবধূর নিথর দেহ
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আবারও রহস্যময় মৃত্যু।
গত ২৯শে এপ্রিল, বুধবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ থাকার ১২ ঘন্টা পর গতকাল ৩০শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পের পাশের একটি জলাশয় থেকে মরজান বেগম (৩৩) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বোরকা পরিহিত অবস্থায় পানিতে ভাসমান এই নিথর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও রহস্য দানা বেঁধেছে।
গতকাল ৩০শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উখিয়ার তাজনিমারখোলা (ক্যাম্প-২০ বর্ধিত) আশ্রয়শিবিরের এস-৪ ও বি-৭ ব্লকের মাঝামাঝি এলাকায় কয়েকজন রোহিঙ্গা বাসিন্দা জলাশয়ে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ১৪ এপিবিএনের ওয়ালাপালং পুলিশ ফাঁড়ির একটি টহল দল। পরে স্থানীয় নারীদের সহায়তায় মরদেহটি জল
থেকে ডাঙায় তুলে আনা হয়। নিহত মরজান বেগম বালুখালী ক্যাম্প-১৯ এর বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের মেয়ে। দীর্ঘ ১০ বছর আগে হাশেম উল্লাহর সাথে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সারারাত অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি, অবশেষে সকালে মিলল তার মরদেহ। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে ক্যাম্প কমান্ডার (এএসপি) আবু হানিফ বলেন, “মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ক্যাম্পেরই বাসিন্দা। কীভাবে তিনি জলাশয়ে এলেন তা আমরা খতিয়ে দেখছি।” ওসি, উখিয়া থানা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো অস্পষ্ট। রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে
পাঠানো হয়েছে।” বিকেলে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি কি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই এই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্যের জট খুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
থেকে ডাঙায় তুলে আনা হয়। নিহত মরজান বেগম বালুখালী ক্যাম্প-১৯ এর বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের মেয়ে। দীর্ঘ ১০ বছর আগে হাশেম উল্লাহর সাথে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সারারাত অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি, অবশেষে সকালে মিলল তার মরদেহ। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে ক্যাম্প কমান্ডার (এএসপি) আবু হানিফ বলেন, “মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ক্যাম্পেরই বাসিন্দা। কীভাবে তিনি জলাশয়ে এলেন তা আমরা খতিয়ে দেখছি।” ওসি, উখিয়া থানা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো অস্পষ্ট। রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে
পাঠানো হয়েছে।” বিকেলে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি কি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই এই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্যের জট খুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



