ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিস্ফোরক তাপস বৈশ্য: বিসিবিতে কি চলতো ‘রাজা-প্রজা’ শাসন?
প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪৮ রান
মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে— হারের পর মিরাজ
জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য বিসিবির প্রিভিলেজ কার্ড
সাকিবকে দেশে এনে অবসরে যেতে বাধ্য করতে চেয়েছিলো আসিফ মাহমুদ
বিশ্বকাপের দর্শকদের যাতায়াত খরচ ফিফাকে দেওয়ার দাবি মার্কিন নেতার
শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে!
নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার নাথান স্মিথ জানিয়েছেন যে, শুক্রবার মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওডিআইতে নিজেদের ব্যাটিং কৌশল ঠিক করতে তারা বাংলাদেশি পেসার শরীফুল ইসলামের শুরুর স্পেলটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া ব্ল্যাক ক্যাপসরা স্বাগতিকদের ২৬ রানে পরাজিত করে। স্মিথ উল্লেখ করেন যে, শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শরীফুলের শুরুর বোলিং ছিল তাদের জন্য অন্যতম প্রধান রেফারেন্স।
সোমবারের দ্বিতীয় ওডিআই-এর আগে রবিবার সাংবাদিকদের স্মিথ বলেন, মাঠের ভেতরকার যোগাযোগ নিউজিল্যান্ডকে মিরপুরের উইকেটের ধরন দ্রুত বুঝতে সাহায্য করেছে।
তিনি বলেন, ‘সবকিছুই এসেছে প্রথম ইনিংসে ব্যাটারদের দেওয়া তথ্যের মাধ্যমে। উইকেটের আচরণ সম্পর্কে আমরা নিয়মিত খবর পাচ্ছিলাম এবং বাইরে থেকেও তা দেখতে পাচ্ছিলাম।’
তিনি
আরও যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় শরীফুলের প্রথম বলটি নিচু হয়েছিল এবং নিকোলস প্রায় বোল্ড হয়ে যাচ্ছিলেন। তাই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম শরীফুল যে লেংথে বল করছিলেন, আমাদেরও সেই লেংথেই বল করতে হবে। আমরা কেবল দীর্ঘ সময় ধরে সেটি বজায় রাখার চেষ্টা করেছি যেন স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করা যায়।’ শরীফুল তার ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে দারুণ প্রভাব ফেলেছিলেন। তার বোলিংয়ে উইকেটের অসমান বাউন্স নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের পুরো ইনিংস জুড়ে সতর্ক থাকতে বাধ্য করেছিল। স্মিথ স্বীকার করেন যে, বলের অপ্রত্যাশিত আচরণের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়েই কিছুটা ভিন্নধর্মী বাউন্স ছিল। পরবর্তীতে আপনারা দেখেছেন
টিকনার কিছু স্লোয়ার বল করেছিলেন যা উইকেটে পড়ে আরও ধীর হয়ে যাচ্ছিল।’ তিনি আরও জানান, ‘তাই বোলারদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করাটা জরুরি ছিল এবং আমরা দীর্ঘ সময় স্টাম্পের লাইনে বল করতে পেরেছিলাম, যা আমাদের সফল করেছে।’ দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় অনুপস্থিত থাকলেও, স্মিথ এই সফরকে দলের গভীরতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন, বিশেষ করে উপমহাদেশের কঠিন কন্ডিশনে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটি একটি বড় বিষয়। বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নেমেছে এবং নিউজিল্যান্ডের দল হিসেবে আমরা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গর্ববোধ করি।’ স্মিথ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে বর্তমানে আমাদের ব্যাক-আপ খেলোয়াড়দের শক্ত অবস্থান রয়েছে। পূর্ণ শক্তির দলের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের এখানে এনে এই ধরনের
কন্ডিশনের মুখোমুখি করা এবং তাদের ভালো করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাদের অনেক আত্মবিশ্বাস জোগাবে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, সিরিজের প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স দলের অভিযোজন ক্ষমতারই প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘এখানে এসে বাংলাদেশকে চাপের মুখে ফেলাটা সত্যিই আনন্দের ছিল। তাই এই সিরিজ জয় আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে।’
আরও যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় শরীফুলের প্রথম বলটি নিচু হয়েছিল এবং নিকোলস প্রায় বোল্ড হয়ে যাচ্ছিলেন। তাই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম শরীফুল যে লেংথে বল করছিলেন, আমাদেরও সেই লেংথেই বল করতে হবে। আমরা কেবল দীর্ঘ সময় ধরে সেটি বজায় রাখার চেষ্টা করেছি যেন স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করা যায়।’ শরীফুল তার ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে দারুণ প্রভাব ফেলেছিলেন। তার বোলিংয়ে উইকেটের অসমান বাউন্স নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের পুরো ইনিংস জুড়ে সতর্ক থাকতে বাধ্য করেছিল। স্মিথ স্বীকার করেন যে, বলের অপ্রত্যাশিত আচরণের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়েই কিছুটা ভিন্নধর্মী বাউন্স ছিল। পরবর্তীতে আপনারা দেখেছেন
টিকনার কিছু স্লোয়ার বল করেছিলেন যা উইকেটে পড়ে আরও ধীর হয়ে যাচ্ছিল।’ তিনি আরও জানান, ‘তাই বোলারদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করাটা জরুরি ছিল এবং আমরা দীর্ঘ সময় স্টাম্পের লাইনে বল করতে পেরেছিলাম, যা আমাদের সফল করেছে।’ দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় অনুপস্থিত থাকলেও, স্মিথ এই সফরকে দলের গভীরতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন, বিশেষ করে উপমহাদেশের কঠিন কন্ডিশনে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটি একটি বড় বিষয়। বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নেমেছে এবং নিউজিল্যান্ডের দল হিসেবে আমরা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গর্ববোধ করি।’ স্মিথ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে বর্তমানে আমাদের ব্যাক-আপ খেলোয়াড়দের শক্ত অবস্থান রয়েছে। পূর্ণ শক্তির দলের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের এখানে এনে এই ধরনের
কন্ডিশনের মুখোমুখি করা এবং তাদের ভালো করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাদের অনেক আত্মবিশ্বাস জোগাবে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, সিরিজের প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স দলের অভিযোজন ক্ষমতারই প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘এখানে এসে বাংলাদেশকে চাপের মুখে ফেলাটা সত্যিই আনন্দের ছিল। তাই এই সিরিজ জয় আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে।’



