ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপের দর্শকদের যাতায়াত খরচ ফিফাকে দেওয়ার দাবি মার্কিন নেতার
২০ মাসে ফাহিমের বিদেশ সফরের পেছনেই বিসিবির খরচ প্রায় ৪১ লাখ টাকা
‘ খেলা’ কমিয়ে দিলো দুই দেশের বৈরি সম্পর্ক
নারী বিশ্বকাপে থাকছে রেকর্ড প্রাইজমানি
ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়: অপু বিশ্বাস
বিশ্বকাপের আগে তিন দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা
সাকিবকে দেশে এনে অবসরে যেতে বাধ্য করতে চেয়েছিলো আসিফ মাহমুদ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান-কে দেশে ফিরিয়ে এনে একটি ম্যাচের মাধ্যমে অবসরে যেতে বাধ্য করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। তবে তার অভিযোগ, সাকিব সেই সুযোগ গ্রহণ না করে রাজনীতিকে বেছে নিয়েছেন।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি সাকিবকে দেশে এনে একটি ম্যাচের মাধ্যমে অবসর দেওয়ার। কিন্তু সে সেই পথ না নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতিকে বেছে নিয়েছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, সরকার পক্ষ থেকে সাকিবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও চলমান বিতর্কের কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি।
অন্যদিকে সাকিব আল হাসানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে
ভিন্নধর্মী আলোচনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর মতে, সাকিব রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। দলটির সমর্থক মহলে দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তাকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয়েছে এবং তার ক্যারিয়ার নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছিল। তবুও তিনি দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি এবং বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে সরব থেকেছেন। যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতাকর্মীদের দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রত্ন চিনতে ভুল করেননি। বিশ্লেষকদের মতে, সাকিব আল হাসানের বিদায় ইস্যু এখন কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজনৈতিক বিতর্কের অংশে পরিণত
হয়েছে। ফলে দেশের ক্রীড়া ও রাজনীতির সংযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ভিন্নধর্মী আলোচনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর মতে, সাকিব রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। দলটির সমর্থক মহলে দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তাকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয়েছে এবং তার ক্যারিয়ার নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছিল। তবুও তিনি দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি এবং বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে সরব থেকেছেন। যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতাকর্মীদের দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রত্ন চিনতে ভুল করেননি। বিশ্লেষকদের মতে, সাকিব আল হাসানের বিদায় ইস্যু এখন কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজনৈতিক বিতর্কের অংশে পরিণত
হয়েছে। ফলে দেশের ক্রীড়া ও রাজনীতির সংযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।



