ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
র্যাব সংস্কার: ন্যায়বিচার নাকি রাজনৈতিক প্রতিশোধ?
বাংলাদেশে হাম মহামারি: কেনো এত সংক্রমণ, এত মৃত্যু?
বঙ্গোপসাগর তীরে পরমাণু শক্তির উত্থান
একজন তোফায়েল আহমেদ, অনেকজন আমরা
আওয়ামী লীগের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীর অবরুদ্ধ জীবন: উৎসবের ঈদে বিষাদের হাহাকার
দেশে ফেরার মুখে দলকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হাসিনার দাবি, হত্যা, হামলা, মামলা সত্ত্বেও তৈরি নতুন নেতৃত্ব
হাসিনা রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন? কে ধরবেন দলের হাল? ‘দ্য ওয়াল’-কে কী বললেন আওয়ামী লিগ নেত্রী
‘রাজনীতির রিখটার স্কেলে ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্প হবে’— সাদ্দাম হোসেন
দেশের বর্তমান উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংবাদমাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ
হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং রাজপথে ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক তৎপরতা নিয়ে
দেশজুড়ে নানা গুঞ্জন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ছাত্রলীগের বর্তমান অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আজকের কন্ঠ-এর মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তাঁর সাক্ষাৎকারের চুম্বক
অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
#রুদ্র মুহম্মদ জাফর: সাদ্দাম হোসেন, দীর্ঘ বিরতির পর আপনাদের নেতা-কর্মীদের আবার
রাজপথে সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর
এই তৎপরতা কি পরিকল্পিত?
#সাদ্দাম হোসেন: দেখুন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি কখনোই
নড়বড়ে ছিল না। দমন-পীড়ন বা কৌশলগত কারণে আমরা আমাদের কর্মসূচি ভিন্নভাবে
সাজিয়েছিলাম। তবে এখন
যে জোয়ার দেখছেন, তা নেত্রীর প্রত্যাবর্তনের বার্তার ফসল। শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন— এই একটি বার্তা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। বড় ভূমিকম্পের আগে যেমন ছোট ছোট কম্পন হয়, রাজপথের এই মিছিলগুলো সেই মহাজাগরণেরই পূর্বাভাস। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: কিন্তু সরকার তো আপনাদের ওপর নানা বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এই প্রতিকূলতায় আপনারা সফল হবেন বলে মনে করেন? #সাদ্দাম হোসেন: নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক শক্তিকে মুছে ফেলা যায় না। যারা মনে করছে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে, তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছে। আজ পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে নেতা-কর্মীদের দমনে; কে ফেসবুকে কী স্ট্যাটাস দিল বা কমেন্ট করল, তা খুঁজতে প্রশাসন ব্যস্ত। অথচ মানুষের নিরাপত্তা নেই, চাঁদাবাজি-মব জাস্টিস চলছে। ইতিহাস
বলে, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জনস্রোত থামানো যায় না। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: আপনি একটি ‘রাজনৈতিক ভূমিকম্পের’ কথা বলছেন। এর গভীরতা আসলে কতটুকু? #সাদ্দাম হোসেন: আমি স্পষ্ট করে বলছি, বাংলাদেশের রাজনীতির রিখটার স্কেলে ৮-৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হবে। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন হবে ঐতিহাসিক। এটি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের সমস্ত সমীকরণ বদলে দেবে। যে জনবিস্ফোরণ ঘটবে, তা হবে কল্পনার অতীত। মানুষ এখন ৫ আগস্টের পরের পার্থক্যটা বুঝতে পারছে— জীবনের নিরাপত্তা ও মান কতটুকু নিচে নেমেছে। সেই হাহাকার থেকেই এই পালটা জাগরণ শুরু হয়েছে। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: মিছিলগুলোতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বা সমর্থনের কথা আপনারা দাবি করছেন। এর কোনো বাস্তব ভিত্তি আছে কি? #সাদ্দাম হোসেন: অবশ্যই আছে। শুধু অডিও-ভিডিও দিয়ে সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মিছিল শেষে যখন
আমাদের ছেলেরা বিপদে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষই তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। মায়েরা মিছিলে এসে ছেলেদের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করছেন। এটা শুধু দলের প্রতি সমর্থন নয়, বরং শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি মানুষের আকুতি। এমনকি স্কুলের কিশোররাও এখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে আসছে। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি আপনাদের কোনো বার্তা আছে কি? সাদ্দাম হোসেন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মনে রাখা উচিত, তাঁরাও এ দেশের নাগরিক। আমরা তাঁদের ওপর কোনো আক্রমণ করতে চাই না। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও ইনক্লুসিভ গণতান্ত্রিক রাজনীতি চাই। কিন্তু যদি আমাদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং নেতা-কর্মীদের ওপর আঘাত আসে, তবে সময়মতো সেই হাত আমরা ঘুরিয়ে দিতে জানি। আমরা অসহযোগ
