ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চন্দনাইশে অলির বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল: তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ
থানায় ঢুকে ৯ পুলিশ সদস্যকে প্রহার, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের আরও দুই নেতা গ্রেপ্তার
বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট, জ্বালানির অভাবে সমুদ্রে যেতে পারছে না মাছ ধরার ট্রলার
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০
‘গরমে চলতি পারছি নে, তাও কষ্ট কইরে বের হইচি’
রোববার কোন ৩০ উপজেলায় হামের টিকা দেওয়া হবে
তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
গণভোট না মানলে মোনাফেক হয়ে যাবে, জামায়াত নেতা শিশির মনিরের নয়া ‘ফতোয়া’
যারা গণভোটের রায় মানবে না, তারা মোনাফেক- এমন মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতের এই নেতা বলেন, “দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যা’র পক্ষে রায় দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি ৫১ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। বিএনপি গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে ক্যাম্পেইন করে এখন যদি ৫১ শতাংশের ক্ষমতা বলে ৭০ শতাংশের মতামতকে বাতিল করতে চায় তাহলে সেটা হবে জাতির সঙ্গে চরম প্রতারণা। যারা গণভোট মানবে না তারা মোনাফেক।”
আজ ৫ই এপ্রিল, রোববার দুপুরে বগুড়ায় গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘জনরায় উপেক্ষা নয়—গণভোট বাস্তবায়নে সরকারের দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রশিবির বগুড়া শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জোবাইদুর রহমান বাবু, অ্যাডভোকেট সাকিল আহম্মেদ এবং বগুড়া বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল-আমিন। শিশির মনির বলেন, “৫৬ বছর সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। এই সময়ে যে যার মতো করে সংবিধান কাটা-ছেঁড়া করায় বারবার মানুষকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। চব্বিশের ৫ই আগস্ট নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জন্ম দিয়েছে। কিন্তু ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঠিক পথে এগুতে পারছে না।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার আস্থার সঙ্গে কোনো কাজই করতে পারছেন না। মনে হচ্ছে সরকার কোনো এক অদৃশ্য শক্তির
অচলাতয়নে বাঁধা রয়েছে।” সরকারের প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জাতির সামনে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে সেইসব প্রতিশ্রুত পূরণ করতে পারছেন না। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারলে তারও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।” শিশির মনির বলেন, “আমরা সতর্ক করছি। যদি বাস্তবতা বুঝতে না চান তাহলে কিছুই করার নেই। যদি গণভোট না মানেন, জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা না করেন তবে সংসদে এবং সংসদের বাইরে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।” সরকারের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে সরকারের লোকেরা অশ্বডিম্ব বলে উপহাস করছেন। এটা অশ্বডিম্ব হলে এই অশ্বডিম্ব দিয়ে গণভোট করলেন কেন? জনগণকে হ্যাঁতে ভোট দিতে
বললেন কেন? যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অশ্বডিম্ব বলছেন তারা আসলে কাণ্ডজ্ঞানহীন।” তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে মার্শাল ল জারি করে সংবিধান কাটাছেঁড়া করেছেন। তিনিই প্রথম গণভোট দিয়েছিলেন। সেই গণভোটে তিনি জনগনকে হ্যাঁ না ভোট দিতে বলেছিলেন। সেদিন ১৯টি বিষয়কে একটি প্রশ্নের মাধ্যমে গণভোট হয়ে থাকলে এবার ৪টি প্রশ্নে হ্যাঁ না ভোটে সমস্যা কোথায়?”
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রশিবির বগুড়া শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জোবাইদুর রহমান বাবু, অ্যাডভোকেট সাকিল আহম্মেদ এবং বগুড়া বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল-আমিন। শিশির মনির বলেন, “৫৬ বছর সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। এই সময়ে যে যার মতো করে সংবিধান কাটা-ছেঁড়া করায় বারবার মানুষকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। চব্বিশের ৫ই আগস্ট নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জন্ম দিয়েছে। কিন্তু ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঠিক পথে এগুতে পারছে না।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার আস্থার সঙ্গে কোনো কাজই করতে পারছেন না। মনে হচ্ছে সরকার কোনো এক অদৃশ্য শক্তির
অচলাতয়নে বাঁধা রয়েছে।” সরকারের প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জাতির সামনে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে সেইসব প্রতিশ্রুত পূরণ করতে পারছেন না। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারলে তারও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।” শিশির মনির বলেন, “আমরা সতর্ক করছি। যদি বাস্তবতা বুঝতে না চান তাহলে কিছুই করার নেই। যদি গণভোট না মানেন, জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা না করেন তবে সংসদে এবং সংসদের বাইরে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।” সরকারের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে সরকারের লোকেরা অশ্বডিম্ব বলে উপহাস করছেন। এটা অশ্বডিম্ব হলে এই অশ্বডিম্ব দিয়ে গণভোট করলেন কেন? জনগণকে হ্যাঁতে ভোট দিতে
বললেন কেন? যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অশ্বডিম্ব বলছেন তারা আসলে কাণ্ডজ্ঞানহীন।” তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে মার্শাল ল জারি করে সংবিধান কাটাছেঁড়া করেছেন। তিনিই প্রথম গণভোট দিয়েছিলেন। সেই গণভোটে তিনি জনগনকে হ্যাঁ না ভোট দিতে বলেছিলেন। সেদিন ১৯টি বিষয়কে একটি প্রশ্নের মাধ্যমে গণভোট হয়ে থাকলে এবার ৪টি প্রশ্নে হ্যাঁ না ভোটে সমস্যা কোথায়?”



