ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মহামারিতে পরিণত হাম পরিস্থিতি, সন্নিকটে মানবিক বিপর্যয়
নববর্ষ কবে থেকে শুরু ও বাংলা মাসের নামকরণ কীভাবে হলো
বৈশাখের শোভাযাত্রা
পহেলা বৈশাখে বৃষ্টি ঝরবে ৩ বিভাগে
তিন ঘণ্টা বসে পাঁচ লিটার তেল, এটাই বিএনপি সরকারের কৃষিনীতি
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের নামে রাষ্ট্রীয় প্রতিশোধের বৈধতা নাকি সংবিধান অকার্যকরের প্রচেষ্টা?
দেশ বাঁচাতে এগিয়ে আসুন সবাই
স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেটে হরিলুট! কাঠগড়ায় ড. ইউনূস টিকা না কিনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে আবেদন
দেশে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সরাসরি দায়ী করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ। ৪২ হাজার কোটি টাকার লুটপাট: স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট থাকার পরও টিকা ও সিরিঞ্জ না কিনে ভয়াবহ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ।
দায় এড়ানোর সুযোগ নেই: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর দায়ের করা ওই অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শতাধিক শিশুর করুণ মৃত্যু স্রেফ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং এটি স্বাস্থ্য খাতের চরম অব্যবস্থাপনা ও ভয়াবহ দুর্নীতির ফসল। স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো হামের টিকা ও সিরিঞ্জ কেনা
হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, টিকা ক্রয়ের নামে এই বিপুল অঙ্কের বাজেটে রীতিমতো হরিলুট চালানো হয়েছে। আর এই মহাদুর্নীতি ও শিশুমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমকে। তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তা তদন্তের দাবিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ জনস্বার্থে এই অভিযোগপত্রটি দায়ের করেছেন। ৪২ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্রে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি ও পরিকল্পনা ছাড়াই হঠাৎ করে টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্য খাতে
প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার মতো বিশাল বাজেট বরাদ্দ ছিল। এত বড় বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ কিনতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়। অভিযোগকারী আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছেন, ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেট থাকার পরও কেন টিকা কেনা হলো না? বাজেটের অর্থের সঠিক ব্যবহার না করে টিকা ও সিরিঞ্জ কেনা থেকে বিরত থাকাটা সরাসরি দুর্নীতি ও বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতেরই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য খাতের এই কেনাকাটায় সরাসরি অনিয়ম ও লুটপাটের তথ্য উঠে এসেছে। এর পরিণতিতে বর্তমানে দেশে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে এবং হাজার হাজার শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর প্রহর
গুনছে। ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগমের চরম ব্যর্থতা আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ তাঁর আবেদনে স্পষ্ট ভাষায় জানান, দেশে টিকা সংকটের কারণে একের পর এক শিশু মৃত্যুর এই মর্মান্তিক ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের সরাসরি দায় রয়েছে। দেশের সচেতন নাগরিক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চরম অবহেলা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির কারণেই আজ শিশুদের জীবন বিপন্ন। এমনকি বর্তমান সরকারও স্বীকার করেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই ভয়াবহ টিকা সংকটের পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা ও অব্যবস্থাপনাই দায়ী। দুদকের কাছে দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়, দেশের স্বাস্থ্য খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে এই নজিরবিহীন
জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ এই ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেটের অর্থ আত্মসাৎ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কি না, তা দ্রুত খতিয়ে দেখে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে। দুদক অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করলে দেশের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসের অন্যতম বড় এই লুটপাটের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, টিকা ক্রয়ের নামে এই বিপুল অঙ্কের বাজেটে রীতিমতো হরিলুট চালানো হয়েছে। আর এই মহাদুর্নীতি ও শিশুমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমকে। তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তা তদন্তের দাবিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ জনস্বার্থে এই অভিযোগপত্রটি দায়ের করেছেন। ৪২ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্রে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি ও পরিকল্পনা ছাড়াই হঠাৎ করে টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্য খাতে
প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার মতো বিশাল বাজেট বরাদ্দ ছিল। এত বড় বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ কিনতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়। অভিযোগকারী আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছেন, ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেট থাকার পরও কেন টিকা কেনা হলো না? বাজেটের অর্থের সঠিক ব্যবহার না করে টিকা ও সিরিঞ্জ কেনা থেকে বিরত থাকাটা সরাসরি দুর্নীতি ও বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতেরই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য খাতের এই কেনাকাটায় সরাসরি অনিয়ম ও লুটপাটের তথ্য উঠে এসেছে। এর পরিণতিতে বর্তমানে দেশে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে এবং হাজার হাজার শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর প্রহর
গুনছে। ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগমের চরম ব্যর্থতা আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ তাঁর আবেদনে স্পষ্ট ভাষায় জানান, দেশে টিকা সংকটের কারণে একের পর এক শিশু মৃত্যুর এই মর্মান্তিক ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের সরাসরি দায় রয়েছে। দেশের সচেতন নাগরিক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চরম অবহেলা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির কারণেই আজ শিশুদের জীবন বিপন্ন। এমনকি বর্তমান সরকারও স্বীকার করেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই ভয়াবহ টিকা সংকটের পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা ও অব্যবস্থাপনাই দায়ী। দুদকের কাছে দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়, দেশের স্বাস্থ্য খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে এই নজিরবিহীন
জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ এই ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেটের অর্থ আত্মসাৎ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কি না, তা দ্রুত খতিয়ে দেখে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে। দুদক অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করলে দেশের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসের অন্যতম বড় এই লুটপাটের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



