ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি
তরমুজের বীজ খেয়ে ফেললে কী হতে পারে?
গাড়ির উলটো দিকে বসলেই বমি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার
টয়লেটের দুর্গন্ধ দ্রুত দূর করার উপায় জানুন
নতুন সম্পর্ক কি পুরোনো ব্যথা ভুলাতে পারে?
ইফতারের পর প্রাণবন্ত থাকতে পান করুন তরমুজের শরবত
সারাদিন রোজা রাখার পর পান করতে পারেন যেসব স্বাস্থ্যকর পানীয়
ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ম্যাগনেসিয়াম
শরীরের আভ্যন্তরীণ নানারকম কার্যকারিতার ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়ামের গুরুত্বের কথা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু আধুনিক রূপচর্চার জগতেও যে ম্যাগনেসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ফেরানো থেকে শুরু করে শরীরের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেসিয়ামের বহুমুখী গুণাগুণ রয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা একজিমা বা ব্রণের মতো সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য ম্যাগনেসিয়াম হতে পারে একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকরী সমাধান। আজকের আয়োজনে থাকছে ত্বকের যত্নে ম্যাগনেসিয়ামের উপকারিতা ও ব্যবহারের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জরুরি কিছু তথ্য।
ত্বকের জন্য ম্যাগনেসিয়ামের উপকারিতা
ত্বকের সুরক্ষা স্তর মজবুত করে
গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড সমৃদ্ধ লোনা পানিতে গোসল করলে শুষ্ক ত্বকের সুরক্ষা স্তর বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ উন্নত হয়। এটি ত্বককে বাইরের
ধুলোবালি ও জীবাণু থেকে রক্ষা করে এবং কোষের প্রদাহ রোধ করে। ঘরে বসে স্পা-এর মতো আরাম পেতে বাথ সল্ট হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম ব্যবহার করতে পারেন, যা শরীরের মাংসপেশিকে শিথিল করে প্রশান্তি দেয়। আর্দ্রতা ধরে রেখে অকাল বার্ধক্য রোধ করে ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি ত্বকের খসখসে ও লালচেভাব কমিয়ে দেয়। নিয়মিত ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ সিরাম বা লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা দূর হয়, ফলে ত্বক অনেক বেশি সতেজ দেখায়। ব্রণ ও তৈলাক্তভাব নিয়ন্ত্রণ ত্বকে ম্যাগনেসিয়াম অয়েল ব্যবহার করলে এটি চর্বি ও তেলের কণাগুলো ভেঙে দিয়ে অতিরিক্ত সিবাম নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে। এটি কেবল ব্রণের তীব্রতা কমায় না, বরং একজিমা বা
রোজাসিয়ার মতো প্রদাহজনিত চর্মরোগের অস্বস্তি উপশমেও এক বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্টগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম একটি প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়ার মাধ্যমে একটি মৃদু ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর ফলে শরীরের অপ্রীতিকর দুর্গন্ধ দূর হয় এবং ত্বক দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে। কিভাবে ব্যবহার করবেন? ম্যাগনেসিয়ামের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি– খাদ্যাভ্যাস: প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বাদাম, বীজ, হোল গ্রেইন, শিম, সবুজ শাকসবজি এবং দই রাখুন। প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ম্যাগনেসিয়াম অয়েল: হাতের তালুতে ১-৩ পাম্প ম্যাগনেসিয়াম অয়েল নিয়ে প্রতিদিন ত্বকে মালিশ করতে পারেন। এটি স্প্রে আকারে বাজারে পাওয়া যায়। ময়েশ্চারাইজার: ম্যাগনেসিয়াম
ক্লোরাইড যুক্ত নন-টক্সিক ময়েশ্চারাইজার দিনে অন্তত তিনবার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। যেকোনো নতুন উপাদান ব্যবহারের আগে কিছু সতর্কতা মেনে চলুন- প্যাচ টেস্ট: মুখে ব্যবহারের আগে হাতের কবজিতে লাগিয়ে দেখে নিন কোনো অ্যালার্জি হচ্ছে কি না। পরিমাণ: দিনে ৩৫০ মিলিগ্রামের বেশি ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট নেবেন না। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা লালচে র্যাশ হতে পারে। যদি ম্যাগনেসিয়াম অয়েল ব্যবহারের সময় সামান্য জ্বালা করে, তবে বুঝবেন শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি আছে অথবা আপনি একবারে অনেকটা ব্যবহার করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে ব্যবহার শুরু করুন। কাদের জন্য নিষেধ ডায়াবেটিস, অন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ বা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের
আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া যাঁরা বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তার ওষুধ খাচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এটি বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম কেবল একটি খনিজ উপাদান নয়, এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ। সঠিক নিয়ম মেনে এবং পরিমাণমতো ব্যবহার করলে এটি আপনার ত্বককে আরও নমনীয়, উজ্জ্বল ও সতেজ করবে। তবে যেকোনো শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য
ধুলোবালি ও জীবাণু থেকে রক্ষা করে এবং কোষের প্রদাহ রোধ করে। ঘরে বসে স্পা-এর মতো আরাম পেতে বাথ সল্ট হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম ব্যবহার করতে পারেন, যা শরীরের মাংসপেশিকে শিথিল করে প্রশান্তি দেয়। আর্দ্রতা ধরে রেখে অকাল বার্ধক্য রোধ করে ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি ত্বকের খসখসে ও লালচেভাব কমিয়ে দেয়। নিয়মিত ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ সিরাম বা লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা দূর হয়, ফলে ত্বক অনেক বেশি সতেজ দেখায়। ব্রণ ও তৈলাক্তভাব নিয়ন্ত্রণ ত্বকে ম্যাগনেসিয়াম অয়েল ব্যবহার করলে এটি চর্বি ও তেলের কণাগুলো ভেঙে দিয়ে অতিরিক্ত সিবাম নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে। এটি কেবল ব্রণের তীব্রতা কমায় না, বরং একজিমা বা
রোজাসিয়ার মতো প্রদাহজনিত চর্মরোগের অস্বস্তি উপশমেও এক বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্টগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম একটি প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়ার মাধ্যমে একটি মৃদু ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর ফলে শরীরের অপ্রীতিকর দুর্গন্ধ দূর হয় এবং ত্বক দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে। কিভাবে ব্যবহার করবেন? ম্যাগনেসিয়ামের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি– খাদ্যাভ্যাস: প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বাদাম, বীজ, হোল গ্রেইন, শিম, সবুজ শাকসবজি এবং দই রাখুন। প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ম্যাগনেসিয়াম অয়েল: হাতের তালুতে ১-৩ পাম্প ম্যাগনেসিয়াম অয়েল নিয়ে প্রতিদিন ত্বকে মালিশ করতে পারেন। এটি স্প্রে আকারে বাজারে পাওয়া যায়। ময়েশ্চারাইজার: ম্যাগনেসিয়াম
ক্লোরাইড যুক্ত নন-টক্সিক ময়েশ্চারাইজার দিনে অন্তত তিনবার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। যেকোনো নতুন উপাদান ব্যবহারের আগে কিছু সতর্কতা মেনে চলুন- প্যাচ টেস্ট: মুখে ব্যবহারের আগে হাতের কবজিতে লাগিয়ে দেখে নিন কোনো অ্যালার্জি হচ্ছে কি না। পরিমাণ: দিনে ৩৫০ মিলিগ্রামের বেশি ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট নেবেন না। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা লালচে র্যাশ হতে পারে। যদি ম্যাগনেসিয়াম অয়েল ব্যবহারের সময় সামান্য জ্বালা করে, তবে বুঝবেন শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি আছে অথবা আপনি একবারে অনেকটা ব্যবহার করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে ব্যবহার শুরু করুন। কাদের জন্য নিষেধ ডায়াবেটিস, অন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ বা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের
আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া যাঁরা বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তার ওষুধ খাচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এটি বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম কেবল একটি খনিজ উপাদান নয়, এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ। সঠিক নিয়ম মেনে এবং পরিমাণমতো ব্যবহার করলে এটি আপনার ত্বককে আরও নমনীয়, উজ্জ্বল ও সতেজ করবে। তবে যেকোনো শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য



