ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যশোরে বিএনপির সন্ত্রাসী হামলা গুরুতর আহত ফুল চাষি নেতা আব্দুর রহিম
মানুষের হাতে আহত হনুমান প্রথমে থানায়, পরে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে হাজির!
কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় মামলা
সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন একতরফা নির্বাচনে ১৫ পদের সব কটিতেই জয়ী বিএনপিপন্থীরা
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর
মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক মবের বিরুদ্ধেই সোচ্চার!
জামালপুর জেলে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে
জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতা ও কৃষিবিদ এস এম জিয়াউল হক জিয়া মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কৃষিবিদ জিয়াউল হক জিয়া জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং দিগপাইত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন।
জেলা কারাগারের সহকারী সার্জন শামীম রেজা মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, জিয়াউল হক জিয়া দুদকের একটি মামলায় গত ১৫ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত তিনি মঙ্গলবার দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই
তার মৃত্যু হয়। কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান সংখ্যা২০২৪ সালের আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ১৫ মাসে কারা হেফাজতে মোট ১১২ জন মারা গেছেন। ২০২৫ সালে একাই ১০৭ থেকে ১১২ জনের মতো কারা হেফাজতে মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী রয়েছেন। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম কয়েক মাসেও এই তালিকা দীর্ঘ হয়েছে। পরিবার ও দলীয় সূত্রগুলো অভিযোগ করছে, অনেক ক্ষেত্রে বন্দিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়া, হাসপাতালে স্থানান্তরে বিলম্ব এবং কারাগারের
অভ্যন্তরীণ অবহেলার কারণে এসব মৃত্যু ঘটছে। কয়েকটি ঘটনায় নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ক্রমাগত মৃত্যুর ঘটনাকে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা বলছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বন্দিদের প্রতি যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত না করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও দীর্ঘদিন কারাবন্দি নেতাদের ক্ষেত্রে এই অবহেলা আরও প্রকট। আওয়ামী লীগের নেতারা এসব মৃত্যুকে “পরিকল্পিত” বলে অভিহিত করেছেন এবং অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ সাধারণত “স্বাভাবিক কারণে” বা “অসুস্থতাজনিত” মৃত্যু বলে দাবি করে আসছে। জিয়াউল হক জিয়ার মৃত্যুতে জামালপুরসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার ন্যায়বিচার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। কারা
হেফাজতে মৃত্যুর এই ধারা অব্যাহত থাকলে আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুতর প্রশ্ন উঠবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
তার মৃত্যু হয়। কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান সংখ্যা২০২৪ সালের আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ১৫ মাসে কারা হেফাজতে মোট ১১২ জন মারা গেছেন। ২০২৫ সালে একাই ১০৭ থেকে ১১২ জনের মতো কারা হেফাজতে মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী রয়েছেন। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম কয়েক মাসেও এই তালিকা দীর্ঘ হয়েছে। পরিবার ও দলীয় সূত্রগুলো অভিযোগ করছে, অনেক ক্ষেত্রে বন্দিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়া, হাসপাতালে স্থানান্তরে বিলম্ব এবং কারাগারের
অভ্যন্তরীণ অবহেলার কারণে এসব মৃত্যু ঘটছে। কয়েকটি ঘটনায় নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ক্রমাগত মৃত্যুর ঘটনাকে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা বলছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বন্দিদের প্রতি যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত না করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও দীর্ঘদিন কারাবন্দি নেতাদের ক্ষেত্রে এই অবহেলা আরও প্রকট। আওয়ামী লীগের নেতারা এসব মৃত্যুকে “পরিকল্পিত” বলে অভিহিত করেছেন এবং অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ সাধারণত “স্বাভাবিক কারণে” বা “অসুস্থতাজনিত” মৃত্যু বলে দাবি করে আসছে। জিয়াউল হক জিয়ার মৃত্যুতে জামালপুরসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার ন্যায়বিচার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। কারা
হেফাজতে মৃত্যুর এই ধারা অব্যাহত থাকলে আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুতর প্রশ্ন উঠবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।



