ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়: অপু বিশ্বাস
বিশ্বকাপের আগে তিন দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা
১০ হাজার কিলোমিটার দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড!
‘মুখে ঘুষির’ ধাক্কা সামলে আর্সেনালকে ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ আর্তেতার
এবার হলিউড যাত্রায় আইশোস্পিড
পাকিস্তান থেকে চোট নিয়ে ফিরলেন ইমন
নারী বিশ্বকাপে থাকছে রেকর্ড প্রাইজমানি
এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাইজমানির নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে আইসিসি। সোমবার বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের মোট প্রাইজপুল রাখা হয়েছে ৮.৮ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শিরোপাজয়ী দল একাই পাবে ২.৩ মিলিয়ন ডলার।
১২ দলের এই লড়াই শুরু হবে আগামী ১২ জুন থেকে, যার আয়োজক ইংল্যান্ড ও ওয়েলস। ২০২৪ সালে নিজেদের প্রথম শিরোপা জেতা নিউজিল্যান্ড এবার নামবে মুকুট ধরে রাখার মিশনে।
পুরস্কারের অঙ্ক নিয়ে আইসিসি তাদের বিবৃতিতে জানায়:
রানার্স-আপ দল পাবে ১.১৭ মিলিয়ন ডলার।
সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দুই দলের পকেটে যাবে ৬৭৫,০০০ ডলার করে।
এ ছাড়াও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রতিটি দলের জন্য অন্তত ২৪৮,০০০ ডলার করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বিগত আসরের সঙ্গে তুলনা
যদিও এবারের প্রাইজমানি
রেকর্ড ছোঁয়া, তবে গত তিন বছরে ভারতীয় উপমহাদেশে আয়োজিত বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় এই অঙ্ক কিছুটা কম। গত বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজপুল ছিল ১৩.৯ মিলিয়ন ডলার, যা আইসিসি ইভেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারত পেয়েছিল ৪.৫ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজমানি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার এবং চলতি বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হতে যাওয়া পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১১.২৫ মিলিয়ন ডলার। নারী ক্রিকেটের এই জোয়ার নিয়ে আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্তা বলেন, ‘বিনিয়োগ এবং সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নারী ক্রিকেটের এই যে ধারাবাহিক উন্নতি, তা বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবেরই প্রতিফলন।’
রেকর্ড ছোঁয়া, তবে গত তিন বছরে ভারতীয় উপমহাদেশে আয়োজিত বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় এই অঙ্ক কিছুটা কম। গত বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজপুল ছিল ১৩.৯ মিলিয়ন ডলার, যা আইসিসি ইভেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারত পেয়েছিল ৪.৫ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজমানি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার এবং চলতি বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হতে যাওয়া পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১১.২৫ মিলিয়ন ডলার। নারী ক্রিকেটের এই জোয়ার নিয়ে আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্তা বলেন, ‘বিনিয়োগ এবং সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নারী ক্রিকেটের এই যে ধারাবাহিক উন্নতি, তা বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবেরই প্রতিফলন।’