ও গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাসী, তবে অন্যায়ের শেষ না দেখে ছাড়ব না। রুদ্র মুহম্মদ জাফর: শেখ হাসিনার ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো সময় কি আপনারা ঠিক করেছেন? #সাদ্দাম হোসেন: নেত্রী ৬ মাসের মধ্যে ফেরার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। তবে শেখ হাসিনার আন্দোলনের মূল শক্তি হচ্ছে জনগণ। মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তিকে তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। এই ‘টাইমলাইন’ জনগণই নির্ধারণ করবে এবং আমি বিশ্বাস করি সেই মাহেন্দ্রক্ষণ খুব বেশি দূরে নয়। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। #সাদ্দাম হোসেন: আজকের কন্ঠকেও ধন্যবাদ। জয় বাংলা।
যে জোয়ার দেখছেন, তা নেত্রীর প্রত্যাবর্তনের বার্তার ফসল। শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন— এই একটি বার্তা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। বড় ভূমিকম্পের আগে যেমন ছোট ছোট কম্পন হয়, রাজপথের এই মিছিলগুলো সেই মহাজাগরণেরই পূর্বাভাস। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: কিন্তু সরকার তো আপনাদের ওপর নানা বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এই প্রতিকূলতায় আপনারা সফল হবেন বলে মনে করেন? #সাদ্দাম হোসেন: নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক শক্তিকে মুছে ফেলা যায় না। যারা মনে করছে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে, তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছে। আজ পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে নেতা-কর্মীদের দমনে; কে ফেসবুকে কী স্ট্যাটাস দিল বা কমেন্ট করল, তা খুঁজতে প্রশাসন ব্যস্ত। অথচ মানুষের নিরাপত্তা নেই, চাঁদাবাজি-মব জাস্টিস চলছে। ইতিহাস
বলে, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জনস্রোত থামানো যায় না। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: আপনি একটি ‘রাজনৈতিক ভূমিকম্পের’ কথা বলছেন। এর গভীরতা আসলে কতটুকু? #সাদ্দাম হোসেন: আমি স্পষ্ট করে বলছি, বাংলাদেশের রাজনীতির রিখটার স্কেলে ৮-৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হবে। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন হবে ঐতিহাসিক। এটি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের সমস্ত সমীকরণ বদলে দেবে। যে জনবিস্ফোরণ ঘটবে, তা হবে কল্পনার অতীত। মানুষ এখন ৫ আগস্টের পরের পার্থক্যটা বুঝতে পারছে— জীবনের নিরাপত্তা ও মান কতটুকু নিচে নেমেছে। সেই হাহাকার থেকেই এই পালটা জাগরণ শুরু হয়েছে। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: মিছিলগুলোতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বা সমর্থনের কথা আপনারা দাবি করছেন। এর কোনো বাস্তব ভিত্তি আছে কি? #সাদ্দাম হোসেন: অবশ্যই আছে। শুধু অডিও-ভিডিও দিয়ে সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মিছিল শেষে যখন
আমাদের ছেলেরা বিপদে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষই তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। মায়েরা মিছিলে এসে ছেলেদের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করছেন। এটা শুধু দলের প্রতি সমর্থন নয়, বরং শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি মানুষের আকুতি। এমনকি স্কুলের কিশোররাও এখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে আসছে। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি আপনাদের কোনো বার্তা আছে কি? সাদ্দাম হোসেন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মনে রাখা উচিত, তাঁরাও এ দেশের নাগরিক। আমরা তাঁদের ওপর কোনো আক্রমণ করতে চাই না। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও ইনক্লুসিভ গণতান্ত্রিক রাজনীতি চাই। কিন্তু যদি আমাদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং নেতা-কর্মীদের ওপর আঘাত আসে, তবে সময়মতো সেই হাত আমরা ঘুরিয়ে দিতে জানি। আমরা অসহযোগ
ও গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাসী, তবে অন্যায়ের শেষ না দেখে ছাড়ব না। রুদ্র মুহম্মদ জাফর: শেখ হাসিনার ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো সময় কি আপনারা ঠিক করেছেন? #সাদ্দাম হোসেন: নেত্রী ৬ মাসের মধ্যে ফেরার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। তবে শেখ হাসিনার আন্দোলনের মূল শক্তি হচ্ছে জনগণ। মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তিকে তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। এই ‘টাইমলাইন’ জনগণই নির্ধারণ করবে এবং আমি বিশ্বাস করি সেই মাহেন্দ্রক্ষণ খুব বেশি দূরে নয়। #রুদ্র মুহম্মদ জাফর: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। #সাদ্দাম হোসেন: আজকের কন্ঠকেও ধন্যবাদ। জয় বাংলা।



