ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির বড় সংকট ‘গুপ্ত জামায়াত’, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা আত্মঘাতী: আনিস আলমগীর
‘আওয়ামী লীগ হারিয়ে যাওয়ার নয়, ৫০ গুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরবে’: ড. কার্জন
ফেনীতে টেন্ডার-চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা
‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘের চিঠি’ বিষয়টি নিয়ে যা জানা গেল
নারী সেজে থাকা সেই ছাত্রদল নেতা বাস্তবে দেখতে কেমন, দেখুন ছবিতে
মির্জা ফখরুল: কিছু অশুভ শক্তি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়
নিজের জেন্ডার তথ্য গোপন, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
প্রতিপক্ষ ছোট ঘটনাকেও ন্যাশনাল ইস্যু বানায়, আমরা কেন পারছি না’—প্রশ্ন গোলাম রব্বানীর
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী নিজ দলের অনলাইন সক্রিয়তা এবং প্রচার কৌশলের দুর্বলতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষের কর্মীরা ছোট কোনো ঘটনাকেও সুসংগঠিতভাবে ‘ন্যাশনাল ইস্যু’ বানিয়ে ফেললেও, নিজেদের হাজার হাজার নেতাকর্মীর ত্যাগ ও নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে দল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি দলের সমন্বয়হীনতা, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের উদাসীনতা এবং তরুণ মেধাবীদের কাজে লাগাতে না পারার বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে গোলাম রব্বানী লিখেছেন, প্রতিপক্ষের তথাকথিত ‘বি বা সি’ টিমের কেউ আহত-নিহত হলে বা কোনো কর্মী গ্রেপ্তার হলে তাদের নেতাকর্মীরা অসংখ্য আইডি ও
পেজ থেকে একযোগে হাইপ তোলে। বিষয়টিকে তারা রীতিমতো জাতীয় ইস্যুতে রূপান্তর করে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিকার নিশ্চিত করে। বিপরীতে নিজ দলের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের শত-সহস্র নেতাকর্মী প্রতিনিয়ত হতাহত ও অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার, লক্ষাধিক নেতাকর্মী ভুয়া মামলা ও বিনা মামলায় গ্রেপ্তার, জেল-জুলুমের শিকার হচ্ছে; অথচ আমরা সংখ্যায় অনেক বেশি হয়েও কেন আমাদের যৌক্তিক দাবিকে সর্বস্তরে সেভাবে তুলে ধরতে পারছি না?” দলের উচ্চপর্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রব্বানী লেখেন, “সর্বোচ্চ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েও কেন দলীয়ভাবে এগুলো ন্যাশনাল ইস্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হচ্ছি? সেই অপারগতা, দুর্বলতা ও বিচ্ছিন্নতা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করতে দলীয়ভাবে কোনো উদ্যোগ কি নেওয়া হয়েছে?” তিনি আরও
জানতে চান, অনলাইন উপস্থিতি ও সক্রিয়তা বৃদ্ধি বা দলীয়ভাবে ‘টিম’ হিসেবে পারফর্ম করতে গত ২০ মাসে কোনো সভা বা মিটিং হয়েছে কি না। সাবেক এই ছাত্রনেতা মনে করেন, দলের তরুণ প্রজন্মের মেধাবী ও সৃজনশীল অ্যাক্টিভিস্টদের পরামর্শ বা আইডিয়া নেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেই। তাঁর মতে, সঠিক পলিসি ও সমন্বয় থাকলে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভাবার মতো কেউ আছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। স্ট্যাটাসের শেষে তিনি আক্ষেপ করে লিখেন, “দলের উচ্চপর্যায়ে এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে মাথা ঘামানোর, ভাবার, সময় ও শ্রম দিয়ে আমলে নেওয়ার কেউ কি আছেন? আমার জানা নাই!” গোলাম
রব্বানীর এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
পেজ থেকে একযোগে হাইপ তোলে। বিষয়টিকে তারা রীতিমতো জাতীয় ইস্যুতে রূপান্তর করে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিকার নিশ্চিত করে। বিপরীতে নিজ দলের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের শত-সহস্র নেতাকর্মী প্রতিনিয়ত হতাহত ও অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার, লক্ষাধিক নেতাকর্মী ভুয়া মামলা ও বিনা মামলায় গ্রেপ্তার, জেল-জুলুমের শিকার হচ্ছে; অথচ আমরা সংখ্যায় অনেক বেশি হয়েও কেন আমাদের যৌক্তিক দাবিকে সর্বস্তরে সেভাবে তুলে ধরতে পারছি না?” দলের উচ্চপর্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রব্বানী লেখেন, “সর্বোচ্চ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েও কেন দলীয়ভাবে এগুলো ন্যাশনাল ইস্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হচ্ছি? সেই অপারগতা, দুর্বলতা ও বিচ্ছিন্নতা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করতে দলীয়ভাবে কোনো উদ্যোগ কি নেওয়া হয়েছে?” তিনি আরও
জানতে চান, অনলাইন উপস্থিতি ও সক্রিয়তা বৃদ্ধি বা দলীয়ভাবে ‘টিম’ হিসেবে পারফর্ম করতে গত ২০ মাসে কোনো সভা বা মিটিং হয়েছে কি না। সাবেক এই ছাত্রনেতা মনে করেন, দলের তরুণ প্রজন্মের মেধাবী ও সৃজনশীল অ্যাক্টিভিস্টদের পরামর্শ বা আইডিয়া নেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেই। তাঁর মতে, সঠিক পলিসি ও সমন্বয় থাকলে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভাবার মতো কেউ আছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। স্ট্যাটাসের শেষে তিনি আক্ষেপ করে লিখেন, “দলের উচ্চপর্যায়ে এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে মাথা ঘামানোর, ভাবার, সময় ও শ্রম দিয়ে আমলে নেওয়ার কেউ কি আছেন? আমার জানা নাই!” গোলাম
রব্বানীর এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।



