ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’
৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা
৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর
জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয় মাসের ব্যয় মেটাতে সক্ষম?
সকল সংকটে ঐতিহাসিক বন্ধু ভারতই শেষ ভরসা: জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের শরণাপন্ন বিএনপি সরকার
নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই রোববার সন্ধ্যায় এসটিএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার গভীররাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এসটিএফ জানিয়েছে, দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিজ দেশে চাঁদাবাজি, হত্যাসহ গুরুতর অপরাধ করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে—এমন ‘গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য’ তথ্য তাদের কাছে ছিল। তারা সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল।
এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীররাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের
স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। এসটিএফের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদিকে হত্যার পর পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। ভারতীয় সূত্রের দাবি, তারা গত মাসের ১০ তারিখে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকে, যা বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয় বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা। গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে ভারতে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ। রোববার আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন,
“ওরা আমাদের এখনো অফিসিয়ালি কনফার্ম করেনি।” ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার সন্ধ্যায় বলেন, “আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। এখন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অফিসিয়ালি বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি।” জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ নেওয়া হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া
হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। হামলার দুই দিন পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে এতে হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী এবং ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয়। তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন করে ইনকিলাব মঞ্চ। পরে আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডি–কে দেয়। ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে গুলি
করে হত্যা করা হয়। এছাড়া আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। এসটিএফের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদিকে হত্যার পর পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। ভারতীয় সূত্রের দাবি, তারা গত মাসের ১০ তারিখে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকে, যা বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয় বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা। গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে ভারতে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ। রোববার আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন,
“ওরা আমাদের এখনো অফিসিয়ালি কনফার্ম করেনি।” ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার সন্ধ্যায় বলেন, “আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। এখন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অফিসিয়ালি বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি।” জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ নেওয়া হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া
হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। হামলার দুই দিন পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে এতে হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী এবং ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয়। তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন করে ইনকিলাব মঞ্চ। পরে আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডি–কে দেয়। ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে গুলি
করে হত্যা করা হয়। এছাড়া আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।



