উৎপাদনশীলতার সক্ষমতা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সনদ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ড. মামুনুর রশীদ
আপডেটঃ ৭ এপ্রিল, ২০২৬

উৎপাদনশীলতার সক্ষমতা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সনদ

ড. মামুনুর রশীদ
আপডেটঃ ৭ এপ্রিল, ২০২৬ |
ভূমিকা উৎপাদনশীলতার সক্ষমতা সূচক (Productive Capacity Index – PCI) আঙ্কটাড (UNCTAD) কর্তৃক প্রণীত একটি সমন্বিত সূচক যা কোনো দেশের পণ্য ও সেবা উৎপাদন, বৈচিত্র্যকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা পরিমাপ করে। এই সূচকটি ৮টি মূল উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত: মানব সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ, জ্বালানি, পরিবহন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), বেসরকারি খাত, কাঠামোগত পরিবর্তন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা। এদের মধ্যে কিছুটা অনন্য “কাঠামোগত পরিবর্তনকে” কম উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে উচ্চ উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক অঞ্চলে শ্রম এবং অন্যান্য উৎপাদনশীল সম্পদের স্থানান্তর হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে আমি বাংলাদেশের পিসিআই ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিশ্লেষণ করেছি তিনটা উদ্দেশ্যে। প্রথমত: এশিয়ার প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর সাথে তুলনায় গত

২৫ বছর বাংলাদেশ যে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে তা চিত্রায়িত করা। এতে খুব পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন “শেখ হাসিনা” ফ্যাক্টর। দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশের মূল দুইটা সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। আমি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি কিভাবে দেশের মূলনীতির পুনঃবিশ্লেষণের অভাবে বাংলাদেশ পিছিয়ে গেছে এবং অন্যরা এগিয়ে গেছে। তৃতীয়ত: বর্তমান বৈশ্বিক সংকট — ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, বাণিজ্য যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল আলোচনা করেছি। সামগ্রিক বিশ্লেষণ বাংলাদেশের সামগ্রিক সূচক ২০০০ সালের ২৪.১ থেকে ২০২৪ সালে ৩৯.৬-এ উন্নীত হয়েছে, যা ৬৪.৩% প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। এটি বিশ্ব গড়ের (সূচক = ৪৭.৩; প্রবৃদ্ধি = ৩১.৮%) ও এশিয়া গড়ের (সূচক = ৪৭.৭; প্রবৃদ্ধি = ৩৮.৭%) তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও,

প্রবৃদ্ধির হার বিশ্ব গড়কে (৩১.৮%) ও এশিয়া গড়কে (৩৮.৭%) ছাড়িয়ে গেছে। চিত্র ১ থেকে আরও দেখা যাচ্ছে এই প্রবৃদ্ধির বড় যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১০ সাল থেকে, যখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সূচকের প্রবৃদ্ধি ছিলো প্রায় ৪৩%, যা আগের ৯ বছরের (২০০০-২০০৮) প্রবৃদ্ধির (১৪.৫%) তিনগুণ বেশি। এই প্রবৃদ্ধির হার (৪৩%) কেমন ঈর্ষণীয় ছিলো? একই সময়ে প্রবৃদ্ধির হার এশিয়ার ছিলো ১২.৭৭%, ইন্ডিয়ার ২৩.৭৩%, মালয়েশিয়ার ৬.৮১%, সিঙ্গাপুরের ১৯.৫৮%, থাইল্যান্ডের ১৭.৩৩% এবং ভিয়েতনামের ১৭.৮১%। ২০২৪ এর শেষে এসে ইউনূসের ক্ষমতা দখলের মাধমে এই সূচক গত ২৫ বছরে (২০০০-২০২৪) প্রথমবারের মতো ৪০ (২০২৩) থেকে কমে ৩৯.৬ (২০২৪) হয়। সোজা কথায়, শেখ

