ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত!
নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু
দেশের জন্য সতর্কবার্তা
৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ শূন্য, নিয়োগ হচ্ছে না যেসব কারণে
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগোল সরকার
হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা
বাংলাদেশে চলমান হাম মহামারীতে শিশুমৃত্যুর সরকারি হিসাব অনেক কম বলে আশঙ্কা করছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। বেসরকারি পিআইসিইউ (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) গুলোর তথ্য বিবেচনায় আনলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের অন্তত ৩-৪ গুণ বেশি হতে পারে।
তবে মৃত্যুর চেয়েও ভয়ঙ্কর চিত্র দেখা দিতে পারে বেঁচে যাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, যেসব শিশু হাম থেকে বেঁচে ফিরছে, তাদের অনেকের মধ্যে আগামী বছরগুলোয় গুরুতর নিউরোলজিক্যাল জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে আতঙ্কের নাম এসএসপিই (SSPE – Subacute Sclerosing Panencephalitis), যা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত একটি বিরল কিন্তু প্রায় মারাত্মক রোগ।
বেসরকারি হাসপাতালের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডি ডাইজেস্ট-কে বলেন, “হাম
পরবর্তী নিউমোনিয়া ও সেপ্টিসেমিয়া (রক্তে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া) অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। আমি নিজেই আমার পিআইসিইউ-তে ৪ জন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেছি।” তিনি আরও জানান, বেশিরভাগ আক্রান্ত শিশুকেই হাসপাতালে ভর্তি করা যাচ্ছে না। সিটের অভাবে অনেক শিশু রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যারা কোনোভাবে বেসরকারি হাসপাতাল বা আইসিইউতে ভর্তি হচ্ছে, তাদের পরিবারকে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পকেট একেবারে ফাঁকা করতে হচ্ছে। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও বলেন, “যারা বেঁচে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে অনেকেরই আগামী বছরগুলোয় নিউরোলজিক্যাল জটিলতা দেখা দেবে। রোগটির নাম এসএসপিই। মহামারী এখানেই শেষ নয়। যেসব বাচ্চা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে যাচ্ছে, তারাও ভবিষ্যতে মস্তিষ্কজনিত বিকলাঙ্গতায় ভুগবে।” এসএসপিই সাধারণত হাম আক্রান্ত হওয়ার কয়েক বছর পর
প্রকাশ পায় এবং এতে শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা, চলাফেরা, কথা বলা ও শরীরের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসা খুবই সীমিত এবং রোগটি প্রায়শই প্রাণঘাতী। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের টিকাদান কর্মসূচিতে অব্যবস্থাপনা, পুষ্টিহীনতা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার চাপের কারণে এই মহামারী শিশুদের শুধু বর্তমান নয়, আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো বেঁচে যাওয়া শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি নিউরোলজিক্যাল ঝুঁকি নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা সতর্কতা জারি করেনি।
পরবর্তী নিউমোনিয়া ও সেপ্টিসেমিয়া (রক্তে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া) অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। আমি নিজেই আমার পিআইসিইউ-তে ৪ জন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেছি।” তিনি আরও জানান, বেশিরভাগ আক্রান্ত শিশুকেই হাসপাতালে ভর্তি করা যাচ্ছে না। সিটের অভাবে অনেক শিশু রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যারা কোনোভাবে বেসরকারি হাসপাতাল বা আইসিইউতে ভর্তি হচ্ছে, তাদের পরিবারকে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পকেট একেবারে ফাঁকা করতে হচ্ছে। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও বলেন, “যারা বেঁচে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে অনেকেরই আগামী বছরগুলোয় নিউরোলজিক্যাল জটিলতা দেখা দেবে। রোগটির নাম এসএসপিই। মহামারী এখানেই শেষ নয়। যেসব বাচ্চা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে যাচ্ছে, তারাও ভবিষ্যতে মস্তিষ্কজনিত বিকলাঙ্গতায় ভুগবে।” এসএসপিই সাধারণত হাম আক্রান্ত হওয়ার কয়েক বছর পর
প্রকাশ পায় এবং এতে শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা, চলাফেরা, কথা বলা ও শরীরের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসা খুবই সীমিত এবং রোগটি প্রায়শই প্রাণঘাতী। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের টিকাদান কর্মসূচিতে অব্যবস্থাপনা, পুষ্টিহীনতা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার চাপের কারণে এই মহামারী শিশুদের শুধু বর্তমান নয়, আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো বেঁচে যাওয়া শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি নিউরোলজিক্যাল ঝুঁকি নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা সতর্কতা জারি করেনি।