হাসিনার সময় বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতার সক্ষমতা বেড়েছে তিনগুণ, যা এশিয়ার অন্যান্য দেশের প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি। এই পর্যায়ে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, বেশিরভাগ বাংলাদেশী কি জানতো শেখ হাসিনা তাদের কোথায় পৌঁছে দিয়েছেন? উপাদানভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং দেশ-ভিত্তিক তুলনা সূচকের ৮টি উপাদানের মধ্যে কয়েকটিতে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের, আবার কিছু ক্ষেত্রে উদ্বেগজনক পতনও লক্ষ্য করা যায়। চিত্র ২ থেকে দেখা যাচ্ছে: ☉ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT): ৪.৭ থেকে ৩৯.৯ — ৭৪৯% বৃদ্ধি। ☉ জ্বালানি: ২৫.১ থেকে ৫৪.৬ — ১১৭.৫% বৃদ্ধি। ☉ প্রাকৃতিক সম্পদ: ৪৫.২ থেকে ৩৮.৫ — ১৪.৮% হ্রাস। ☉ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা: ৩৭.৫ থেকে ৩৬.৯ — ১.৬% হ্রাস। চিত্র ৩ বিভিন্ন উপাদান অনুযায়ী দেশ-ভিত্তিক তুলনামূলক চিত্র তুলে এনেছে। অন্যান্য দেশের তুলনায়, বাংলাদেশের

কাঠামোগত পরিবর্তন এবং জ্বালানি খাতে ভালো পরিবর্তন দেখা গেছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ছিলো পরিবহন খাতে। পরিবহন খাত, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং মানবসম্পদের উন্নয়ন হবে বাংলাদেশের জন্য আগামীর সবচেয়ে বড় কঠিন কাজ। শক্তি-দুর্বলতা-সুযোগের বিশ্লেষণ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি আইসিটি ও জ্বালানি খাতে বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি। তবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা (৩৬.৯) এশিয়ার গড় (৫০.৩) থেকে ১৩.৪ পয়েন্ট পিছিয়ে — এটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। পরিবহন অবকাঠামো (২৩.৫) এশিয়ার গড়ের (৪০.৩) প্রায় অর্ধেক। অবকাঠামো খাতে অনেক উন্নয়নের পরেও তা এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। শেখ হাসিনার কাজগুলো সমাপ্ত করা গেলে পরিবহন খাতে অনেক এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। জ্বালানি খাতে রুপান্তরিত জ্বালানি এবং গ্রীন এনার্জি রিভলিউশন ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার সময়েই সারাদেশে ছড়িয়ে

দেয়া হয়েছিলো। বিস্তারিত পাওয়া যাবে চিত্র ৪ থেকে। তবে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা। চিত্র ৫ থেকে বাংলাদেশের সাথে অন্যান্য দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার পার্থক্য দেখতে পারি। অর্থনৈতিক এবং অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন হলেও ৫৫ বছরে বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার বড় রকমের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এর পিছনে দুটি বড় কারণ আছে বলে আমি মনে করি: ১) প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়নে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর স্বচ্ছতা ছিলো খুবই নিম্নমানের। স্বাধীনতার মূল চার স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে দেশ পরিচালিত হয়েছে ৫৫ বছরের অর্ধেকের কম সময়। তিনবারে মোট ২৪ বছর সময় আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে স্বাধীনতার চার মূলস্তম্ভকে সমূন্নিত রেখে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একভাবে সাজাতে চেয়েছে। আর বাকি তিন দশক বাংলাদেশ হয়তো ক্ষমতার ট্রানজিশনে

ছিলো, না হয় সেনা-সমর্থিত বা সেনা-সরকারের অধীনে ছিলো, অথবা দেশবিরোধী শক্তি ক্ষমতার অংশীদার ছিলো। এই শক্তিগুলো দেশের চার মূলনীতি অনুযায়ী কখনো দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করেনি। বরং উল্টো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। জুলাইয়ের ষড়যন্ত্রের পর এই শক্তি আরও শক্তিশালী হয়ে দেশের সংবিধান সহ সকল স্তম্ভগুলোকে ভেঙে ফেলার চেষ্টায় রত। ২) স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি – মূলত আওয়ামী লীগ – স্বাধীনতার স্তম্ভগুলোকে ধারণ করলেও যুগের প্রয়োজনে সেগুলোর বাস্তবিক “ব্যাখ্যা পরিবর্ধনের” চেষ্ঠা করেনি। যার কারণে দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের চার মূলনীতির এবং সরকারের কার্যকলাপের বিস্তর ফারাক মনে হয়েছে। এতে ব্যর্থ হয়েছে শেখ হাসিনার সকল শ্রম; দেশ চলে গেছে দেশবিরোধীদের হাতে। ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল ও সুপারিশ বৈশ্বিক সংকটের মুখে বাংলাদেশকে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, সবুজ রূপান্তর ও শিল্প বৈচিত্র্যকরণে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। রপ্তানি বাজার বৈচিত্র্যকরণ, আঞ্চলিক বাণিজ্য জোরদার, জ্বালানি নিরাপত্তা ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। “China Plus One” এর মতো কৌশলের সুবিধা নিতে বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাও জরুরি। চিত্র ৬ এ কিছু ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখেছি। আমার মনে হয়েছে ক্ষুদ্র পর্যায়ে দক্ষ কর্মশক্তি তৈরি একটা বড় পদক্ষেপ হতে পারে এই বড় জনগোষ্ঠীকে ভালো কাজে ব্যবহার করার জন্য। অন্য দেশের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে কৃষি এবং অন্যান্য খাতে উৎপাদন বাড়াতে শিল্পের বহুমুখীকরণ জরুরি। নিজস্ব সম্পদের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ যেমন জরুরি, একইভাবে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উপাদানগুলোকে দেশের মূলস্তম্ভের সাথে মিল রেখে ঢেলে সাজাতে হবে। স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং অংশীজনকে (নতুন প্রজন্ম সহ সবাইকে) সেগুলো বুঝাতে হবে। এখানে বলে নেয়া ভালো যে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অনেক উপাদানই গতানুগতিক সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্বপূর্ণ নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে দেশের সম্পদের নিয়ন্ত্রণ থাকার কারণে অনেকক্ষেত্রে গতানুগতিক সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দুর্নীতির উচ্চমাত্রা দেখা যায়। এজন্য দেশের চার মূলস্তম্ভ ঠিক রেখে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সেগুলোর পরিধি নতুন করে চিন্তা করার সময় এসেছে। উপসংহার বাংলাদেশ গত ২৫ বছরে উৎপাদনশীল সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে — বিশেষ করে আইসিটি, জ্বালানি ও মানবসম্পদে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, পরিবহন অবকাঠামোর ঘাটতি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষয় গুরুতর চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। শেখ হাসিনার সময়ে নেয়া অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জ্বালানি শক্তির সবুজ রূপান্তর ও শিল্প বৈচিত্র্যকরণে সমন্বিত উদ্যোগগুলো সামনে এগিয়ে নিতে পারলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়ার গড় সক্ষমতায় পৌঁছানোর সুস্পষ্ট সম্ভাবনা রাখে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে দেশের চার মূলনীতির পরিধি বাড়ানো এবং সেগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের ভাষায় পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব করছি। “বাংলাদেশ সনদ” এইধরনের প্রচেষ্টার একটা অংশ বলে আমি মনে করি। এই সনদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফেনীতে টেন্ডার-চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা। সাবেক স্পিকার গ্রেপ্তার: আদালতে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দুই দফায় অস্বাভাবিক উল্লম্ফন, জেট ফুয়েলের দামে নতুন রেকর্ড শিল্পের ধাক্কায় কমল প্রবৃদ্ধি, দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি ৩.০৩ শতাংশে খেলাপি ঋণের পাহাড়ে দমবন্ধ ব্যাংকিং খাত, ২৩ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ২.৮২ লাখ কোটি টাকা ঈদুল আজহা ও আরাফাহ দিবসে আরব আমিরাতে ৬ দিন ছুটি বিসিবি বোর্ড ভেঙে এনএসসির অ্যাডহক কমিটি গঠন, সভাপতি তামিম যুক্তরাষ্ট্রের তেল-গ্যাস লবির সফল কৌশলঃ ইউনুসের মাধ্যমে বাংলাদেশের ১০ কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল উৎপাদনশীলতার সক্ষমতা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সনদ এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু ও সাবেক স্বাস্থ্যে শতকোটি টাকার টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্য ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম রাজধানীতে পাচারকালে হেরোইন-ইয়াবার বিশাল চালান জব্দ বুলবুলের বিরুদ্ধে ১৮টি অভিযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাশ হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইসরাইলজুড়ে সাইরেন সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে প্রচুর আলোচনা ও দরকষাকষির সুযোগ আছে আজ রাতে পুরো একটি সভ্যতা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে: ট্রাম্প স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস